Academy

জনাব কদম আলী জীবনমান উন্নয়নের জন্য বিদেশে যাবার নিয়তে জমি বিক্রি করে এজেন্সিকে টাকা দিয়েছিলেন। কিন্তু প্রতারক চক্রে পড়ে তিনি নিঃস্ব হয়ে পড়েন। পরবর্তীতে তিনি আত্মসচেতন হয়ে কিছু প্রশ্ন সামনে রেখে কাজে নেমে পড়েন অর্থাৎ কোন কাজ কেন, কার দ্বারা, কখন, কোথায়, কীভাবে করতে হবে তার একটি ছক তৈরি করে কাজ করেন। তিনি বিশ্বাস করেন, সুনির্দিষ্ট আর্থ-সামাজিক লক্ষ্য বাস্তবায়নে নীতি ও কৌশল প্রয়োগের সুচিহ্নিত ও সুসমন্বিত প্রচেষ্টা এবং ইতিবাচক বৈশিষ্ট্য থাকা প্রয়োজন। আর এর মধ্যে কোনো কাজের অর্ধেক সম্পন্ন হয় বলে ধরে নেয়া হয়। 

উদ্দীপকের শেষোক্ত উক্তির সাথে তোমার মতামতের সম্পর্ক আছে কি? যুক্তি দিয়ে বিশ্লেষণ করো। (উচ্চতর দক্ষতা)

Created: 10 months ago | Updated: 7 months ago
Updated: 7 months ago
Ans :

হ্যাঁ, উদ্দীপকের শেষোক্ত উক্তি পরিকল্পনার মাধ্যমেই কোনো কাজের অর্ধেক সম্পন্ন হয়- বক্তব্যটির সাথে আমি একমত।

পরিকল্পনা হলো ভবিষ্যৎ কার্যক্রমের পূর্বনির্ধারিত প্রতিচ্ছবি। বাস্তব অবস্থার সাথে সামঞ্জস্য রেখে কতগুলো উদ্দেশ্যকে সামনে নিয়ে পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। এক্ষেত্রে বাস্তবভিত্তিক অভিজ্ঞতা ও তথ্যের আলোকে সুচিন্তিত ও সুশৃঙ্খল কর্মপরিকল্পনা তৈরি করা হয়। ফলে কোনো কাজ কে, কেন, কীভাবে, কখন, কোথায় করবে সে সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকে। উক্ত কাজের ক্ষেত্রে কোনো প্রতিবন্ধকতা থাকলে সেটি সম্পর্কে পূর্বেই প্রস্তুতি নেওয়া হয়। এতে যেকোনো কাজ করা সহজ হয়ে যায়। এজন্য বলা হয়, একটি উত্তম পরিকল্পনা মানেই কোনো কাজের অর্ধেক সম্পন্ন হয়ে যাওয়া। উদ্দীপকে কদম আলী বিদেশ যাওয়ার জন্য এজেন্সিকে টাকা দিয়ে প্রতারিত হন। এরপর তিনি যেকোনো কাজ করার আগে কাজটি কার দ্বারা, কেন, কীভাবে, কোথায়, কখন করবেন সে সম্পর্কে ছক তৈরি করেন যা পাঠ্যবইয়ের পরিকল্পনা বিষয়টিকে নির্দেশ করে। আর উদ্দীপকের শেষাংশে বলা হয়েছে যে এর মাধ্যমেই কোনো কাজের অর্ধেক সম্পন্ন হয় বলে ধরে নেওয়া হয়। উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, উদ্দীপকে নির্দেশিত উত্তম পরিকল্পনার কিছু ইতিবাচক বৈশিষ্ট্য থাকায় উত্তম পরিকল্পনা গ্রহণ করলে যেকোনো কাজের অর্ধেক সম্পন্ন হয়।

10 months ago

সামাজিক নীতি ও পরিকল্পনা এবং সমাজকর্ম

**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View More

2 জনসংখ্যা নীতি বলতে কী বোঝায়? (অনুধাবন)

Created: 10 months ago | Updated: 7 months ago
Updated: 7 months ago

জনসংখ্যা সংক্রান্ত বিভিন্ন পরিবর্তন ও নিয়ন্ত্রণ সম্পর্কিত সরকারি নীতিই জনসংখ্যা নীতি।

যে কোনো দেশের সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো সে দেশের জনসংখ্যা। অর্থাৎ দেশের সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সম্পদের সাথে জনসংখ্যার ভারসাম্য রক্ষা, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা আবশ্যক। সঠিকভাবে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করে শিক্ষিত ও দক্ষ মানব সম্পদ গড়ে তোলার লক্ষ্যে গৃহীত নীতিকেই জনসংখ্যা নতি বলা হয়।

শীলার কর্মকান্ডের সাথে বিখ্যাত সমাজ সংস্কারক বেগম রোকেয়ার মিল রয়েছে।

বেগম রোকেয়া ছিলেন বাংলার নারী জাগরণের অগ্রদূত। তিনি মুসলিম নারীদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন করে তোলার জন্য তাদের সংগঠিত করতে চেষ্টা করেন। তিনি মুসলিম নারীদের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠা, শিক্ষার প্রসার নেতৃত্বের গুণাবলির বিকাশ এবং সামাজিক ও রাজনৈতিক সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে ১৯১৬ সালে 'আঞ্জুমানে খাওয়াতিনে ইসলাম' বা মুসলিম মহিলা সমিতি' নামে একটি সংগঠন গড়ে তোলেন। এ সংগঠনের মাধ্যমে তিনি দরিদ্র বালিকাদের শিক্ষাদান, বিধবা ও আশ্রয়হীন মহিলাদের কর্মসংস্থান সৃষ্টিসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পরিচালনা করতেন। উদ্দীপকের শীলার কর্মকাণ্ডেও এ বিষয়গুলো পরিলক্ষিত হয়।

শীলা উচ্চ শিক্ষা শেষ করে গ্রামে ফিরে যান। তিনি তার এলাকার অধিকার বঞ্চিত নারীদের সংগঠিত, শিক্ষাদান করে তাদের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ এবং অধিকার নিশ্চিত করতে একটি মহিলা সমিতি ও নারী শিক্ষাকেন্দ্র চালু করেছেন। তার এই কর্মকাণ্ড উপরে বর্ণিত বেগম রোকেয়ার কর্মকাণ্ডের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের শীলার কাজের সাথে বেগম রোকেয়ার কর্মকাণ্ডের মিল রয়েছে।

রূপপুর গ্রামের চেয়ারম্যান নারীদের উন্নয়নে সরকারের জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি-২০১১ বাস্তবায়নের পদক্ষেপ নিয়েছেন যার কিছু সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য রয়েছে।

নারীর সার্বিক উন্নয়ন ও ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করার জন্য বাংলাদেশ সরকার জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি-২০১১ প্রণয়ন করেছে। জাতীয় জীবনের সব ক্ষেত্রে নারী-পুরুষের সমতা প্রতিষ্ঠা, নারীর মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা, তাদের শিক্ষিত ও দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলা, দারিদ্র্যের অভিশাপ থেকে রক্ষা, সুস্বাস্থ্য ও পুষ্টি নিশ্চিত করা প্রভৃতি জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি ২০১১ এর প্রধান উদ্দেশ্য। এর পাশাপাশি রাষ্ট্রীয়, সামাজিক ও পারিবারিক জীবন সব ক্ষেত্রে নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে তাদের অবদানের যথাযথ স্বীকৃতি প্রদান, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও অন্যান্য কারণে ক্ষতিগ্রস্ত নারীদের পুনর্বাসন, অভিভাবকহীন, বিধবা, অসহায় নারীদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা প্রভৃতির উদ্দেশ্যও এ নীতির লক্ষ হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে।

উদ্দীপকের রূপপুর গ্রামের নারীরা পুরুষের সমান পরিশ্রম করেও তাদের সমান মজুরি পায় না। শিক্ষা ও চিকিৎসার মতো অধিকার থেকেও তারা বঞ্চিত। নারী-পুরুষের এই বৈষম্য দূরীকরণ ও তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে সরকার জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি-২০১১ প্রণয়ন করেছে। আর রূপপুর গ্রামের চেয়ারম্যান তার গ্রামের নারীদের উন্নয়নের জন্য এ নীতি বাস্তবায়নের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন।

উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, রূপপুর গ্রামের চেয়ারম্যান তার গ্রামের নারীদের উন্নয়নে সরকার প্রণীত জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি-২০১১ বাস্তবায়নে কাজ করছেন। আর এ নীতির মূল উদ্দেশ্য হলো নারীর সার্বিক উন্নয়ন ও ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা

সমাজের অবহেলিত ও পশ্চাৎপদ শ্রেণির স্বার্থ সংরক্ষণে সমাজকর্মীর গুরুত্ব অপরিসীম।

সমাজকর্ম পেশায় নিয়োজিত সমাজকর্মীরা সমাজের অবহেলিত ও পশ্চাৎপদ শ্রেণির স্বার্থ সংরক্ষণ এবং তাদের সেবায় বিশেষভাবে নিয়োজিত থাকে। অবহেলিত বঞ্চিত ও শোষিত শ্রেণির অধিকার রক্ষা এবং সর্বোপরি সমাজে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা ও সংরক্ষণে পেশাদার সমাজকর্মীর ভূমিকা বিশেষ গুরুত্ববহ। বিশেষ করে নারীদের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও পুনরুদ্ধারে সমাজকর্মীরা বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করছে।

Promotion
NEW SATT AI এখন আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

Are you sure to start over?

Loading...