বলা হচ্ছে সেই দেশটির কথা যেটি পূর্ব এশিয়ার সূর্যোদয়ের দেশ হিসেবে খ্যাত। দেশটিতে সমাজকর্মের শিক্ষার মান উন্নত হলেও পেশা হিসেবে তা স্বীকৃত হয়নি।
উদ্দীপকে উল্লিখিত দেশটি হলো জাপান।
কনফুসিয়ানিজমের ধারণা থেকে উৎপত্তি হয়ে জাপানে সমাজকর্মের। দর্শনের বিকাশ ঘটে একবিংশ শতাব্দীতে। দেশটির সমাজকর্ম শিক্ষায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ধ্যান-ধারণা ও প্রভাবও লক্ষণীয়। সব মিলিয়ে জাপানে আধুনিক সমাজকর্ম শিক্ষার সূচনা হয় ১৯২০ সালে। তবে সমাজকর্ম শিক্ষায় মাস্টার্স কোর্স চালু হয় ১৯৫০ সালে দোশিসা বিশ্ববিদ্যালয়ে। ১৯৮৭ সাল থেকে জাপান সরকার সমাজকর্মে কোর্স সম্পন্নকারীদের পেশাগত সনদ প্রদান করছে। জাপানে সমাজকর্মের উপর 'Tokyo University of Social Welfare' নামের একটি স্বতন্ত্র বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। প্রতিবছর এ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে হাজার হাজার শিক্ষার্থী সমাজকর্ম বিষয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করছে। এছাড়াও জাপানের আরো অনেক বিশ্ববিদ্যালয় সমাজকর্ম শিক্ষার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। জাপানের সমাজকর্ম পেশার মান বজায় রাখার জন্য ১৯৫৫ সালে 'Japanese Association of Schools of Social Work গঠন করা হয়। উক্ত প্রতিষ্ঠান জাপানের সমাজকর্ম শিক্ষার উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে।
জাপানের সমাজকর্ম শিক্ষা আন্তর্জাতিক মানের। বর্তমানে এ দেশের শিক্ষার্থীদের কাছে সমাজকর্ম একটি জনপ্রিয় বিষয়। দেশটির বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় সমাজকর্মে স্নাতক, স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি ডিগ্রি প্রদান করছে। উদ্দীপকে পূর্ব এশিয়ার সূর্যোদয়ের দেশ তথা জাপানের কথা বলা হয়েছে। উপরিউক্ত আলোচনা শেষে বলা যায় দেশটিতে সমাজকর্ম শিক্ষার মান উন্নত।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?