জনাব আ. হক বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক ক্রয় করে ইউরোপ আমেরিকায় বিক্রি করেন। তিনি ভারত, চীন, নেপাল থেকে তুলা ও সুতা ক্রয় করে বাংলাদেশে বিক্রি করেন।
উদ্দীপকে জনাব আ. হকের কাজকে আন্তজাতিক বাণিজ্য বলে। নিচে তা নিরূপণ করা হলো-
জনাব আ. হক বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক ক্রয় করে ইউরোপ আমেরিকায় বিক্রি করেন। একে রপ্তানি বাণিজ্য বলে। আবার তিনি ভারত, চীন, নেপাল থেকে তুলা ও সুতা ক্রয় করে বাংলাদেশে বিক্রি করেন। একে আমদানি বাণিজ্য বলে। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে বিদেশে পণ্য ও সেবা বিক্রয় করাকে রপ্তানি বলে, যা আ. হক সাহেব তৈরি পোশাকের ক্ষেত্রে করে থাকেন, আবার বিদেশ থেকে পণ্য ও সেবা ক্রয় করাকে আমদানি বলা হয়, যা জনাব আ. হক তুলা ও সুতার ক্ষেত্রে করে থাকেন। পৃথিবীর কোনো দেশই সব পণ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ না হলেও এক বা একাধিক পণ্য তার প্রয়োজনের অধিক উৎপন্ন করতে পারে। এই উদ্বৃত্ত পণ্য অন্য দেশে রপ্তানি করে অন্য দেশ থেকে নিজের দেশের ঘাটতিপূর্ণ পণ্য আমদানি করে তার চাহিদা মেটাতে পারে। এভাবে পারস্পরিক সুবিধার ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এগিয়ে যায়।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?