Academy

'X' একটি উন্নয়নশীল দেশ। উক্ত দেশটির জনসংখ্যা ও - খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধির হার নিচের তালিকায় দেওয়া হলো-

বছর১৯০০১৯২৫১৯৭৫
জনসংখ্যা8১৬
খাদ্য উৎপাদন

উদ্দীপকে উল্লিখিত পরিস্থিতিতে 'X' দেশের অর্থনীতি এবং সামাজিক ক্ষেত্রে কি প্রভাব পড়বে বলে তুমি মনে কর? (উচ্চতর দক্ষতা)

Created: 1 month ago | Updated: 1 month ago
Updated: 1 month ago
Ans :

উদ্দীপকে উল্লিখিত ম্যালথাসের তত্ত্ব 'X' দেশের অর্থাৎ বাংলাদেশের অর্থনীতি এবং সামাজিক ক্ষেত্রে যে ধরনের প্রভাব ফেলে বলে আমি মনে করি তা নিচে উল্লেখ করা হলো-

জনসংখ্যা ও খাদ্য বৃদ্ধি : বাংলাদেশে খাদ্য উৎপাদন অপেক্ষা জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার অনেক বেশি। বর্তমানে এ দেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.৩৭% কিন্তু কৃষি শস্য উপখাতের প্রবৃদ্ধির হার ০.১৫%।
খাদ্য ঘাটতি : বাংলাদেশের প্রতিবছর প্রচুর খাদ্য উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা স্থির হয়। কিন্তু বাস্তবে উৎপাদন হয় অনেক কম। এতে প্রতিবছরই খাদ্য ঘাটতি থাকে।

মাথাপিছু জমি: বাংলাদেশে একজন লোকের ভরণ-পোষণের জন্য ১.২ হতে ১.৮০ একর জমির দরকার। অথচ মাথাপিছু জমি রয়েছে মাত্র ০.২৫ একর।
প্রাকৃতিক দুর্যোগ: বাংলাদেশে দ্রুত জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে ম্যালথাস বর্ণিত দুর্ভিক্ষ, মহামারি, প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রভৃতি দেখা যায়।
স্বাস্থ্যহানি: অনাহার, অর্ধাহার, রোগব্যাধি, মহামারি বাংলাদেশের জনগণের নিত্য সহচর হয়ে দাঁড়িয়েছে।
জন্ম ও মৃত্যুহার: বাংলাদেশের জন্মহার ও মৃত্যুহার উভয়ই অধিক। অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৭ অনুযায়ী বাংলাদেশে স্থল। জন্মহার ১৮.৮ এবং স্থূল মৃত্যুহার ৫.১ জন।
বেকারত্ব: বাংলাদেশে বর্তমান মোট শ্রমশক্তির এক-তৃতীয়াংশ বেকার।
জীবনযাত্রার মান: অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৭ অনুযায়ী বাংলাদেশে বর্তমান মাথাপিছু আয় ১৬০২ মার্কিন ডলার। ফলে জীবনযাত্রার মান অত্যন্ত নিম্ন। শতকরা প্রায় ২৩.৫ ভাগ লোক দারিদ্র্য সীমার নিচে বাস করে। সবশেষে বলা যায়, উদ্দীপকে উল্লিখিত পরিস্থিতি অর্থাৎ জনসংখ্যা এবং খাদ্য উৎপাদনের ব্যবধানের ক্ষেত্রে উল্লিখিত প্রভাবগুলো X দেশের অর্থনীতি ও সামাজিক ক্ষেত্রে পড়বে।

1 month ago

জনসংখ্যা, মানব সম্পদ এবং আত্মকর্মসংস্থান

**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View More

1 আত্মকর্মসংস্থান কী? (জ্ঞানমূলক)

Created: 1 month ago | Updated: 1 month ago
Updated: 1 month ago

জীবিকা অর্জনের জন্য স্ব-উদ্যোগে উৎপাদন কাজে নিয়োজিত থাকাই হলো আত্মকর্মসংস্থান।

2 মৃত্যুহার বলতে কী বোঝায়? (অনুধাবন)

Created: 1 month ago | Updated: 1 month ago
Updated: 1 month ago

একটি দেশের জনসংখ্যার মধ্যে মৃত্যুর শতকরা অংশকে 'মৃত্যুহার বলে। মৃত্যুহার জনসংখ্যাকে হ্রাস করে বলে জন্মহার অপেক্ষা মৃত্যুহার বেশি হলে জনসংখ্যা হ্রাস পায়। আবার জন্মহার অপেক্ষা মৃত্যুহার কম হলে জনসংখ্যা বৃদ্ধি পায়। বিভিন্ন কারণে মৃত্যুহার হ্রাস পাওয়ায় বিশ্বের জনসংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।

উদ্দীপকে অধ্যক্ষ সাহেবের ছেলে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএসসি পাস করে গ্রামে এসে মৎস্য খামারের কাজ শুরু করে। বর্তমানে একজন উচ্চশিক্ষিত ছেলে গ্রামে এসে মৎস্য চাষ করবে, এটা কেউ ভাবতেই পারে না। কারণ, এত কষ্ট করে পড়াশোনা করে কেউ গ্রামে গিয়ে মৎস্য চাষ করতে চায় না। তেমনি অধ্যক্ষ সাহেবও চাননি। কিন্তু অধ্যক্ষ সাহেবের ছেলে চায় নিজের উদ্যোগে নিজেকে স্বাবলম্বী করতে। যেকোনো চাকরি করতে গেলে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অধীনে কাজ করতে হয়। তাদের কথামতো সব কাজকর্ম করতে হয়। নিজের কোনো স্বাধীনতা থাকে না। কিন্তু যখন নিজের উদ্যোগে কোনো কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা যায়, তখন আর কারও অধীন থাকতে হয় না। নিজের স্বাধীনতা বজায় রেখেই কাজ করা যায়।

অতএব বলা যায়, উল্লিখিত কারণেই অধ্যক্ষ সাহেবের ছেলে এমএসসি পাস করেও গ্রামে এসে নিজ উদ্যোগে মৎস্য খামারে কাজ শুরু করেছে।

উদ্দীপকে অধ্যক্ষ সাহেবের ছেলে যে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সেটি হচ্ছে আত্মকর্মসংস্থান। নিচে আত্মকর্মসংস্থানের প্রয়োজনীয়তা বিশ্লেষণ করা হলো-

জীবিকা অর্জনের জন্য স্ব-উদ্যোগে উৎপাদন কাজে নিয়োজিত থাকাকে আত্মকর্মসংস্থান বলে। একজন কর্মক্ষম ও কর্মে ইচ্ছুক ব্যক্তি বেকারত্ব লাঘবে স্বাধীনভাবে কোনো উৎপাদনকর্মে নিয়োজিত হলেই তাকে আত্মকর্মসংস্থান বলে অভিহিত করা হয়। বাংলাদেশের মতো জনাধিক্যের দেশের সব শ্রমশক্তিকে প্রচলিত ধারায় কর্মসংস্থানের সুযোগ দেওয়া সম্ভম্ব নয়।
বেকারত্বের অভিশাপ থেকে মুক্ত হতে আত্মকর্মসংস্থান প্রয়োজন। বেকারত্বের কারণে বাংলাদেশের জনগণের মাথাপিছু আয় কম। মাথাপিছু আয় বৃদ্ধির জন্য আত্মকর্মসংস্থান প্রয়োজন। জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের জন্য আত্মকর্মসংস্থান প্রয়োজন। বেকার জনগোষ্ঠীর জন্য প্রয়োজনীয় কর্মসংস্থান তৈরি করার মতো মূলধন সরকারের না থাকায় আত্মকর্মসংস্থান সরকারের বাজেট ব্যবস্থাপনায় চাপ কমায়। বেকারত্ব ও দরিদ্রতা সামাজিক অস্থিরতার জন্ম দেয়, তাই আত্মকর্মসংস্থানের মাধ্যমে বেকারত্ব ও দারিদ্র্য দূর করতে
পারলে সামাজিক অস্থিরতা ও বিশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ করা যায়। আত্মকর্মসংস্থানের মাধ্যমে বেকার জনগোষ্ঠী উন্নয়নকাজে অংশগ্রহণ করলে দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয়।

উপর্যুক্ত বিষয়গুলো পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, বাংলাদেশের মতো জনবহুল উন্নয়নশীল দেশে আত্মকর্মসংস্থানের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম।

জনসংখ্যার ঘনত্ব নির্ণয়ের সূত্রটি হলো, DP = TPTA যেখানে, DP = জনসংখ্যার ঘনত্ব, TP = মোট জনসংখ্যা, TA = মোট আয়তন।

যে জনসংখ্যায় একটি দেশের উৎপাদন ও আয় সর্বোচ্চ হয়, তাকে কাম্য জনসংখ্যা বলে। একটি দেশে প্রাকৃতিক সম্পদ, মূলধন ও প্রযুক্তিগত জ্ঞান কাজে লাগিয়ে জনসংখ্যা যে আয়তন/পরিমাণ দ্বারা সর্বোচ্চ মাথাপিছু আয় অর্জিত হয়, সেই জনসংখ্যার আয়তন/পরিমাণকে কাম্য জনসংখ্যা বলা হয়। কাম্য জনসংখ্যায় মোট জনসংখ্যা ও কর্মজীবী জনসংখ্যার অনুপাত স্থির থাকে। তাই উক্ত জনসংখ্যায় পূর্ণ নিয়োগ অবস্থা বর্তমান থাকে এবং জীবনযাত্রার মান উন্নত হয়।

Promotion
NEW SATT AI এখন আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

Are you sure to start over?

Loading...