এই পৃথিবীর দিকে তাকাও। দেখেছ বাতাসে কত দূষিত পদার্থ? কত তেজস্ক্রিয় পদার্থ? বাতাসের ওজোন স্তর কেমন করে শেষ হয়ে যাচ্ছে দেখেছ? গাছ কেটে কত বিস্তীর্ণ এলাকা ধ্বংস করেছে দেখেছ? ... এরা একে অন্যের ওপর নিউক্লিয়ার বোমা ফেলেছে। যুদ্ধ করে একজন আরেকজনকে ধ্বংস করে ফেলছে। প্রকৃতিকে এরা দূষিত করে ফেলেছে।
উদ্দীপকে 'বাঁচতে দাও' কবিতায় মানুষের ধ্বংসাত্মক মনোভাবের কারণে বিপর্যয় সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কার দিকটি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
প্রকৃতির প্রতিটি প্রাণীই একে অন্যের ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু এক শ্রেণির মানুষ প্রকৃতিকে ধ্বংস করার মধ্য দিয়ে প্রাকৃতিক বিপর্যয় ডেকে আনছে। এটা সমস্ত পৃথিবীর জন্যই ক্ষতিকর।
উদ্দীপকে পৃথিবীর কথা বলা হয়েছে। যেখানে দূষিত পদার্থ ও তেজস্ক্রিয় পদার্থ মিশে বাতাস দূষিত করছে। নষ্ট হয়ে যাচ্ছে ওজোন স্তর। গাছ কেটে মানুষ ধ্বংস করছে বিস্তীর্ণ এলাকা। নিউক্লিয়ার বোমা ফেলে ধ্বংস করছে একে অন্যকে। অন্যদিকে 'বাঁচতে দাও' কবিতায় কবি প্রকৃতির সব প্রাণী ও জীবজন্তুকে 'সুস্থ ও স্বাভাবিকভাবে বিকশিত হতে দেওয়ার কথা বলেছেন। কারণ কবি জানেন সবুজ ধ্বংস হয়ে গেলে প্রকৃতি যে বিপর্যয়ে পড়বে তাতে শিশুর বিকাশ বাধাগ্রস্ত হবে। এ আশঙ্কা থেকে কবি সব প্রতিকূলতাকে জয় করার কথা বলেছেন। তাই বলা যায় যে, উদ্দীপকে 'বাঁচতে দাও' কবিতায় মানুষের ধ্বংসাত্মক মনোভাবের কারণে বিপর্যয় সৃষ্ট হওয়ার আশঙ্কার দিকটি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
এই তো দ্যাখো ফুলবাগানে গোলাপ ফোটে,
ফুটতে দাও।
রঙিন কাটা ঘুড়ির পিছে বালক ছোটে,
ছুটতে দাও।
নীল আকাশের সোনালি চিল মেলছে পাখা,
মেলতে দাও।
জোনাক পোকা আলোর খেলা খেলছে রোজই,
খেলতে দাও।
মধ্য দিনে নরম ছায়ায় ডাকছে ঘুঘু,
ডাকতে দাও।
বালির ওপর কত্ত কিছু আঁকছে শিশু,
আঁকতে দাও।
কাজল বিলে পানকৌড়ি নাইছে সুখে,
নাইতে দাও।
গহিন গাঙে সুজন মাঝি বাইছে নাও,
বাইতে দাও।
নরম রোদে শ্যামা পাখি নাচ জুড়েছে,
নাচতে দাও।
শিশু, পাখি, ফুলের কুঁড়ি-সবাইকে আজ
বাঁচতে দাও।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?