শরতের এক সন্ধ্যায় বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় বর্ণা তার মায়ের সাথে ছাদে যায়। ছাদে গিয়ে বর্ণা আকাশে বিভিন্ন ধরনের জ্যোতিষ্ক লক্ষ করল। উত্তর আকাশে সে একটি জ্যোতিষ্ক দেখতে পেল। পূর্ব আকাশেও সে আরেকটি জ্যোতিষ্ক দেখতে পেল। কিছুক্ষণ পরে রূপালী চাঁদের আলো তার চোখে পড়ল।
ভূ-ত্বক বিভিন্ন পদার্থ দ্বারা গঠিত। এর কিছু অংশ জৈব পদার্থ দিয়ে গড়া। আরও আছে অজৈব পদার্থ। অজৈব অংশের মধ্যে অনেক সময় একাধিক পদার্থ মিশ্রিত অবস্থায় থাকে। কখনও একটি অজৈব' পদার্থ মিশ্রিত অবস্থায় না থেকে আলাদা থাকে। এরূপ অজৈব - পদার্থকে খনিজ পদার্থ বলে। খনিজ পদার্থের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো এদেরকে মানুষ তৈরি করে না, এদেরকে প্রকৃতিতেই পাওয়া যায়।
হাজার হাজার বছর ধরে মানুষ চিন্তা করেছে কীভাবে পৃথিবী ও মহাবিশ্ব সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন সমাজে এ বিষয়ে বিভিন্ন তত্ত্ব ও কাহিনি প্রচলিত রয়েছে। তবে তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে বেশির ভাগ বিজ্ঞানী এখন একটি তত্ত্বকে গ্রহণ করেন। এ তত্ত্বে বলা হয় যে, মহা বিস্ফোরণের মাধ্যমে মহাবিশ্বের সৃষ্টি হয়েছে। এই মহাবিশ্বের একটি গ্রহ পৃথিবী। পৃথিবীর বাইরের দিকটি আমরা দেখতে পাই, কিন্তু পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ গঠন সহজে বোঝা যায় না। পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ গঠন সম্পর্কে ধারণা করা যায় ভূমিকম্প, আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত -এ ধরনের ঘটনা থেকে।
এই অধ্যায় শেষে আমরা
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?