শিমুল সিলেট থেকে রংপুরে দাদুর বাড়িতে বেড়াতে যায়। সে দেখে গতবারে যেসব জমিতে তামাক আবাদ হয়েছিল, সেখানকার অনেক জমিতে এবার ধান ও ভুট্টা আবাদ হয়েছে। বিষয়টি তাকে খুব আনন্দ দেয়।
উদ্দীপকের আলোকে শস্য বহুমুখীকরণের প্রভাব নিচে আলোচনা করা হলো-
⇒ উৎপাদন বৃদ্ধি: কৃষিতে শস্য বহুমুখীকরণের ফলে উৎপাদন বৃদ্ধি পায়। অধিক জনবহুল দেশের ব্যাপক খাদ্যচাহিদা পূরণে শস্য বহুমুখীকরণ অত্যন্ত সহায়ক।
⇒পুষ্টিকর খাদ্যের নিশ্চয়তা: শস্য বহুমুখীকরণের মাধ্যমে পুষ্টিসমৃদ্ধ খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং সুষম খাদ্যের সংস্থান হবে।
⇒আয় বৃদ্ধি: শস্য বহুমুখীকরণ কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে গ্রামীণ দরিদ্র জনগোষ্ঠী তথা কৃষকের আয় বৃদ্ধি পাবে।
⇒ মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি: শস্য বহুমুখীকরণের মাধ্যমে মাটির গুণাগুণ ও উর্বরতাশক্তি বৃদ্ধি পায়। এর ফলে উৎপাদনও
বৃদ্ধি পায়। ⇒ কর্মসংস্থান: একাধিক ফসল ফলানোর কারণে অধিক
উৎপাদনের ফলে কৃষককে এখন আর বেকার থাকতে হয় না। তারা এখন সারা বছরই ব্যস্ত সময় কাটায়। বরং তারা এখন ফসল ফলানোর জন্য লোক নিয়োগ করে। ফলে কিছু লোকের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়।
⇒ দক্ষতা বৃদ্ধি: শস্য বহুমুখীকরণের ফলে শ্রমিকরা দক্ষতা অর্জন করে। বিভিন্ন ফসলের উৎপাদন করতে গিয়ে তারা এরূপ দক্ষতা অর্জন করে।
অতএব বলা যায়, শস্য বহুমুখীকরণ যেকোনো দেশের জন্যই লাভজনক।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?