যুদ্ধের ফলে 'ক' দেশ ও তার মিত্রদের পরাজয় ঘটে। বিভিন্ন দল নিষিদ্ধ হয়। বিচার করা হয় বহু ব্যক্তির। বিভিন্ন দেশে গণতান্ত্রিক ও স্বাধীনতার চিন্তাধারা বিকশিত হয়।
হ্যাঁ, আমি মনে করি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ফলাফল ছিল গণতন্ত্রমুখী।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পূর্বে জার্মানিতে হিটলারের নাৎসিবাদ, ইতালিতে মুসোলিনীর ফ্যাসিবাদ বিস্তার লাভ করেছিল। ইউরোপের অন্যান্য দেশও এ নাৎসিবাদ ও ফ্যাসিবাদের ভয়ে শঙ্কিত ছিল যে, এ মতবাদ তাদের দেশে প্রবেশ না করে। কিন্তু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানি ও ইতালির ফ্যাসিবাদ এবং জাপানি সমরবাদের পরাজয় ঘটে। এর ফলে ফ্যাসিস্ট ও নাৎসি পার্টিকে নিষিদ্ধ করা হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নাৎসিবাদ ও ফ্যাসিবাদের ভয়াবহতা জনগণকে বিচলিত করে। ফলে ইউরোপবাসী গণতন্ত্রের দিকে ঝুঁকে পড়ে। এভাবে বিশ্বে গণতন্ত্রের জয়যাত্রা শুরু হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগে ফ্যাসিবাদ এবং নাৎসিবাদ যে ভাবাবেগের সৃষ্টি করেছিল সেই স্রোতে সামরিক জার্মানি ও ইতালিতে পরাজিত হয়েছিল সর্কল গণতান্ত্রিক আদর্শ ও মূল্যবোধ। যেসব দেশের জন্য এক সময় ফ্যাসিবাদের নীতি ও আদর্শ বিপদের কারণ হয়েছিল, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সেসব দেশে গণতান্ত্রিক ও স্বাধীনতার ভাবধারা নতুনভাবে বিকশিত হওয়ার সুযোগ লাভ করেছে। পরিশেষে বলা যায়, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে বিশ্বে গণতন্ত্রের বিকাশধারা অবিরতভাবে বিস্তার লাভ করে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ গণতন্ত্র ও জাতীয়তাবাদী মননে উদ্বুদ্ধ হয়ে পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে মুক্ত হয়।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?