চাপিয়ে দেয়া একটি চুক্তির মাধ্যমে মর্যাদা ও অর্থনৈকিভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য ইউরোপের একটি শক্তিধর দেশে বিশ্বব্যাপী যুদ্ধের সূচনা করে। কিন্তু যুদ্ধে রাষ্ট্রটি পূর্বের ন্যায় পরাজিত হয় এবং শাস্তিস্বরূপ দেশটিকে বিভক্ত করে অন্যান্য দেশ তার নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করে। পরে অবশ্য একত্রীকরণের মাধ্যমে বিভক্ত। দেশটি পুনরায় একত্রিত হয়।
উদ্দীপকে বর্ণিত যুদ্ধটি আমার পাঠ্যবইয়ের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ঘটনাকে নির্দেশ করে।
১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর জার্মানির পোল্যান্ড আক্রমণের মধ্যে দিয়ে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সূত্রপাত হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ হঠাৎ করে ঘটে যাওয়া কোনো দুর্ঘটনা ছিল না। এ যুদ্ধের কারণ সামান্যও নয়। প্রথম মহাযুদ্ধের অমীমাংসিত সমস্যা থেকে দুই বিশ্বযুদ্ধের মধ্যবর্তী সময়ে বিকশিত আন্তর্জাতিক রাজনীতির জটিল ঘটনাবলি ও বিষয়াবলি থেকেই এ ধরনের সর্বগ্রাসী যুদ্ধের বিস্ফোরণ ঘটেছিল। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে ঘা সারতে না সারতেই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের দামামা বেড়ে ওঠে। বিশ্বের ৬১টি দেশ এই যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করে। ১৯৩৯-১৯৪৫ সাল পর্যন্ত প্রায় ৬ বছর দেশে দেশে যুদ্ধ হয়। মূলত প্রথম বিশ্বযুদ্ধে জার্মানি পরাজিত হওয়ার পর ভার্সাই সন্ধির মাধ্যমে জার্মানিকে মিত্র শক্তি অর্থনৈতিক এবং সামরিকভাবে পঙ্গু করে ফেলে। ফলে জার্মানির জাতীয়তাবাদী নেতারা জার্মানির প্রতি এই অপমানজনক সন্ধি মেনে নিতে পারেনি। ফলে তারা প্রতিশোধ পরায়ণ হয়ে ওঠে। সেই সাথে জার্মানি, ইতালি ইত্যাদি ও জাপানের অক্ষ জোট আর ব্রিটেন, ফ্রান্স, আমেরিকা ও রাশিয়ার মিত্র জোটে পৃথিবীর দেশগুলো দুইটি সামরিক জোটে বিভক্ত হয়ে পড়ে যার ফলশ্রুতিতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ অবশান্ডী হয়ে পড়ে। দীর্ঘ ৬ বছর যুদ্ধ শেষে জার্মানি পরাজিত হয় এবং জাপানে আত্মসমরর্পনের মধ্য দিয়ে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরিসমাপ্তি ঘটে।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?