আমার বাড়ি ডালিম গাছে
ডালিম ফুলের হাসি,
কাজলা দিঘির কাজল জলে
হাঁসগুলি যায় ভাসি।
আমার বাড়ি যাইও ভোমর
এই বরাবর পথ,
মৌরি ফুলের গন্ধ শুঁকে
থামিও তব রথ।
উদ্দীপকের ছড়াংশের সঙ্গে 'চিঠি বিলি' ছড়ার মিল ও অমিল দুটোই লক্ষ করা যায়।
আমাদের চারপাশের পরিবেশের সঙ্গে আমরা মানিয়ে চলি। বাস্তব জীবনে এগুলো আমাদের নানাভাবে প্রভাবিত করে। আমাদের মনে আনন্দ অনুভূতি জাগায় পরিবেশের বিভিন্ন উপাদান। কবিরা এসব নিয়ে কবিতা ও ছড়া লেখেন।
উদ্দীপকের ছড়াংশে কাজলা দিঘির কাজল জলে হাঁসগুলোর ভেসে বেড়ানোর সঙ্গে 'চিঠি বিলি' ছড়ার নদীতে নৌকা, মাছ, ব্যাঙ প্রভৃতির ভেসে বেড়ানোর মিল রয়েছে। আবার উদ্দীপকে কবির বাড়ির ডালিম গাছে ডালিম ফুল ফুটে থাকা, মৌরি ফুলের গন্ধে শুঁকে রথ থামিয়ে দেওয়া ইত্যাদির সঙ্গে 'চিঠি বিলি' ছড়ার অমিল দেখা যায়। কারণ 'চিঠি বিলি' ছড়ায় কবি জলজ প্রাণীদের কথাই বলেছেন। বাড়ি থেকে ব্যাঙের বের হওয়ার যে কথা বলা হয়েছে সেই বাড়ি স্থলে নয়, বাস্তবে তা জলের মধ্যেই অবস্থিত। কবি মূলত জলজ প্রাণীদের মধ্যকার যোগাযোগকেই নির্দেশ করেছেন।
ছাতা মাথায় ব্যাঙ চলেছে
চিঠি বিলি করতে
টাপুস টুপুস ঝরছে দেয়া
ছুটছে খেয়া ধরতে।
খেয়ানায়ের মাঝি হলো
চিংড়ি মাছের বাচ্চা,
দু চোখ বুজে হাল ধরে সে
জবর মাঝি সাচ্চা।
তার চিঠিও এসেছে আজ
লিখছে বিলের খলসে,
সাঁঝের বেলার রোদে নাকি
চোখ গেছে তার ঝলসে।
নদীর ওপার গিয়ে ব্যাঙা
শুধায় সবায়: ভাইরে,
ভেটকি মাছের নাতনি নাকি
গেছে দেশের বাইরে?
তার যে চিঠি এসেছে আজ
লিখছে বিলের কাতলা:
এবার সারা দেশটি জুড়ে
নামবে দারুণ বাদলা।
তাই তো নিলাম ছাতা কিনে
আসুক এবার বর্ষা,
চিংড়ি মাঝির খেয়া না আর
ছাতাই আমার ভরসা।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?