নিচের উদ্দীপকটি দেখ :

উদ্দীপকে উল্লিখিত জীবজগতের রাজ্যগুলোর মধ্যে অ্যানিমেলিয়া রাজ্যের জীবগুলো সবচেয়ে উন্নত। নিচে তা যুক্তিসহকারে দেখানো হলো-
১. এরা বহুকোষী জীব।
২. প্রধানত যৌন জননের মাধ্যমে বংশবৃদ্ধি করে।
.৩. মস্তিষ্ক অতীব উন্নত। গুরু মস্তিষ্ক। বৃহৎ ও দ্বিখণ্ডিত।
৪. এদের স্তনগ্রন্থি থাকে। শিশুপ্রাণী মাতৃ স্তন্যদুগ্ধ পান করে পুষ্টি লাভ করে।
৫. এদের সারা শরীর বা দেহ লোম দ্বারা আচ্ছাদিত। দেহের কয়েকটি স্থানে লোম থাকে না।
৬. এদের দু'জোড়া উপাঙ্গ (এক জোড়া করে অগ্রবাহ্ ও পশ্চাদবাহ) থাকে।
৭. চক্ষু পল্লবের কিনারায় একসারি করে লোম থাকে।
৮. এদের হৃৎপিন্ড চার প্রকোষ্ঠযুক্ত, দুটি অলিন্দ এবং দুটি নিলয়।
৯. পরিণত লোহিত রক্ত কণিকা নিউক্লিয়াসবিহীন।
১০. চোয়ালে দাঁত থাকে।
উপরের বৈশিষ্ট্যের আলোকে বলতে পারি অ্যানিমেলিয়াই উন্নত শ্রেণির জীব।
ভীষণ বৈচিত্র্যময় এই পৃথিবী। আমরা আমাদের আশেপাশে একটু তাকালেই এই বৈচিত্র্যের দারুন সব উদাহরণ দেখতে পাই। এসব বস্তুর মধ্যে কারো জীবন আছে, আবার কারো জীবন নেই। চেয়ার, টেবিল, গাছপালা, দালান, গাড়ি, গ্লাস, কলম এসব হচ্ছে জড়বস্তুর নমুনা। আবার মানুষ, গরু, গাছ, মাছ, মশা, পিঁপড়া এসব হচ্ছে জীবের উদাহরণ। আবার এমন কিছু জীবও রয়েছে যাদের খালি চোখে দেখা যায় না। যেমন: ব্যাকটেরিয়া, অ্যামিবা ইত্যাদি। ছোটো থেকে বড়ো, মাটি থেকে পানি, বাতাসে উপস্থিত নানা প্রকারের জীব নিয়েই আমাদের এই জীবজগৎ গঠিত হয়েছে। সেসব নিয়েই এই অধ্যায়ের আলোচনা।

এই অধ্যায় শেষে আমরা
• জীবের প্রধান প্রধান বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করতে পারব।
• প্রধান প্রধান বৈশিষ্ট্যের আলোকে জীবজগতের শ্রেণিকরণ করতে পারব।
• সপুষ্পক ও অপুষ্পক উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করতে পারব।
• মেরুদণ্ডী এবং অমেরুদণ্ডী প্রাণীর বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করতে পারব।
• চারপাশের জীবজগৎ সম্পর্কে সচেতন হব এবং মানবজীবনে এসব জীবের গুরুত্ব উপলব্ধি করতে সক্ষম হব।
• বিদ্যালয়ের চারপাশের পরিবেশে অবস্থিত জীবের শ্রেণিবিন্যাস করে পোস্টারে প্রদর্শন করতে পারব।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?