জনাব কদম আলী জীবনমান উন্নয়নের জন্য বিদেশে যাবার নিয়তে জমি বিক্রি করে এজেন্সিকে টাকা দিয়েছিলেন। কিন্তু প্রতারক চক্রে পড়ে তিনি নিঃস্ব হয়ে পড়েন। পরবর্তীতে তিনি আত্মসচেতন হয়ে কিছু প্রশ্ন সামনে রেখে কাজে নেমে পড়েন অর্থাৎ কোন কাজ কেন, কার দ্বারা, কখন, কোথায়, কীভাবে করতে হবে তার একটি ছক তৈরি করে কাজ করেন। তিনি বিশ্বাস করেন, সুনির্দিষ্ট আর্থ-সামাজিক লক্ষ্য বাস্তবায়নে নীতি ও কৌশল প্রয়োগের সুচিহ্নিত ও সুসমন্বিত প্রচেষ্টা এবং ইতিবাচক বৈশিষ্ট্য থাকা প্রয়োজন। আর এর মধ্যে কোনো কাজের অর্ধেক সম্পন্ন হয় বলে ধরে নেয়া হয়।
হ্যাঁ, উদ্দীপকের শেষোক্ত উক্তি পরিকল্পনার মাধ্যমেই কোনো কাজের অর্ধেক সম্পন্ন হয়- বক্তব্যটির সাথে আমি একমত।
পরিকল্পনা হলো ভবিষ্যৎ কার্যক্রমের পূর্বনির্ধারিত প্রতিচ্ছবি। বাস্তব অবস্থার সাথে সামঞ্জস্য রেখে কতগুলো উদ্দেশ্যকে সামনে নিয়ে পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। এক্ষেত্রে বাস্তবভিত্তিক অভিজ্ঞতা ও তথ্যের আলোকে সুচিন্তিত ও সুশৃঙ্খল কর্মপরিকল্পনা তৈরি করা হয়। ফলে কোনো কাজ কে, কেন, কীভাবে, কখন, কোথায় করবে সে সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকে। উক্ত কাজের ক্ষেত্রে কোনো প্রতিবন্ধকতা থাকলে সেটি সম্পর্কে পূর্বেই প্রস্তুতি নেওয়া হয়। এতে যেকোনো কাজ করা সহজ হয়ে যায়। এজন্য বলা হয়, একটি উত্তম পরিকল্পনা মানেই কোনো কাজের অর্ধেক সম্পন্ন হয়ে যাওয়া। উদ্দীপকে কদম আলী বিদেশ যাওয়ার জন্য এজেন্সিকে টাকা দিয়ে প্রতারিত হন। এরপর তিনি যেকোনো কাজ করার আগে কাজটি কার দ্বারা, কেন, কীভাবে, কোথায়, কখন করবেন সে সম্পর্কে ছক তৈরি করেন যা পাঠ্যবইয়ের পরিকল্পনা বিষয়টিকে নির্দেশ করে। আর উদ্দীপকের শেষাংশে বলা হয়েছে যে এর মাধ্যমেই কোনো কাজের অর্ধেক সম্পন্ন হয় বলে ধরে নেওয়া হয়। উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, উদ্দীপকে নির্দেশিত উত্তম পরিকল্পনার কিছু ইতিবাচক বৈশিষ্ট্য থাকায় উত্তম পরিকল্পনা গ্রহণ করলে যেকোনো কাজের অর্ধেক সম্পন্ন হয়।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?