বরফ (A)পানি (B)বাষ্প (C)
উদ্দীপক মতে,
A, B ও C অবস্থা হলো যথাক্রমে বরফ, পানি এবং বাষ্প। এই অবস্থা তিনটি হলো পানির এটি রূপভেদ। পানি কঠিন অবস্থায় বরফ থাকে। এ অবস্থায় এর তাপমাত্রা ০° C বা হিমাঙ্কের নিচে থাকে। এ বরফকে তাপ দিলে তা গলে তরলে পরিণত হয় অর্থাৎ A অবস্থা থেকে B অবস্থায় পরিণত হয়। আবার প্রাপ্ত তরল তাপের প্রভাবে 100° C তাপমাত্রায় বাষ্পে পরিণত হয়। এক্ষেত্রে B অবস্থা থেকে C অবস্থায় পরিণত হয়। এ বাষ্পকে পুনরায় ঠাণ্ডা করলে প্রথমে তরলে এবং আরও বেশি ঠান্ডা করলে কঠিন বরফে পরিণত হয়। অর্থাৎ, C থেকে B এ এবং B থেকে A-এ রূপান্তরিত হয়। তাই বলা যায় A (বরফ), B (তরল পানি) ও C (বাম্প) একই পদার্থ পানির তিনটি অবস্থা মাত্র।
লোহা, তামা, রবার, কাঠ ইত্যাদি হাজারো রকমের পদার্থ আমাদের প্রাত্যহিক জীবনের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ভিন্ন ভিন্ন পদার্থের বৈশিষ্ট্য ভিন্ন ভিন্ন বলেই এদের একেকটি একেক কাজে ব্যবহৃত হয়।

এই অধ্যায় শেষে আমরা
• পদার্থের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্যের বর্ণনা করতে পারব।
• বিভিন্ন বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে পদার্থের শ্রেণিবিন্যাস করতে পারব।
• তাপ ও বিদ্যুৎ পরিবাহিতা ব্যাখ্যা করতে পারব।
• ধাতু এবং অধাতুর কল্যাণকর দিক উপলব্ধি করব এবং এদের ব্যবহার ও সংরক্ষণে যত্নশীল হব।
• পরীক্ষণের সাহায্যে ধাতু এবং অধাতুর তাপ ও বিদ্যুৎ পরিবাহিতা নির্ণয় করতে পারব।
• গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক ব্যাখ্যা করতে পারব।
• পরীক্ষণের সাহায্যে পদার্থের গলনাঙ্ক এবং স্ফুটনাঙ্ক নির্ণয় করতে পারব।
• থামা ঘড়ি ও থার্মোমিটার সুনিপুণভাবে ব্যবহারে সক্ষম হব।
• শীতলীকরণ ব্যাখ্যা করতে পারব।
• আঘাতে ধাতু এবং অধাতুর পরিবর্তন ব্যাখ্যা করতে পারব।
• পরীক্ষণ কার্যক্রম চলাকালে পর্যাপ্ত নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণে উদ্যোগী হব এবং অন্যদের সচেতন করব।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?