জনাব শিহাব একজন পাটের ব্যবসায়ী। তিনি তার গুদামে সংরক্ষিত ১,০০,০০০ টাকা মূল্যের পাটের জন্য ৭০,০০০ টাকা মূল্যের একটি অগ্নি বিমাপত্র গ্রহণ করেন। হঠাৎ অগ্নিকাণ্ডে ৬০,০০০ টাকার পাট পুড়ে যায়। কিন্তু বিমা কোম্পানি তাকে ৭০,০০০ টাকার ক্ষতিপূরণ প্রদান করে। আবার, আবুল কাশেম সাহেব তার অফিসের আসবাবপত্রের জন্য ১,০০,০০০ টাকার একটি অগ্নি বিমা পলিসি গ্রহণ করেন। যার প্রকৃত মূল্য ছিল ১,৫০,০০০ টাকা। অগ্নিকান্ডে ৬০,০০০ টাকার ক্ষতি হয়, কিন্তু ক্ষতিপূরণ বাবদ ৪০,০০০ টাকা আদায় হয়।
জনাব আবুল কাশেম গড়পড়তা বিমাপত্র গ্রহণ করেছেন।
যে বিমাপত্রে বিমাকৃত মূল্যে ক্ষতিপূরণ না করে গড়পড়তা হারে ক্ষতিপূরণ করা হয় তাকে গড়পড়তা বিমাপত্র বলে। এ বিমার মূল উদ্দেশ্য হলো বিমাগ্রহীতা যাতে সম্পত্তির মূল্য বেশি দেখিয়ে অতিরিক্ত ক্ষতিপূরণ না নিতে পারে। সম্পত্তির আংশিক ক্ষতির ক্ষেত্রেও এ নীতি অনুসরণ করা হয়।
উদ্দীপকের আবুল কাশেম তার অফিসের আসবাবপত্রের জন্য ১,০০,০০০ টাকার একটি অগ্নি বিমা করেন। আসাবাবপত্রের প্রকৃত মূল্য ছিল ১,৫০,০০০ টাকা। অগ্নিকান্ডে ৬০,০০০ টাকার ক্ষতি হয়। বিমা কোম্পানি তাকে ৪০,০০০ টাকার ক্ষতিপূরণ দেয়। মূলত গড় বিমাপত্রের ক্ষেত্রে আনুপাতিক হারে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়ে থাকে। এছাড়াও সম্পত্তির প্রকৃত মূল্য বিবেচনা করা হয়। বিমা কোম্পানি ক্ষতির প্রকৃত মূল্য ও বিমাকৃত মূল্য আনুপাতিক হারে গণনা করে আবুল কাশেমকে বিমা দাবি পরিশোধ করেছে। ফলে তিনি ৪০,০০০ টাকা ক্ষতিপূরণ পেয়েছেন। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের জনাব আবুল কাশেমের বিমাটি হলো গড়পড়তা।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?