ওমর ফারুক এ্যালিকো ইন্স্যুরেন্স-এ ১৮ বছর মেয়াদি একটি জীবন বিমা গ্রহণ করেন। প্রতি ৬ মাস অন্তর তিনি কিস্তি দিতে থাকেন। বিমাচুক্তি অনুযায়ী তিনি ছয়টি রোগের জন্য চিকিৎসা ব্যয় পাওয়ার দাবিদার। ২. বছর অতিবাহিত হওয়ার পর বিমা প্রতিষ্ঠান হৃদরোগের ব্যয়ভার বহনের জন্য প্রতি কিস্তিতে ৯০০ টাকা করে অতিরিক্ত দিতে বলে।
উদ্দীপকের আলোকে ওমর ফারুকের জন্য কোন ধরনের বিমা সহায়ক? কেন?
(প্রয়োগ)
উদ্দীপকের আলোকে ওমর ফারুকের জন্য কোন ধরনের বিমা সহায়ক? কেন?
(প্রয়োগ)
Earn by adding a description for the above question! 🏆✨
Provide correct answer/description to Question, help learners, and get rewarded for your contributions! 💡💰'
যে নীতি অনুযায়ী বিমাচুক্তিতে উল্লিখিত প্রত্যক্ষ কারণে ক্ষতি হলে বিমা দাবি পরিশোধ করা হয় তাই হলো প্রত্যক্ষ কারণের নীতি।
একাধিক কারণে বিমার বিষয়বস্তুর ক্ষতি হতে পারে। তাই ক্ষতি হলে চুক্তিতে উল্লিখিত কোন কারণের প্রত্যক্ষ প্রভাবে ক্ষতি হয়েছে কিনা বিমা কোম্পানি তা যাচাই করে। পরোক্ষ কোনো কারণে ক্ষতি হলে এ নীতি অনুযায়ী বিমা কোম্পানি ক্ষতিপূরণে বাধ্য থাকেনা।
মানুষ তার সম্পদের ক্ষতি নিয়ে সর্বদা উদ্বিগ্ন। দুর্ঘটনার কারণে বিমাগ্রহীতা বা তার সম্পত্তির কোনো ক্ষতি হলে বিমাকারী ক্ষতিপূরণ করবে এ শর্তে দুর্ঘটনা বিমা করা হয়। বিমাকারী ও তার সম্পত্তি উভয়ই বিমার অন্তর্ভুক্ত।
উদ্দীপকে জনাব রেজা তার ব্যক্তিগত গাড়ির জন্য পনের লক্ষ টাকার একটি বিমা করেন। দুর্ঘটনায় গাড়িটি হঠাৎ সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বিমা কোম্পানির কাছে তিনি বিমা দাবি উপস্থাপন করার পর সম্পূর্ণ ক্ষতিপূরণ পান। ব্যক্তিগত গাড়ি বা সম্পত্তির জন্য এরূপ বিমার সাথে দুর্ঘটনা বিমার বৈশিষ্ট্য মিলে যায়। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের জনাব রেজা দুর্ঘটনা বিমা করেছিলেন।
স্থলাভিষিক্ততার নীতি অনুযায়ী বিমা কোম্পানি কর্তৃক জনাব রেজার সর্বশেষ দাবি প্রত্যাখ্যাত করা যৌক্তিক হয়েছে।
দুর্ঘটনা বিমার ক্ষেত্রে সম্পদের সম্পূর্ণ ক্ষতি হলে এবং বিমাকারী পূর্ণ বিমা দাবি পরিশোধ করলে উক্ত সম্পত্তির অবশিষ্ট অংশের মালিকানা বিমাকারী পায়। বিমাগ্রহীতার কাছ থেকে সম্পত্তির অধিকারটি বিমাকারীর কাছে চলে যাওয়া সংক্রান্ত নীতিকে স্থলাভিষিক্ততার নীতি বলা হয়।
উদ্দীপকে জনাব রেজা আর ব্যক্তিগত গাড়ির জন্য পনের লক্ষ টাকার একটি বিমা করেন। দুর্ঘটনায় গাড়িটি হঠাৎ সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বিমা কোম্পানির নিকট তিনি বিমা দাবি উপস্থাপন করার পর সম্পূর্ণ ক্ষতিপূরণ পান। অতঃপর বিমা কোম্পানি ক্ষতিগ্রস্ত গাড়িটি দুই লক্ষ টাকায় বিক্রি করে দেয়। জনাব রেজা বিমা কোম্পানির নিকট গাড়ি বিক্রির টাকা দাবি করলে বিমা কোম্পানি তা প্রদান করতে অস্বীকৃতি জানায়।
স্থলাভিষিক্ততার নীতি অনুযায়ী জনাব রেজার বিমা দাবি পরিশোধ করার সাথে সাথে ক্ষতিগ্রস্ত গাড়িটির সব অধিকার বিমা প্রতিষ্ঠানের হয়ে গেছে। সুতরাং গাড়িটির বিক্রয়লব্ধ অর্থের মালিকও বিমা প্রতিষ্ঠান। স্থলাভিষিক্ততার নীতি অনুযায়ী জনাব রেজা সর্বশেষ দাবিটি করতে পারেন না। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের বিমা কোম্পানির সিদ্ধান্ত যৌক্তিক।
কৃষকের ফসলের ক্ষতি হলে ক্ষতিপূরণ পাওয়ার লক্ষ্যে শস্য বিমা করা হয়।
প্রাকৃতিক ও অপ্রাকৃতিক বিভিন্ন কারণে শস্যের ক্ষতি হতে পারে। শস্য বিমা কৃষকদের এরূপ অনিশ্চিত ক্ষতি থেকে রক্ষা করে। অর্থাৎ শস্য বিনষ্টের প্রাকৃতিক ও অপ্রাকৃতিক ঝুঁকিসমূহ মোকাবিলার জন্য এ বিমা করা হয়।