সমাজকর্মে অধ্যয়নরত নিশি ও দিবা বিভিন্ন দেশ সম্পর্কে আলোচনা করছিল। নিশি বলে, 'ক' একটি অনুন্নত রাষ্ট্র। উক্ত রাষ্ট্র জনসাধারণের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। শুধু সরকারই নয় উক্ত কাজে স্থানীয় জনগণকেও সম্পৃক্ত করা হচ্ছে। দিবা বলে, উক্ত রাষ্ট্রের সরকার কতকগুলো নীতিও প্রণয়ন করেছে। এসব নীতি সামাজিক পরিবর্তন ও উন্নয়নের নির্দেশক হিসেবে কাজ করে।
উদ্দীপকে বর্ণিত সামাজিক নীতি 'সামাজিক পরিবর্তন ও উন্নয়নের নির্দেশক' দিবার এ বক্তব্যের সাথে আমি একমত পোষণ করছি।
উদ্দীপকে দিবা বলে, 'ক' রাষ্ট্রের সরকার কতকগুলো নীতি প্রণয়ন করেছে এবং উক্ত নীতি সামাজিক পরিবর্তন ও উন্নয়নের নির্দেশক হিসেবে কাজ করে যা সামাজিক নীতির সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। আর সামাজিক নীতি সামাজিক পরিবর্তন ও উন্নয়নের নির্দেশক হিসেবে কাজ করে।
কাঙ্ক্ষিত সামাজিক পরিবর্তন ও সমস্যা মোকাবিলায় কল্যাণমূলক সেবা প্রদানের লক্ষ্যেই সামাজিক নীতি প্রণীত হয়। সামাজিক নীতি উদ্দেশ্য হিসেবে সকলের কল্যাণ সাধন, সকল এলাকার উন্নয়ন কার্যক্রমের সমবণ্টন, পূর্ণ কর্মসংস্থান, দারিদ্র্য নিরসন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উদ্ভাবনও প্রয়োগ প্রভৃতিকে অন্তর্ভুক্ত করা। সামাজিক ও মানবীয় প্রয়োজন এবং সমস্যার কার্যকর মোকাবিলায় সার্বিক পথ নির্দেশনা দান করাই সামাজিক নীতির অন্যতম লক্ষ্য। সামাজিক নীতি প্রণয়নের মাধ্যমে জনগণের ন্যূনতম জীবনমান বজায় রাখার পদক্ষেপ নেওয়া হয় এবং বিভিন্ন সামাজিক অনিশ্চয়তা ও দুর্ভোগ থেকে সমাজের মানুষকে নিরাপদ রাখা হয়। সামাজিক নীতি সমাজে সাম্য ও সমতার বিধান প্রতিষ্ঠা এবং অসহায় ও বঞ্চিত জনগণের অধিকার সংরক্ষণে সচেষ্ট থাকে।
পরিশেষে বলা যায়, সমাজের দেওয়া মানুষকে বিভিন্ন সেবা যেমন- সামাজিক বিমা, সামাজিক সাহায্য, স্বাস্থ্যসেবা প্রভৃতি - ক্ষেত্রকে নিশ্চিত করতে এবং বিভিন্ন কল্যাণমূলক সেবা কর্মকাণ্ড পরিচালনা ও বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সামাজিক নীতি প্রণয়ন করা হয়।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?