Academy

দাড়িয়াপুর গ্রামের রহিমা দরিদ্র হলেও শিল্পী মনের অধিকারী। ছোটবেলা থেকেই সে বাঁশ ও বেত দিয়ে সংসারের প্রয়োজনীয় অনেক জিনিস তৈরি করত। কিন্তু আচমকা একদিন তার স্বামী মারা গেলে দুই সন্তান নিয়ে সে পথে বসে। রহিমা উপায়ান্তর না দেখে অবশেষে সুঁই-সুতা হাতে তুলে নেয়। সে তার সুখ-দুঃখের জীবনালেখ্য দীঘল সুতার টানে ভাষা দিতে থাকে। একদিন বেসরকারি একটি সংস্থার মাধ্যমে তার সুচিশিল্পগুলো বিদেশে যায় এবং মোটা অঙ্কের অর্থ প্রাপ্তির পাশাপাশি সে প্রচুর সুনাম অর্জন করে ।

কোন এলাকার ‘মাদুর' সকলের কাছে পরিচিত ?

Created: 3 years ago | Updated: 7 months ago
Updated: 7 months ago

কোন এলাকার ‘মাদুর' সকলের কাছে পরিচিত ?


Earn by adding a description for the above question! 🏆✨ Provide correct answer/description to Question, help learners, and get rewarded for your contributions! 💡💰'

সৃজনশীল প্রশ্ন

**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View More
No answer found.
Answer the Question and earn rewards! 🏆✨ <br> Provide correct answer to Question, help learners, and get rewarded for your contributions! 💡💰'
Ans
No answer found.
Answer the Question and earn rewards! 🏆✨ <br> Provide correct answer to Question, help learners, and get rewarded for your contributions! 💡💰'
Ans

আমাদের লোকশিল্পের অন্যতম দৃষ্টান্ত নকশিকাঁথা। সাধারণত গ্রাম বাংলার মেয়েরা এ কাঁথা সেলাই করে থাকে। বিশেষ করে বর্ষার মৌসুমে যখন সারাদিন বৃষ্টি হয় তখন মেয়েরা বসত এ কাঁথা সেলাই করতে। এক একটি কাঁথা সেলাই করতে প্রায় ছয় মাস লেগে যেত। নকশিকাঁথা সেলাই করার সময়ে মেয়েরা তাদের নিজের জীবনের সুখ-দুঃখের কথা একে অন্যের সঙ্গে বিনিময় করত। আন্তরিকতার ও জীবনঘনিষ্ঠতার কারণেই বলা হয়-কাঁথার সেলাই বা সুচের ফোঁড়ের মধ্যে লুকিয়ে থাকে তাদের জীবনগাঁথা।

Promotion
NEW SATT AI এখন আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

Are you sure to start over?

Loading...