Academy

শিমুল সিলেট থেকে রংপুরে দাদুর বাড়িতে বেড়াতে যায়। সে দেখে গতবারে যেসব জমিতে তামাক আবাদ হয়েছিল, সেখানকার অনেক জমিতে এবার ধান ও ভুট্টা আবাদ হয়েছে। বিষয়টি তাকে খুব আনন্দ দেয়।

উদ্দীপকের আলোকে শস্য বহুমুখীকরণের প্রভাব আলোচনা কর (প্রয়োগ)

Created: 2 months ago | Updated: 2 months ago
Updated: 2 months ago
Ans :

উদ্দীপকের আলোকে শস্য বহুমুখীকরণের প্রভাব নিচে আলোচনা করা হলো-

⇒ উৎপাদন বৃদ্ধি: কৃষিতে শস্য বহুমুখীকরণের ফলে উৎপাদন বৃদ্ধি পায়। অধিক জনবহুল দেশের ব্যাপক খাদ্যচাহিদা পূরণে শস্য বহুমুখীকরণ অত্যন্ত সহায়ক।
⇒পুষ্টিকর খাদ্যের নিশ্চয়তা: শস্য বহুমুখীকরণের মাধ্যমে পুষ্টিসমৃদ্ধ খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং সুষম খাদ্যের সংস্থান হবে।
⇒আয় বৃদ্ধি: শস্য বহুমুখীকরণ কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে গ্রামীণ দরিদ্র জনগোষ্ঠী তথা কৃষকের আয় বৃদ্ধি পাবে।
⇒ মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি: শস্য বহুমুখীকরণের মাধ্যমে মাটির গুণাগুণ ও উর্বরতাশক্তি বৃদ্ধি পায়। এর ফলে উৎপাদনও
বৃদ্ধি পায়। ⇒ কর্মসংস্থান: একাধিক ফসল ফলানোর কারণে অধিক
উৎপাদনের ফলে কৃষককে এখন আর বেকার থাকতে হয় না। তারা এখন সারা বছরই ব্যস্ত সময় কাটায়। বরং তারা এখন ফসল ফলানোর জন্য লোক নিয়োগ করে। ফলে কিছু লোকের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়।
⇒ দক্ষতা বৃদ্ধি: শস্য বহুমুখীকরণের ফলে শ্রমিকরা দক্ষতা অর্জন করে। বিভিন্ন ফসলের উৎপাদন করতে গিয়ে তারা এরূপ দক্ষতা অর্জন করে।

অতএব বলা যায়, শস্য বহুমুখীকরণ যেকোনো দেশের জন্যই লাভজনক।

2 months ago

বাংলাদেশের কৃষি

**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View More

1 সেচ কী? (জ্ঞানমূলক)

Created: 2 months ago | Updated: 2 months ago
Updated: 2 months ago

সেচ হলো কৃত্রিমভাবে কৃষিজমিতে পানি দেওয়ার ব্যবস্থা।

বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ। এ দেশের মোট শ্রমশক্তির ৪৫.১% কৃষি খাতে নিয়োজিত। কিন্তু এ দেশের অধিকাংশ কৃষক ভূমিহীন ও দরিদ্র। ফলে কৃষিকাজের সরঞ্জাম ক্রয়ের জন্য ঋণ গ্রহণ করতে হয়। তাই কৃষকরা বিভিন্ন উৎস থেকে কৃষিঋণ গ্রহণ করে।

উদ্দীপকের ঘটনা অনুসারে আব্দুল করিম কৃষিপণ্যের বিপণন বা বাজারজাতকরণের সাথে জড়িত। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো-উৎপাদিত ফসল ভোক্তার নিকট তথা ক্রেতার নিকট পৌঁছে দেওয়ার যাবতীয় কার্যক্রম বা প্রক্রিয়াকে কৃষিপণ্যের বিপণন বা বাজারজাতকরণ বলে। এ ধরনের পেশার লোকদের দালাল বা ফড়িয়া বলে। বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে ক্রেতা বা ভোক্তার চাহিদামতো কৃষিপণ্য উৎপাদন করা বাজারজাতকরণের প্রথম ধাপ। বিপুল কৃষিপণ্য একসাথে বিক্রি করা যায় না। ফলে কৃষিপণ্য গুদামজাত ও সংরক্ষণ করতে হয়। বিক্রির উদ্দেশ্যে কৃষিপণ্য এক স্থান থেকে অন্য স্থানে পৌছানোর জন্য পরিবহনের প্রয়োজন হয়। ক্ষেত থেকে ফসল ক্রয় করা, গুদামজাতকরণ, পরিবহন ইত্যাদির জন্য বিপণনের কাজে ব্যবসায়ী/কৃষকের অর্থের যোগান থাকতে হয়। অতঃপর উক্ত কৃষিপণ্যসমূহ বাজারে বিক্রয় করতে হয়। আব্দুল করিমও ফসলের মৌসুমে কৃষকদের অগ্রিম টাকা দিয়ে রাখেন তাদের ফসল কেনার জন্য। কৃষকদের থেকে সংগৃহীত ফসল তিনি শহরের বাজারে সরবরাহ করেন। এই মধ্যপন্থী কার্যক্রম, অর্থাৎ বাজারজাতকরণের মাধ্যমে আয় করে তার সংসার চালান।

হ্যাঁ, আমি মনে করি, বাজারজাতকরণ বা বিপণন পেশা আমাদের দেশে প্রয়োজনীয়। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো-
বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ হলেও এ দেশের অধিকাংশ কৃষক অশিক্ষিত। তারা অনেক পরিশ্রম করে শস্য ফলায়। তাদের উৎপাদিত ফসল বাজারে বিক্রি করলে ভালো দাম পায় না। তাই তারা দালাল বা ফড়িয়াদের কাছে সাধারণ দামের চেয়ে একটু বেশি দামে তাদের উৎপাদিত ফসল বিক্রির চেষ্টা করে। দালাল বা ফড়িয়ারা ওই ফসল শহরে আরও বেশি দামে বিক্রি করে। এতে তারা নিজেরাও লাভবান হয়, আবার কৃষকরাও সাধারণের থেকে একটু বেশি লাভবান হয়। এই দালাল বা ফড়িয়াদের মাধ্যমে বাংলাদেশের গ্রাম থেকে গঞ্জে এবং গঞ্জ থেকে শহরে বিভিন্ন ধরনের কৃষিপণ্য ভোক্তার কাছে আসে। বাংলাদেশের বিভিন্ন পণ্য বিদেশে রপ্তানি করার কাজেও এ ধরনের দালাল বা ফড়িয়াদের অবদান রয়েছে। আমাদের দেশে এই ধরনের দালাল ও ফড়িয়ারা আছে বলেই কৃষকরা তাদের উৎপাদিত পণ্য সঠিক সময়ে বিক্রি করতে পারছে। তবে বর্তমানে কিছু ভুয়া দালাল ও ফড়িয়া কৃষকদের ঠকিয়ে তাদের কষ্টে উৎপাদিত পণ্য আত্মসাৎ করছে। যার ফলে সরকার ওই দালাল ও ফড়িয়াদের দূর করতে নিজেরাই কৃষকদের কাছ থেকে ধান/চাল কিনছে। কিন্তু এ দেশে কৃষিপণ্য বাজারজাতকরণে দালাল ও ফড়িয়ার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। তাই আমি মনে করি, আমাদের দেশে এ ধরনের পেশা প্রয়োজন।

5 কৃষি খামার কী? (জ্ঞানমূলক)

Created: 2 months ago | Updated: 2 months ago
Updated: 2 months ago

একজন কৃষক ফসল ফলানোর জন্য যে জমি ব্যবহার করে থাকে তা-ই কৃষি খামার।

কৃষি খামারে একটি মাত্র ফসলের পরিবর্তে একাধিক ফসল উৎপাদন করাকে বলা হয় শস্য বহুমুখীকরণ। এ ক্ষেত্রে একই জমিতে বছরের নানা সময়ে বিভিন্ন ফসল উৎপাদন করা হয়। ১৯৯০-এর দশকে বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা খরচ কমানোর উদ্দেশ্যে বাংলাদেশের সরকার শস্য বহুমুখীকরণ কর্মসূচি গ্রহণ করে

Promotion
NEW SATT AI এখন আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

Are you sure to start over?

Loading...