মিস নদী তার প্রাপক মিস কাকলীকে ২৫ লক্ষ টাকার একটি চেক দিলেন। চেকটি তৈরি করার সময় তিনি চেকের ওপর বামপাশে দুটি সমান্তরাল দাগ টেনে নিলেন, যাতে এর নিরাপত্তা বাড়ে। কেননা ব্যাংকগুলো তার গ্রাহককে সাধারণত বাহক চেক সরবরাহ করে, যা অনেক বেশি অনিরাপদ। তাই চেকের মর্যাদা দান ও অর্থ পরিশোধের ক্ষেত্রে বর্তমানে বাংলাদেশের প্রতিটি বাণিজ্যিক ব্যাংক অনেক বেশি সচেতন থাকে এবং প্রতিনিয়ত তারা চেকের নিরাপত্তা বিধানে কাজ করছে।
উদ্দীপকে মিস নদী যে চেকটি তৈরি করলেন তার বৈশিষ্ট্য আলোচনা করো।
(প্রয়োগ)
উদ্দীপকে মিস নদী যে চেকটি তৈরি করলেন তার বৈশিষ্ট্য আলোচনা করো।
(প্রয়োগ)
Earn by adding a description for the above question! 🏆✨
Provide correct answer/description to Question, help learners, and get rewarded for your contributions! 💡💰'
চেকের অনুমোদন দ্বারা চেকের মালিকানা পরিবর্তন নিশ্চিত হওয়ায় চেক হস্তান্তরে চেকের অনুমোদন গুরুত্বপূর্ণ। বাহক চেক শুধু প্রদানের মাধ্যমে অনুমোদন হলেও হুকুম চেকের উল্টো পিঠে অবশ্যই বৈধ অধিকারী দ্বারা অনুমোদিত হতে হয়। চেকের অনুমোদন অবশ্যই সম্পূর্ণ চেকের জন্য হয়।
উদ্দীপকে জনাব মাসুদ রাসেলকে প্রথমে দাগকাটা চেক প্রদান করেন।
বাহক বা হুকুম চেকের ওপরে বাম কোণে দুটি দাগ টেনে দিলে তাকে দাগকাটা চেক বলা হয়। এ চেকের অর্থ গ্রাহকের হিসাবে জমা দিয়ে উত্তোলন করতে হয়। এ চেক লেনদেনের জন্য সবচেয়ে বেশি নিরাপদ। উদ্দীপকে জনাব মাসুদ তার পাওনাদার জনাব রাসেলকে একটি চেক প্রদান করেন। চেকটি লেনদেনের ক্ষেত্রে নিরাপদ বলে বিবেচতি হয়। দূর্ভাগ্যবশত জনাব রাসেল চেকটি হারিয়ে ফেলেন এবং মাসুদ সাহেবকে অবহিত করেন। জনাব মাসুদ রাসেলকে বিচলিত না হতে বলেন। সাধারণত, দাগকাটা চেক লেনদেনের ক্ষেত্রে সর্বাপেক্ষা নিরাপদ। এ চেক হারিয়ে গেলেও অন্য কেউ ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন করতে পারে না। যার কারণে জনাব মাসুদ রাসেলকে বিচলিত না হওয়ার কথা বলে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের জনাব মাসুদ রাসেলকে প্রথমে দাগকাটা চেক প্রদান করেন।
উদ্দীপকের জনাব মাসুদ কর্তৃক প্রদত্ত প্রথম চেক হলো দাগকাটা চেক এবং দ্বিতীয় চেক হলো হুকুম চেক।
হুকুম চেকে প্রাপকের নামের পরে 'অথবা আদেশানুসারে' কথাটি লেখা থাকে। এ চেকে অবশ্যই প্রাপকের নামের উল্লেখ থাকে। ব্যাংক চেকের প্রাপককে সত্যতা যাচাই করে অর্থ পরিশোধ করে। অন্যদিকে, বাহক বা হুকুম চেকের বাম কোণে দুটি রেখা অঙ্কন করলে তাকে দাগকাটা চেক বলে।
উদ্দীপকে জনাব মাসুদ একজন ঠিকাদার। তিনি পাওনাদার জনাব রাসেলকে এক লক্ষ টাকার একটি দাগকাটা চেক প্রদান করেন। জনাব রাসেল চেকটি দূর্ভাগ্যবশত হারিয়ে ফেলেন। বিষয়টি জনাব মাসুদকে জানালে তিনি বিচলিত না হওয়ার পরামর্শ দেন। জনাব মাসুদ পরবর্তীতে জনাব রাসেলের নামের শেষে 'আদেশ অনুসারে' কথাটি লিখে নতুন একটি চেক ইস্যু করেন। জনাব মাসুদ প্রথমে দাগকাটা চেক প্রদান করেন। এ চেকের অর্থ গ্রাহকের হিসাবে জমা দিয়ে শুধু উত্তোলন করা যায়। ফলে চেকটি হারিয়ে গেলে বা চুরি হলেও অন্য কেউ অর্থ উত্তোলন করতে পারবে না। অন্যদিকে, পরবর্তীতে প্রদত্ত চেকটি হলো হুকুম চেক। এ চেকের অর্থ প্রাপক নিজেই শুধু উত্তোলন করতে পারে। তবে প্রাপকের বৈধ অনুমতিক্রমে অন্য কেউও এ চেকের অর্থ উত্তোলন করতে পারে। তবে দাগকাটা চেকের চেয়ে হুকুম চেক অপেক্ষাকৃত কম নিরাপদ। এভাবেই উদ্দীপকের দাগকাটা চেক ও হুকুম চেক ভিন্ন প্রকৃতির বলে বিবেচিত।
বিনিময় বিল হচ্ছে এমন একটি হস্তান্তরযোগ্য ঋণের দলিল যাতে কোনো ব্যক্তি অপর ব্যক্তিকে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ পরিশোধের শর্তহীন নির্দেশ দেয়।
সাধারণত ধারে পণ্য কেনা-বেচার ক্ষেত্রে এ বিল ব্যবহার করা হয়। বিক্রেতা বিনিময় বিলের মাধ্যমে ক্রেতার কাছ থেকে নির্দিষ্ট মেয়াদ শেষে অর্থ আদায় করে। মেয়াদের আগেই অর্থ সংগ্রহ করতে চাইলে বিলটি ব্যাংকে বাট্টায় ভাঙ্গানো যায়।