সুজন দ্বাদশ শ্রেণির একজন শিক্ষার্থী। সুজনের বাবা বাজার থেকে কিছু ফল কিনে আনলে সুজন ফলগুলো খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে। ফলশ্রুতিতে সে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারে না। বিষয়টি সুজনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ মহোদয়কে জানালে তিনি সুজনের বাবাকে বলেন, এটি আমাদের দেশে একটি অন্যতম সমস্যা। তিনি এ কথা জানান যে, বর্তমান সরকার এ সমস্যা সমাধানে বিভিন্ন পদক্ষেপও গ্রহণ করেছে।
উদ্দীপকে খাদ্য নিরাপত্তার খাদ্যের ব্যবহারের দিকটি বিঘ্নিত হয়েছে। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো-
খাদ্য নিরাপত্তা বিধানের জন্য যে শর্তটি পূরণ প্রয়োজন তাহলো খাদ্যের ব্যবহার। দৈনন্দিন জীবনে মানুষ যে খাদ্য গ্রহণ করে তা অবশ্যই স্বাস্থ্যকর ও নিরাপদ হতে হবে। বর্তমানে সমাজে এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী বাজারে ভেজাল ও বিষাক্ত ফরমালিন ও কেমিক্যালস ব্যবহারের মাধ্যমে খাদ্য ব্যবহারকে অনিরাপদ করে তুলেছে। ফলে মানুষের স্বাস্থ্যহানি ঘটছে এবং খাদ্য নিরাপত্তার পরিবর্তে অনিরাপত্তাই বৃদ্ধি পাচ্ছে।
সুতরাং খাদ্য নিরাপত্তা বলতে কেবল খাদ্য প্রাপ্তিকেই বোঝায় না; বরং মানুষ যে খাদ্য গ্রহণ করছে তা কতটা স্বাস্থ্যকর, নিরাপদ ও মানসম্মত তা নিশ্চিত করতে হবে। উদ্দীপকে সুজনের বাবা বাজার থেকে যে ফলগুলো কিনে এনেছেন সেগুলো খেয়ে সুজন অসুস্থ হয়ে পড়েছে, অর্থাৎ তার স্বাস্থ্যহানি ঘটেছে।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?