Academy

মি. নাসির একজন বড় ব্যবসায়ী। তিনি বিভিন্ন পণ্য বিদেশে রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা আয় করেন যা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।

উদ্দীপকে উল্লিখিত বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের ভূমিকা বিশ্লেষণ কর। (উচ্চতর দক্ষতা)

Created: 3 months ago | Updated: 3 months ago
Updated: 3 months ago
Ans :

উদ্দীপকে মি. নাসির বিদেশে বিভিন্ন পণ্যসামগ্রী বাংলাদেশ থেকে বিদেশে রপ্তানি করে থাকেন। এর ফলে প্রচুর পরিমাণে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে; যা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
বাংলাদেশ থেকে যেসব পণ্যসামগ্রী বিদেশে রপ্তানি করা হয় তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে তৈরি পোশাক, হস্তশিল্পজাত দ্রব্য, চিংড়ি, ওষুধ, বিভিন্ন ধরনের অর্থকরী ফসল প্রভৃতি। এসব পণ্যসামগ্রী বিদেশে রপ্তানির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা আয় করা হয়। এর ফলে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হয়। তাছাড়া বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের ফলে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রেও অগ্রগতি সাধিত হয় এবং দারিদ্র্য দূরীভূত হয়। উৎপাদিত শিল্পে লক্ষ লক্ষ শ্রমিক নিয়োজিত থাকে বলে বেকারত্ব দূর হয় এবং অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ঘটে বলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বাসস্থান প্রভৃতি ক্ষেত্রেও উন্নতি হয়। বাংলাদেশের জনসংখ্যা অধিক বলে এসব দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে স্বল্পমূল্যে কাজে লাগানোর মাধ্যমে বিদেশে প্রতিযোগিতামূলক বাজারে কমমূল্যে রপ্তানি করা যায়। ফলে অন্যান্য দেশের তুলনায় বেশি বৈদেশিক মুদ্রা আয় করে; যা দেশের উন্নয়নে ব্যবহৃত হয়।

সুতরাং উল্লিখিত বিষয়ের আলোকে বলা যায়, মি. নাসিরের মতো পণ্য রপ্তানিকারকের মাধ্যমে বাংলাদেশ প্রচুর পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা আয় করে যা দেশের অর্থনীতিতে ব্যাপক ভূমিকা রাখে।

3 months ago

বাণিজ্য (Trade)

**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View More

1 WTO এর পূর্ণরূপ লেখ। (জ্ঞানমূলক)

Created: 3 months ago | Updated: 3 months ago
Updated: 3 months ago

WTO এর পূর্ণরূপ হলো World Trade Organization.

শিল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সহায়ক।
যেকোনো দেশের শিল্প স্থাপিত হলে সেখানে প্রচুর জনবল নিয়োগ হয়। একটি শিল্পপ্রতিষ্ঠানে প্রচুর শ্রমিক কাজ করে। বিভিন্ন বিভাগে বিভিন্ন যোগ্যতার জনবল শিল্পপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত থাকে। অর্থাৎ যে অঞ্চলে শিল্পপ্রতিষ্ঠান বেশি সে অঞ্চলে কাজের সুযোগও বেশি থাকে।
তাই বলা যায় শিল্প কর্মসংস্থানের সহায়ক হিসেবে কাজ করে।

উদ্দীপকে 'ক' দেশটি হলো বাংলাদেশ।

বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যে রপ্তানি দ্রব্যের মধ্যে বেশিরভাগই কৃষিজদ্রব্য, পাট, চা, চিংড়ি, তামাক প্রভৃতি। তবে বর্তমানে তৈরি পোশাক, কাগজ, রেয়ন প্রভৃতি দ্রব্যের মতো শিল্পজাত পণ্যও রয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশের আমদানি বাণিজ্যের ৭৫ ভাগই শিল্প পণ্য, খনিজ তেল, ঘড়ি, ফ্রিজ, ক্যালকুলেটর প্রভৃতি। এদেশের রপ্তানির চেয়ে আমদানি পণ্যের আধিক্যই বেশি। তাই বৈদেশিক বাণিজ্যের ভারসাম্য সর্বদাই প্রতিকূল অবস্থায় থাকে। এদেশের নিজস্ব বিমান ব্যবস্থা ও জাহাজ কম থাকায় বৈদেশিক বিমান কোম্পানি ও জাহাজের ওপর নির্ভরশীল হতে হয়।

বৈদেশিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সাথে প্রতিবেশী দেশ বিশেষ করে চীন, মায়ানমার, ভারত, মালয়েশিয়া প্রভৃতি দেশের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বিদ্যমান। বৈদেশিক বাণিজ্য নীতি হিসেবে বাংলাদেশে রপ্তানি বৃদ্ধির প্রতি নজর দেওয়া হয়েছে। এছাড়া জনশক্তি রপ্তানি, বাণিজ্যের গতি, বাণিজ্য এলাকার বিস্তৃতি প্রভৃতি বৈশিষ্ট্য বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যে ফুটে ওঠে।

উদ্দীপকে 'ক' দেশটি হলো বাংলাদেশ।
বাংলাদেশের ন্যায় উন্নয়নশীল দেশের অর্থনীতিতে বৈদেশিক বাণিজ্যের গুরুত্ব অপরিসীম। বাংলাদেশের রপ্তানিযোগ্য পণ্যের সংখ্যা যেমন কম তেমনি উৎপাদনও আশানুরূপ নয়। বাংলাদেশের অপ্রচলিত পণ্যের মধ্যে তৈরি পোশাক আন্তর্জাতিক বাজারে খ্যাতি লাভ করেছে। তৈরি পোশাকের আইটেমের সংখ্যা বাড়িয়ে নতুন নতুন ডিজাইনের সংযোজন ঘটিয়ে এবং গুণগত মান বৃদ্ধি করে এর রপ্তানি আরও বৃদ্ধি করা সম্ভব। চিংড়ি বাংলাদেশের আরেকটি রপ্তানি পণ্য। যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, মধ্যপ্রাচ্য, থাইল্যান্ড, হংকং প্রভৃতি দেশে বাংলাদেশের চিংড়ির ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। নিবিড় চাষ পদ্ধতি ও সঠিক ভূমিনীতি প্রণয়নের মাধ্যমে এদেশে চিংড়ি উৎপাদন ও রপ্তানি বহুলাংশে বৃদ্ধি করা সম্ভব। মধ্যপ্রাচ্যের কতিপয় দেশ, ভারত ও অন্যান্য দেশে বাংলাদেশের কাঁচা শাকসবজি, ফলমূল, পান, গোল আলু প্রভৃতি দ্রব্য রপ্তানি করা হয়। উৎপাদন বৃদ্ধি ও সংরক্ষণ ব্যবস্থার উন্নয়নের মাধ্যমে এসব দ্রব্যের রপ্তানি কাড়ানো সম্ভব। বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের হস্তশিল্পজাত পণ্যদ্রব্য ক্রমশ সুনাম অর্জন করে চলছে এবং এগুলোর বাজার প্রসারিত হচ্ছে। বাঁশ, বেত, রশি, পাট, বিভিন্ন প্রকার ধাতব পদার্থ, কাঠ প্রভৃতি দ্বারা তৈরি নানা প্রকার শৌখিন হস্তশিল্পজাত দ্রব্যের ব্যাপক চাহিদা বিশ্বের অনেক দেশে রয়েছে।

পরিশেষে বলা যায়, বিগত প্রায় দুই দশক যাবৎ বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্যের গঠন ও বিন্যাসের ক্ষেত্রে পরিবর্তন সূচিত হয়েছে। অপ্রচলিত পণ্যদ্রব্যের প্রাধান্য ও রপ্তানি সম্ভাবনা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। বৈদেশিক বাজার ও দেশের অভ্যন্তরে বিদ্যমান পরিস্থিতিকে সুষ্ঠুভাবে কাজে লাগিয়ে এসব রপ্তানি পণ্যদ্রব্যের উৎপাদন বৃদ্ধি করে রপ্তানি বহুলাংশে বাড়ানো সম্ভব।

5 বাফার রাষ্ট্র কী? (জ্ঞানমূলক)

Created: 3 months ago | Updated: 3 months ago
Updated: 3 months ago

দুইটি শক্তিশালী রাষ্ট্রের সীমানায় অবস্থিত অপেক্ষাকৃত দুর্বল ও ক্ষুদ্র রাষ্ট্রকে বাফার রাষ্ট্র বলে।

পার্বত্য চট্টগ্রামে পরিবহন ব্যয়বহুল।
পার্বত্য এলাকা ভূ-প্রকৃতি বন্ধুর। আর এ ধরনের ভূ-প্রকৃতিতে যেকোনো ধরনের পরিবহন পথ নির্মাণ অত্যন্ত ব্যয় বহুল। বাংলাদেশে স্থল পরিবহনের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো রেলপথ ও সড়কপথ। আর এ দুই ধরনের পথের জন্য সমতল ভূমি উপযোগী। পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকা উঁচু-নিচু ও পর্বতময় হওয়ায় সেখানে পরিবহন ব্যয়বহুল।

Promotion
NEW SATT AI এখন আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

Are you sure to start over?

Loading...