প্রখ্যাত এক ঐতিহাসিক উমাইয়া এক শাসক সম্পর্কে বলেছেন X কেবল নতুন এক সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠিাতাই ছিলেন না, বরং ওমরের পর খিলাফতের দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাতাও ছিলেন। তিনি আরো বলেছেন X রাজতন্ত্রের প্রবর্তন করে ইসলামের গণতান্ত্রিক আদর্শের মূলে কুঠারঘাত করেন।
উদ্দীপকের ঐতিহাসিক আমার পাঠ্যবইয়ের উমাইয়া শাসক মুয়াবিয়ার কথা বলেছেন।
ইসলামি দর্শন গণতান্ত্রিক আদর্শের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। মহানবি (স) ছিলেন গণতন্ত্রের মূর্ত প্রতীক। ৬২৫ খ্রিষ্টাব্দে উদ্বুদ যুদ্ধে অধিকাংশের মত মেনে তিনি মদিনার বাইরে গিয়ে যুদ্ধ করেন। খুলাফায়ে রাশেদিনগণও ছিলেন গণতন্ত্রের ধারক। উদ্দীপকের ঐতিহাসিকের বর্ণনাকৃত শাসক খিলাফতের দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাতা এবং রাজতন্ত্রের প্রবর্তক, যা মুয়াবিয়াকেই নির্দেশ করে। কেননা, মুয়াবিয়া ইসলামি গণতান্ত্রিক ধারায় প্রথম ব্যতিক্রম করেন। তিনি ইসলামি মূল্যবোধ ও দর্শন উপেক্ষা করে নিজের সন্তানকে পরবর্তী উত্তরাধিকারী মনোনীত করেন। এ জন্য ইসলাম নির্ধারিত যোগ্যতা বা নির্বাচন পদ্ধতি অনুসরণ করা হয় নি। ফলে যোগ্য শাসকের পরিবর্তে অযোগ্য শাসক, সকলের অধিকারের পরিবর্তে রাজবংশের স্বার্থরক্ষা এবং ইসলামি আইনের পরিবর্তে শাসকের ইচ্ছাই প্রধান হয়ে দেখা দিয়েছে। এভাবে মুয়াবিয়া রাজতন্ত্র প্রবর্তনের মাধ্যমে ইসলামি গণতান্ত্রিক আদর্শের মূলে কুঠারাঘাত করেন, যার ফলে পরবর্তীকালে আর কখনই ইসলামি গণতান্ত্রিক ধারার শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
সুতরাং বলা যায়, ঐতিহাসিক বর্ণিত শাসকের কর্মকাণ্ডে মুয়াবিয়ার কর্মকাণ্ডের প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?