Academy

সুজন দ্বাদশ শ্রেণির একজন শিক্ষার্থী। সুজনের বাবা বাজার থেকে কিছু ফল কিনে আনলে সুজন ফলগুলো খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে। ফলশ্রুতিতে সে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারে না। বিষয়টি সুজনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ মহোদয়কে জানালে তিনি সুজনের বাবাকে বলেন, এটি আমাদের দেশে একটি অন্যতম সমস্যা। তিনি এ কথা জানান যে, বর্তমান সরকার এ সমস্যা সমাধানে বিভিন্ন পদক্ষেপও গ্রহণ করেছে।

উদ্দীপকে খাদ্য নিরাপত্তার কোন দিকটি বিঘ্নিত হয়েছে? ব্যাখ্যা কর। (প্রয়োগ)

Created: 1 month ago | Updated: 1 month ago
Updated: 1 month ago
Ans :

উদ্দীপকে খাদ্য নিরাপত্তার খাদ্যের ব্যবহারের দিকটি বিঘ্নিত হয়েছে। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো-

খাদ্য নিরাপত্তা বিধানের জন্য যে শর্তটি পূরণ প্রয়োজন তাহলো খাদ্যের ব্যবহার। দৈনন্দিন জীবনে মানুষ যে খাদ্য গ্রহণ করে তা অবশ্যই স্বাস্থ্যকর ও নিরাপদ হতে হবে। বর্তমানে সমাজে এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী বাজারে ভেজাল ও বিষাক্ত ফরমালিন ও কেমিক্যালস ব্যবহারের মাধ্যমে খাদ্য ব্যবহারকে অনিরাপদ করে তুলেছে। ফলে মানুষের স্বাস্থ্যহানি ঘটছে এবং খাদ্য নিরাপত্তার পরিবর্তে অনিরাপত্তাই বৃদ্ধি পাচ্ছে।
সুতরাং খাদ্য নিরাপত্তা বলতে কেবল খাদ্য প্রাপ্তিকেই বোঝায় না; বরং মানুষ যে খাদ্য গ্রহণ করছে তা কতটা স্বাস্থ্যকর, নিরাপদ ও মানসম্মত তা নিশ্চিত করতে হবে। উদ্দীপকে সুজনের বাবা বাজার থেকে যে ফলগুলো কিনে এনেছেন সেগুলো খেয়ে সুজন অসুস্থ হয়ে পড়েছে, অর্থাৎ তার স্বাস্থ্যহানি ঘটেছে।

1 month ago

খাদ্য নিরাপত্তা

**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View More

1 নিরাপদ খাদ্য কী? (জ্ঞানমূলক)

Created: 1 month ago | Updated: 1 month ago
Updated: 1 month ago

যা ভোক্তার নিকট ক্ষতিকর হবে না এবং যা ইচ্ছাকৃতভাবে ব্যবহৃত হবে ভোগের জন্য তা-ই নিরাপদ খাদ্য।

কোনো নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীর নির্দিষ্ট সময়ে অত্যাবশ্যকীয় খাদ্যের প্রাপ্তিকেই খাদ্যের প্রাপ্যতা বলা হয়। পর্যাপ্ত উৎপাদন এবং নির্দিষ্ট স্থানে পর্যাপ্ত খাদ্যের যোগান খাদ্যের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করে। কোনো নির্দিষ্ট স্থানে পর্যাপ্ত খাদ্যের সরবরাহ নির্ভর করে সরকারি ও বেসরকারি খাদ্যশস্য সরবরাহ ব্যবস্থাপনার উপর। কিছু কিছু জায়গায় পদ্ধতিগত দুর্বলতা এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার অপর্যাপ্ততা ও প্রয়োজনীয় খাদ্যে সরকারি সহযোগিতার অভাবে খাদ্যের প্রাপ্যতা বাধাগ্রস্ত হয়।

উদ্দীপকে খাদ্যে ভেজালের কথা বলা হয়েছে। উক্ত বিষয়টি প্রতিরোধে সরকার যেসব পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে তা নিচে ব্যাখ্যা করা হলো-

⇨ সরকার ভেজালবিরোধী আইনের মাধ্যমে সকল পর্যায়ে ভেজাল খাদ্য উৎপাদন, বিপণন ও বিক্রয়ের সাথে জড়িত ব্যক্তিবর্গকে আইনের আওতায় আনার লক্ষ্যে সংসদে ভেজালবিরোধী আইন পাশ করার পাশাপাশি ভেজাল খাদ্যদ্রব্যের সাথে জড়িত ব্যক্তিদের কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করেছে।

⇨ দেশের অভ্যন্তরে বিভিন্ন ভেজাল খাদ্যদ্রব্যের উৎপাদন বন্ধের পাশাপাশি বিদেশ থেকে আমদানিকৃত ভেজালে সহায়তাকারী বিভিন্ন রাসায়নিক দ্রব্যের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।

⇨ ভেজাল প্রতিরোধে সরকার জনসচেতনতা সৃষ্টির পাশাপাশি খাদ্যে ভেজাল মিশ্রণকারীদের তাৎক্ষণিক শাস্তি প্রদানের জন্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করছে।

অতএব বলা যায়, সরকারের সদিচ্ছা এবং আইনের কার্যকরী প্রয়োগ দ্রুত দেশের ভেজাল প্রতিরোধ করতে পারে।

উদ্দীপকের শেষ উক্তিটি বর্তমান প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। নিচে আমার মতামত উপস্থাপন করা হলো-

উন্নত বিশ্ব খাদ্যে ভেজালের বিষয়ে কোনোরকম ছাড় দিতে নারাজ, যেকোনো কিছুর বিনিময়ে তারা নিরাপদ খাদ্য পেতে চায়। নিরাপদ খাদ্য পেতে তারা খরচের কথা চিন্তা করে না। ফলে তাদের খাদ্যের সরবরাহ ভালো। তাদের খাদ্য ক্রয়-বিক্রয়ও অনেক ভালো।
কিন্তু বাংলাদেশে ঠিক এর ব্যতিক্রম অবস্থা। বাংলাদেশে জনসংখ্যা অনেক বেশি হলেও এই খাদ্য সরবরাহ করার পরও মানুষ প্রচুর অপচয় করে। এই অপচয় রোধে বিক্রেতারা খাদ্যে পচনশীলতা দূর করতে ফরমালিনের মতো বিষও প্রয়োগ করে। বাংলাদেশে বর্তমানে বিভিন্ন ধরনের ফল, সবজি, মাছ, মাংস ইত্যাদি সব খাদ্যে পচনশীলতা দূর করতে ফরমালিন প্রয়োগ করছে, যা স্বাস্থ্যের জন্য চরম ক্ষতিকর। খাদ্যের এই ভেজাল দিন দিন মনে হয় আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ ক্ষেত্রে সরকার বিভিন্ন ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করলেও আশু প্রতিক্রিয়া তেমন দেখা যাচ্ছে না। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের শেষ উক্তিটি বাংলাদেশের জন্য প্রযোজ্য নয়।

5 খাদ্য নিরাপত্তা কী? (জ্ঞানমূলক)

Created: 1 month ago | Updated: 1 month ago
Updated: 1 month ago

খাদ্য নিরাপত্তা হলো নির্ভরশীল স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্যের পর্যাপ্ত যোগান যা ভোক্তার ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে বিদ্যমান থাকে।

কোনো নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠী কর্তৃক শরীরের প্রয়োজনীয় উপাদান প্রাপ্তির লক্ষ্যে নির্দিষ্ট খাদ্যদ্রব্য গ্রহণকেই খাদ্যের ব্যবহার বলে।

শরীরে প্রয়োজনীয় খাদ্য উপাদানের ঘাটতি পূরণের লক্ষ্যে যে সব খাদ্য গ্রহণ করা হয়, তার আত্তীকরণের উপর নির্ভর করে খাদ্যের ব্যবহার। খাদ্যভোগের ধরন, পুষ্টিমান, স্বাস্থ্য এবং খাদ্য নিরাপত্তার বিষয়গুলো সামাজিক, সাংস্কৃতিক উপাদান; যেমন- খাদ্যে প্রাপ্যতা খাদ্যের ক্রয়ক্ষমতা এবং তার ব্যবহারের উপর নির্ভর করে। দারিদ্র্য, লিঙ্গ, বয়স, কাঠামো ও সামর্থ্য, ভৌগোলিক অবস্থান, সংস্কৃতি চর্চা খাদ্যভোগের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে কাজ করে।

Promotion
NEW SATT AI এখন আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

Are you sure to start over?

Loading...