রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শিমুল সরকার মাঠকর্ম অনুশীলনে একটি এনজিওতে যায়। সেখানে সে অনেক অজানা তথ্য সংগ্রহ করে। পড়াশোনা শেষে শিমুল নিজেই একটি এনজিও গড়ে তোলে যা পরবর্তীতে সফলতা লাভ করে। সে লক্ষ করে তার যেসব বন্ধুরা ছাত্র জীবনে মাঠকর্ম অনুশীলনে মনোযোগী ছিল না তারা কর্মজীবনেও সফল হতে পারেনি।
কর্মজীবনে শিমুলের সফলতার কারণ হলো মাঠকর্মের মাধ্যমে অর্জিত ব্যবহারিক জ্ঞান এবং দক্ষতার প্রয়োগ।
মাঠকর্মের মাধ্যমে শিক্ষার্থী তাত্ত্বিক জ্ঞান ব্যবহারিক ক্ষেত্রে প্রয়োগ করে। মাঠকর্মে সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা কর্মক্ষেত্রে সমাজকর্ম পদ্ধতি প্রয়োগ করে বাস্তব অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা অর্জন করতে পারে এবং তাদের মধ্যে পেশাদারী মনোভাব গড়ে ওঠে। মাঠকর্ম অনুশীলনের জন্য শিক্ষার্থীকে কোনো না কোনো প্রতিষ্ঠানে পাঠানো হয় বলে শিক্ষার্থী প্রতিষ্ঠানের সাংগঠনিক কাঠামো, কর্মসূচি, নীতি প্রণয়ন, প্রশাসনিক কার্যাবলিসহ নানা বিষয়ে ধারণা লাভ করে যা তাকে পরবর্তী কর্মজীবনে সহায়তা করে।
উদ্দীপকে শিক্ষার্থী শিমুল মাঠকর্ম অনুশীলনে একটি ডেইরি ফার্ম পরিদর্শনে গিয়ে অনেক অজানা তথ্য সংগ্রহ করে যা পাঠ্যপুস্তকেকখনো পড়েনি। অর্থাৎ শিমুল ব্যবহারিক জ্ঞান অর্জন করে। পড়ালেখা শেষে শিমুল নিজেই একটি ডেইরি ফার্ম প্রতিষ্ঠা করে সফলতা লাভ করে। সুতরাং বলা যায়, মাঠকর্মের মাধ্যমে অর্জিত ব্যবহারিক জ্ঞানই শিমুলকে কর্মজীবনে সফল করেছে
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?