Academy

বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহ ঋণদান কার্যক্রম বৃদ্ধি করায় দেশের দ্রব্যমূল্য ক্রমাগত বৃদ্ধি পায়। ফলে সরকার বাংলাদেশ ব্যাংককে মুদ্রাস্ফীতি রোধে বিশেষ ভূমিকা পালন করার নির্দেশ দেয়। এ প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ব্যাংক বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর নগদ জমার হার ৪% থেকে ৬% এ উপনীত করে। এতে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর ঋণদান সামর্থ্য কমলেও তা আশানুরূপ না হওয়ায় বাংলাদেশ ব্যাংক পরবর্তীতে বাজারে কিছু বন্ড ও সিকিউরিটি বিক্রয় করে। এতে দেশের আর্থিক বাজার স্থিতিশীল হয়। 

ঋণের সুদের হার জীবনযাত্রার মানের ওপর কী প্রভাব ফেলে? ব্যাখ্যা করো। (অনুধাবন)

Created: 10 months ago | Updated: 8 months ago
Updated: 8 months ago
Ans :

ঋণের সুদের হার জীবনযাত্রার মানের ওপর বিপরীত প্রভাব ফেলে।

বাণিজ্যিক ব্যাংক ঋণের সুদের হার কমালে গ্রাহকগণ বেশি পরিমাণ ঋণ নেয়। ফলে বাজারে অর্থের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। অর্থের পরিমাণ বৃদ্ধি গ্রাহকদের ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। গ্রাহকদের জীবনযাত্রার মানও উন্নত হয়। বিপরীতভাবে বাণিজ্যিক ব্যাংকের সুদের হার বাড়লে গ্রাহকদের জীবনযাত্রার মানের অবনতি হয়। তাই বলা যায়, ঋণের সুদের হার জীবনযাত্রার মানের ওপর বিপরীত প্রভাব ফেলে।

10 months ago

কেন্দ্রীয় ব্যাংক

**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View More

তালিকাভুক্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে নগদে ও অংশবিশেষ বন্ড, সিকিউরিটিজ কিনে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা রাখার বিধানকে বিধিবদ্ধ তারল্য অনুপাত হার বা Statutory Liquidity Ratio (SLR) বলে। বর্তমানে SLR-এর হার ১৩%।

কেন্দ্রীয় ব্যাংককে ঋণের শেষ আশ্রয়স্থল বলা হয়।
তালিকাভুক্ত ব্যাংকসমূহ যেকোনো কারণেই তারল্য সংকটে 'বা আর্থিক সংকটে পড়তে পারে। এ সময় ব্যাংকগুলো অন্য কোনো উৎস থেকে অর্থ সংগ্রহে ব্যর্থ হলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ঋণ সরবরাহে এগিয়ে আসে। এক্ষেত্রে এই ব্যাংক ঋণদানের শেষ আশ্রয়স্থল হিসেবে কাজ করে। এছাড়াও ব্যাংক বাণিজ্যিক হুন্ডি, প্রতিজ্ঞাপত্র ইত্যাদি পুনঃবাট্টা করে ঋণ দেয়।

উদ্দীপকে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিকাশঘর নামক বিশেষ কক্ষের কথা উল্লেখ রয়েছে।

বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহের মধ্যকার আন্তঃব্যাংকিং দেনা-পাওনা নিষ্পত্তির স্থান হলো নিকাশঘর। এটি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়। সদস্য ব্যাংকগুলো প্রতি কার্যদিবসে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এ সেবার মাধ্যমে তাদের দেনা-পাওনা নিষ্পত্তি করে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক মূলত আন্তঃব্যাংকিং নিকাশঘর পরিচালনা করে।

উদ্দীপকে বাংলাদেশ ব্যাংক হলো মুদ্রাবাজারের অভিভাবক। এই ব্যাংকের একটি বিশেষ কক্ষ রয়েছে। উক্ত কক্ষে তালিকাভুক্ত ব্যাংকসমূহের পারস্পরিক দেনা-পাওনা নিষ্পত্তি করা হয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই বিশেষ কক্ষ হলো নিকাশঘর। এখানে সদস্য ব্যাংকগুলো প্রতি কার্য দিবসে তাদের দেনা-পাওনার বিবরণী নিয়ে উপস্থিত হয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংক সবার দেনা ও পাওনা সমন্বয় করে। ফলে খুব সহজেই ব্যাংকগুলো অন্য ব্যাংকের চেক, বিল, ড্রাফট ইত্যাদি নিষ্পত্তি করতে পারে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিকাশঘরের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

উদ্দীপকে বাংলাদেশ ব্যাংক মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যাংক হার 'নীতি ও জমার হার পরিবর্তন নীতি গ্রহণ করেছে।

ব্যাংক ঋণের হার হ্রাস-বৃদ্ধি করে ঋণ নিয়ন্ত্রণ করার কৌশল হলো ব্যাংক হার নীতি। কেন্দ্রীয় ব্যাংক মুদ্রাস্ফীতি প্রতিরোধে ব্যাংক হার বৃদ্ধি করে। আবার, প্রতিটি তালিকাভুক্ত ব্যাংক আমানতের একটি অংশ কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা রাখে। এ হার হ্রাস-বৃদ্ধি করে ঋণ নিয়ন্ত্রণ করাই হলো জমার হার পরিবর্তন নীতি।

উদ্দীপকে বাংলাদেশ ব্যাংক মুদ্রাবাজার নিয়ন্ত্রণ ও আন্তঃব্যাংকিং দেনা-পাওনা নিষ্পত্তি করে। সম্প্রতি দেশে মুদ্রাস্ফীতি দেখা দেয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংকটি তার সুদের হার ৫% থেকে ৬%-এ উন্নীত করে। তবুও মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। তাই বাংলাদেশ ব্যাংক CRR বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেয়। প্রতিটি তালিকাভুক্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক যে হারে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছ থেকে ঋণ গ্রহণ করে তাই ব্যাংক হার। উদ্দীপকে প্রথমত ব্যাংক হার বৃদ্ধি করা হয়। ফলে বাণিজ্যিক ব্যাংক কম ঋণ গ্রহণ করবে এবং বাজারে অর্থের সরবরাহ হ্রাস পাবে। কিন্তু ব্যাংকগুলো যদি আর্থিকভাবে স্বচ্ছল হয় তাহলে এ নীতি তেমন কার্যকর হয় না। আবার প্রতিটি তালিকাভুক্ত বাণিজ্যিক ব্যাংককে আমানতের একটি অংশ বাধ্যতামূলকভাবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা রাখতে হয়। এই হারকে জমার হার বলা হয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ হার বৃদ্ধি করলে ব্যাংকের ঋণদান ক্ষমতা হ্রাস পায়। ফলে বাজারে ঋণ সরবরাহও হ্রাস পায়। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের ব্যাংক হার নীতি ও জমার হার পরিবর্তন নীতির মধ্যে জমার হার পরিবর্তন নীতি অধিক কার্যকর।

5 ব্যাংক হার কী? (জ্ঞানমূলক)

Created: 10 months ago | Updated: 8 months ago
Updated: 8 months ago

বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো যে সুদের হারে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছ থেকে ঋণ নেয় বা প্রথম শ্রেণির বিল বা সিকিউরিটিজ বাট্টা করে, সেই হারকে ব্যাংক হার বলে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক ঋণ নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে খোলাবাজারে বন্ড, সিকিউরিটিজ, বিল, শেয়ার, ডিবেঞ্চার ইত্যাদি কেনা-বেচা করাকে খোলাবাজার নীতি বলে।

বাজারে অর্থের সরবরাহ বেশি হলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক খোলাবাজারে জনগণকে শেয়ার, বন্ড, সিকিউরিটিজ ইত্যাদি কেনার আহ্বান জানায়। আবার অর্থ সরবরাহ কম হলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জনগণের কাছ থেকে শেয়ার, বন্ড, সিকিউরিটিজ ইত্যাদি ক্রয় করে। এতে ঋণের প্রবাহ সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়।

Promotion
NEW SATT AI এখন আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

Are you sure to start over?

Loading...