জনাব ফারুক মি. রিচার্ডের কাছ থেকে তিন কোটি টাকার পণ্য আমদানি করেন। পণ্যের বিপরীতে জনাব ফারুক একটি দলিল পাঠান। যাতে লেখা আছে 'অদ্য হতে ৫ মাস পর মি. রিচার্ডকে অথবা তার নির্দেশ অনুসারে তিন কোটি টাকা পরিশোধ করা হবে'। মি. রিচার্ড দলিলটির পিছনে স্বাক্ষর করে তার পাওনাদার মি. জর্জকে দেন। মি. জর্জ দলিলটির বৈধ মালিক। কিন্তু বিনিময় হার নির্ধারণে ব্যবহৃত তত্ত্বটি অবাধ বাণিজ্যের ধারণার ওপর প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় দেনা-পাওনা নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে বিপত্তি দেখা দিয়েছে।
উদ্দীপকে উল্লিখিত দলিলটি হস্তান্তরের ক্ষেত্রে আবশ্যকীয় শর্তগুলো হলো-অর্থের পরিমাণ, অর্থ পরিশোধের তারিখ, পরিশোধকারীর নাম, প্রস্তুতকারীর স্বাক্ষর ও তারিখ ইত্যাদি উল্লেখ করা।
হস্তান্তরযোগ্য দলিলের আবশ্যকীয় শর্তাবলি বলতে সেই সব শর্তকে বোঝায়, যা পালন করা অপরিহার্য। এক্ষেত্রে কোনো একটি শর্ত মানা না হলে হস্তান্তর অবৈধ বলে গণ্য হবে।
উদ্দীপকে জনাব ফারুক মি. রিচার্ডের কাছ থেকে তিন কোটি টাকার পণ্য আমদানি করেন। পণ্যের বিপরীতে তিনি একটি দলিল পাঠান। মি. রিচার্ড এই দলিলের পেছনে স্বাক্ষর করে তার পাওনাদার মি. জর্জকে দেন। অর্থাৎ জনাব ফারুক একটি হস্তান্তরযোগ্য দলিল ইস্যু করেছেন। এ দলিলে তাকে অবশ্যই স্বাক্ষর করতে হয়েছে। এতে দলিলটি প্রস্তুতের তারিখ, অর্থ পরিশোধের তারিখ উল্লেখ করতে হয়েছে। আবার, মি. রিচার্ড যখন এটি তার পাওনাদারকে হস্তান্তর করেছেন তখনও তাকে স্বাক্ষর দিয়ে হস্তান্তর করতে হয়েছে। এক্ষেত্রে হস্তান্তরযোগ্য দলিলের সব শর্ত মেনে হস্তান্তর করা হয়েছে।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?