Academy

বিশ শতকের শেষের দিকে দুটি দেশের মধ্যে মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধের অবসান মানবজাতি ও বিশ্বসভ্যতাকে ধ্বংসের হাত থেকে মুক্ত করেছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে এ যুদ্ধাবস্থার উদ্ভব যেমন আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল, তেমনি বিশ শতকের শেষের দিকে এসে যুদ্ধাবস্থার অবসান একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত হয়।

উদ্দীপকে উল্লিখিত যুদ্ধাবস্থা কীভাবে দূর করা হয়? বর্ণনা। দাও। (প্রয়োগ)

Created: 2 months ago | Updated: 2 months ago
Updated: 2 months ago
Ans :

উদ্দীপকে উল্লিখিত যুদ্ধাবস্থা বলতে স্নায়ুযুদ্ধের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে।

আশির দশকে স্নায়ুযুদ্ধের উত্তেজনা কমতে কমতে শেষ পর্যন্ত সোভিয়েত ইউনিয়নের ভাঙনের মধ্য দিয়ে এর অবসান ঘটে। ১৯৮৭সালে দুই পরাশক্তির মধ্যে স্বাক্ষরিত পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তির মাধ্যমে এ প্রক্রিয়া শুরু হয়। এতে মাঝারি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের একটি বড় অংশ ধ্বংস করতে দুই পরাশক্তি ঐকমত্যে পৌঁছে। অতঃপর ১৯৮৯ সালের ২ এপ্রিল নিউইয়র্ক টাইমস পত্রিকায় এক নিবন্ধের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র একতরফাভাবে স্নায়ুযুদ্ধ অবসানের ঘোষণা প্রদান করে। ঐ বছরেরই ৩ ডিসেম্বর মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশ এবং সোভিয়েত প্রেসিডেন্ট মিখাইল গর্বাচেভ মাল্টায় শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন। এ শীর্ষ সম্মেলন থেকে উভয়ে উভয় দেশের মধ্যকার দীর্ঘদিনের স্নায়ুযুদ্ধ অবসানের কথা সরকারিভাবে ঘোষণা করেন। যা বিশ্বের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় ঘটনা। উদ্দীপকে উল্লিখিত বিশ শতকে একটি মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধের অবসান মানবজাতি ও বিশ্ব সভ্যতাকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করেছে। এ বক্তব্যের মধ্য দিয়ে মূলত স্নায়ুযুদ্ধের অবসানের কথাই ইঙ্গিত করা হয়েছে।

2 months ago

স্নায়ুযুদ্ধ পরবর্তী বিশ্ব

**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View More

লিজিয়ন অব অনার' হচ্ছে এক ধরনের উপাধি, যা ১৮০২ সালের ১৯ মে নেপোলিয়ন বোনাপার্ট প্রবর্তন করেন। এটি ফ্রান্সের সর্বোচ্চ সম্মাননা। লিজিয়ন অব অনার পাঁচ ভাগে বিভক্ত। যথা- ১. নাইট, ২. অফিসার, ৩. কমান্ডার, ৪. গ্র্যান্ড অফিসার এবং ৫. গ্র্যান্ড ক্রস।

উদ্দীপকের ঘটনার সাথে আমার পাঠ্যবইয়ের বার্লিন প্রাচীর মিল পাওয়া যায়।

উদ্দীপকে পাঠ্যবইয়ে আলোচিত ঐতিহাসিক বার্লিন প্রাচীরের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। উদ্দীপকে উল্লিখিত রহিম ও করিম দুই ভাই। বাবার মৃত্যুর পর তার সম্পত্তি ভাগাভাগি করে নেয়। ঝামেলা শুরু হয় ভাইয়ের বিয়ের পর। একপর্যায়ে তারা আলাদা হয়ে যায় এবং তাদের বাড়ির মাঝখান দিয়ে প্রাচীর নির্মাণ করে। কিন্তু পরবর্তীতে তারা তাদের ভুল বুঝতে পেরে প্রাচীর ভেঙ্গে দিয়ে একত্রে বসবাস শুরু করে। অনুরূপ ঘটনা জার্মানির বার্লিন প্রাচীরকে নিয়ে ঘটেছিল। বার্লিন প্রাচীরকে সরকারিভাবে বলা হয় ফ্যাসিবাদবিরোধী দুর্গ। ১৯৬১ সালে পূর্ব জার্মানির জার্মান ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক সরকার এ প্রাচীর নির্মাণ করে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বার্লিন প্রাচীর হয়ে ওঠে সমাজতন্ত্র ও গণতন্ত্রের বিভেদ চিহ্ন। ১৯৮৯ সালে পূর্ব ইউরোপে সমাজতন্ত্রের পতন ঘটলে আবার পশ্চিম জার্মানি ও পূর্ব জার্মানির একত্রীকরণের প্রক্রিয়া শুরু হয়। দুই জার্মানির ঐক্যবদ্ধ হওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণের অংশ হিসেবে পূর্ব জার্মান সরকার ১৯৮৯ সালের ৯ নভেম্বর ঘোষণা করেন, GDR-এর সকল নাগরিক পশ্চিম জার্মানি ও পূর্ব জার্মানি ভ্রমণ করতে পারবে। পরবর্তী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই জনতা বার্লিন প্রাচীরের কতকাংশ স্বউদ্যোগে ভেঙে ফেলে। ১৩ জুন ১৯৯০ সাল থেকে পূর্ব জার্মান সেনাবাহিনী বার্লিন প্রাচীর সরকারিভাবে ভেঙে ফেলতে শুরু করে। ১৯৯০ সালের ৩ অক্টোবর দুই জার্মানি আনুষ্ঠানিকভাবে একত্রিত হয় এবং ১৯৯১ সালের শেষ নাগাদ এ প্রাচীর ভাঙার কাজও সমাপ্ত হয়।
সুতরা বলা যায়, উদ্দীপকের ঘটনার সাথে বার্লিন প্রাচীরের মিল হয়েছে।
এ উক্ত ঘটনা অর্থাৎ বার্লিন প্রাচীর উন্মুক্ত করার পরিপ্রেক্ষিতে দেশ দুটির একত্রিত হওয়ার প্রক্রিয়া শুরুর হয় উক্তিটি যথার্থ।

উক্ত ঘটনা অর্থাৎ বার্লিন প্রাচীর উন্মুক্ত করার পরিপ্রেক্ষিতে দেশ দুটির একত্রিত হওয়ার প্রক্রিয়া শুরুর হয় উক্তিটি যথার্থ।

১৯৬১ সালে পূর্ব জার্মানির জার্মান ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক সরকার এ প্রাচীর নির্মাণ করে। ১৯৮৯ সালে পূর্ব ইউরোপে সমাজতন্ত্রের পতন ঘটলে আবার পশ্চিম জার্মানি ও পূর্ব জার্মানি একত্রিত হওয়ার সিদ্ধান্ত * গ্রহণ করে। বার্লিন প্রাচীর উন্মুক্ত করার মধ্য দিয়েই শুরু হয় দুই জার্মানির একত্রীকরণ প্রক্রিয়া। দুই জার্মানির ঐক্যবদ্ধ হওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণের অংশ হিসেবে পূর্ব জার্মান সরকার ১৯৮৯ সালের ৯ নভেম্বর ঘোষণা করেন, GDR-এর সকল 'নাগরিক পশ্চিম জার্মানি ও পূর্ব জার্মানি ভ্রমণ করতে পারবে। এর ফলে দলে দলে লোক বার্লিন প্রাচীর টপকে পশ্চিম জার্মানিতে গমন করে। পশ্চিম জার্মানির জনগণ তাদের উষ্ণ অভ্যর্থনা জ্ঞাপন করে। পরবর্তী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই জনতা বার্লিন প্রাচীরের কতকাংশ স্বউদ্যোগে ভেঙে ফেলে। ১৩ জুন ১৯৯০ থেকে পূর্ব জার্মান সেনাবাহিনী বার্লিন প্রাচীর সরকারিভাবে ভেঙে ফেলতে শুরু করে। ১৯৯১ সালের শেষ নাগাদ এ প্রাচীর ভাঙার কাজও সমাপ্ত হয়। ১৯৮৯ সালের ৯ নভেম্বর বার্লিন প্রাচীর উন্মুক্ত করার মধ্য দিয়েই শুরু হয় দু জার্মানির একত্রীকরণ প্রক্রিয়া।

হাঙ্গেরিতে কমিউনিস্ট শাসনের পতন ঘটেছিল পর্যায়ক্রমিকভাবে। হাঙ্গেরির অর্থনৈতিক অধঃপতন কাটিয়ে উঠার কোনো প্রত্যাশিত সমাধান কাদার সরকার দিতে পারেনি। ফলে তার প্রতিপক্ষ ক্যারোলি দেশের ক্ষমতা গ্রহণ করেন। কিন্তু তারাও এ অবস্থার তেমন কোনো উন্নতি সাধন করতে পারেনি। ১৮৮৯ সালে অনুষ্ঠিত সর্বদলীয় গোলটেবিল বৈঠকে ক্ষমতা, হস্তান্তর ও একটি রাজনৈতিক ব্যবস্থার পদ্ধতি কী হবে তা নির্ধারণ করার চেষ্টা করা হয়। কিছুদিন পূর্ব থেকেই নতুন শাসনতন্ত্র রচনার কাজ আইন মন্ত্রণালয়ে চলে আসছিল। অবশেষে ২৩ অক্টোবর অস্থায়ী প্রেসিডেন্ট মার্টিয়াস জুরোস হাঙ্গেরিতে দীর্ঘদিন চলতে থাকা সমাজতন্ত্রের স্থলে শুধু 'প্রজাতন্ত্র' বলে সরকারিভাবে ঘোষণা করেন। এভাবেই হাঙ্গেরিতে কমিউনিস্ট শাসনের অবসান হয়।

Promotion
NEW SATT AI এখন আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

Are you sure to start over?

Loading...