Academy

বহুদিন পরে মনে পড়ে আজি পল্লী মায়ের কোল,

ঝাউশাখে যেথা বনলতা বাঁধি হরষে খেয়েছি দোল

কুলের কাঁটার আঘাত সহিয়া কাঁচা পাকা কুল খেয়ে

অমৃতের স্বাদ যেন লভিয়াছি গাঁয়ের দুলালী মেয়ে।

…………………………………………………………………………………..

নববর্ষার জলে অবগাহি কভু পুলকিত মনে

গান গাহিয়াছি মল্লার রাগে বাদলের ধারা সনে;

শিশির-সিক্ত শেফালী ফুলের ঘন সৌরভে মাতি

শারদ প্রভাতে সখীগণ সাথে আনিয়াছি মালা গাঁথি।

"গিয়াছে সে হাবা মেয়ের এলো মাথার সিঁথির মতো"-কে গিয়েছে? ব্যাখ্যা কর। (অনুধাবন)

Created: 4 months ago | Updated: 4 months ago
Updated: 4 months ago

"গিয়াছে সে হাবা মেয়ের এলো মাথার সিঁথির মতো"-কে গিয়েছে? ব্যাখ্যা কর। (অনুধাবন)


Earn by adding a description for the above question! 🏆✨ Provide correct answer/description to Question, help learners, and get rewarded for your contributions! 💡💰'

যাব আমি তোমার দেশে

📖 বাংলা সাহিত্য – নবম-দশম শ্রেণি | NCTB অনুমোদিত ২০২৫

আপনি কি খুঁজছেন “বাংলা সাহিত্য নবম-দশম শ্রেণি PDF”, Class 9-10 Bangla Literature Question Answer, অথবা NCTB বাংলা সাহিত্য বই অনুশীলনী সমাধান?

তাহলে সঠিক জায়গায় এসেছেন!
SATT Academy–তে আমরা এনেছি বাংলা সাহিত্যের প্রতিটি অধ্যায়ের সহজ ব্যাখ্যা, প্রশ্ন–উত্তর, ভিডিও ব্যাখ্যা ও অনুশীলনী সমাধান, একদম বিনামূল্যে এবং সবার জন্য উন্মুক্ত।


✅ এখানে যা থাকছে:

  • প্রতিটি অধ্যায়ের মূলভাব ও ব্যাখ্যা (সহজ ভাষায়)
  • অনুশীলনীর সব প্রশ্নের সঠিক ও নির্ভুল সমাধান
  • রচনামূলক ও ব্যাখ্যাসহ ব্যাকরণ অংশের কভারেজ
  • ভিডিও লেকচার ও অডিও রিডিং ফাইল – শ্রুতিশিক্ষার জন্য
  • লাইভ কুইজ ও পরীক্ষামূলক প্রশ্ন ব্যাঙ্ক
  • PDF ও ছবি আকারে ডাউনলোড সুবিধা
  • কমিউনিটি যাচাইকৃত ব্যাখ্যা ও ফিডব্যাক ফিচার

📥 সরকারি (NCTB) PDF ডাউনলোড লিংক:

🔗 বাংলা সাহিত্য – নবম-দশম শ্রেণি PDF ডাউনলোড

(ডাউনলোড লিংকে ক্লিক করে NCTB মূল বই অনলাইনে পড়া বা ডাউনলোড করা যাবে)


📚 অধ্যায়ভিত্তিক ফিচার (উদাহরণ):

✍️ ১ম অধ্যায়: "সাহিত্যের রূপ ও রস"

  • সাহিত্য কী? কেন পড়ি? → সহজ ভাষায় ধারণা
  • সাহিত্য রচনার ধারা → ছন্দ, অলংকার, কাব্যরীতি ব্যাখ্যা
  • MCQ, SAQ ও LAQ প্রশ্ন-উত্তর + লাইভ কুইজ

✍️ কবিতা, প্রবন্ধ, নাটক, ছোটগল্প

  • "সাত ভাই চম্পা", "নসু ডাকাত", "নিমগাছ" ইত্যাদি সাহিত্যের সারমর্ম ও মূলভাব
  • কবির পরিচিতি, শিল্পশৈলী, বিশ্লেষণ

👨‍👩‍👧‍👦 উপকারিতা:

  • শিক্ষার্থীদের জন্য: পরীক্ষার প্রস্তুতিতে সময় ও শ্রম বাঁচাবে
  • শিক্ষকদের জন্য: ক্লাসে ব্যাখ্যার জন্য সাজানো ও যাচাইকৃত কনটেন্ট
  • অভিভাবকদের জন্য: সন্তানকে পড়াশোনায় সহায়তা করার সহজ উপায়
  • প্রশিক্ষকদের জন্য: রিভিশনের জন্য রেডিমেড কুইজ ও ব্যাখ্যা

⚙️ কীভাবে ব্যবহার করবেন:

  1. অধ্যায় নির্বাচন করে ব্যাখ্যা ও প্রশ্ন–উত্তর পড়ুন
  2. PDF/ছবি ডাউনলোড করুন – অফলাইনে পড়ার জন্য
  3. লাইভ টেস্ট দিন – প্রস্তুতি যাচাই করুন
  4. ভিডিও দেখে অনুশীলন করুন
  5. নিজের ব্যাখ্যা বা মতামত দিয়ে কমিউনিটিতে অবদান রাখুন

✨ কেন SATT Academy?

  • ✅ ১০০% ফ্রি ও বিজ্ঞাপনমুক্ত লার্নিং প্ল্যাটফর্ম
  • ✅ NCTB অনুযায়ী সাজানো সঠিক ও নির্ভুল কনটেন্ট
  • ✅ লাইভ কুইজ, ভিডিও লেকচার, ইমেজ, PDF
  • ✅ কমিউনিটি যাচাইকৃত ও শিক্ষার্থী-সহায়ক ব্যাখ্যা
  • ✅ মোবাইল-ফ্রেন্ডলি ডিজাইন — যেকোনো সময়, যেকোনো ডিভাইসে

🔍 সার্চ–সহায়ক কীওয়ার্ড:

  • বাংলা সাহিত্য নবম-দশম শ্রেণি
  • Class 9-10 Bangla Literature PDF
  • NCTB Bangla Literature Class 9 10
  • বাংলা সাহিত্য প্রশ্ন উত্তর অনুশীলনী সমাধান
  • Class 9-10 Bangla Sahitya live test
  • Bangla Sahitya NCTB ২০২৫ SATT
  • Bangla Sahitya question bank with answer

🚀 আজই শুরু করুন!

SATT Academy–এর মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যের সৌন্দর্য আবিষ্কার করুন সহজ ভাষায়, অধ্যায়ভিত্তিক ব্যাখ্যা, প্রশ্ন–উত্তর, ভিডিও ও PDF সহ। পড়ুন, বুঝুন, অনুশীলন করুন — সবার আগে সাফল্যের পথে থাকুন।

🌼 SATT Academy – সাহিত্যের আলোয় শিক্ষার সোপান।

Related Question

View More

'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতাটি লিখেছেন কবি জসীমউদ্‌দীন।

'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতায় গ্রাম্য মেয়ে পথে কদমকলি ছড়িয়ে হেঁটে চলে।


'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতায় কবি আদরের পল্লি-দুলালের দেশে অর্থাৎ পল্লিগ্রামে যেতে চেয়েছেন এবং সেই সূত্রে পল্লিগ্রামের চিত্র এঁকেছেন। পল্লিগ্রাম, প্রকৃতি যেন কবিকে ঘিরে রেখেছে। তার বনের শীর্ষে আকাশ, পায়ের কাছে দিক-হারা মাঠ। সেখানে ধান-কাউনের খেতের ভিতর দিয়ে সরু সুতার মতো দীর্ঘ বাঁকা পথ গেছে। সেই পথ নানা মাঠ ও বন পেরিয়ে গাঁয়ের ছায়াময় পথে মিশেছে। সেই পথে গাঁয়ের মেয়ে কদম-কলি ছড়িয়ে হেঁটে চলে।

উদ্দীপকে শহুরে দুই বন্ধুর গ্রাম দেখার যে ব্যাকুলতা প্রকাশ পেয়েছে আমার পাঠ্য পুস্তকের 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতায় এমন অভিব্যক্তি প্রকাশ পেয়েছে।

গ্রাম মানুষের প্রিয়। শহুরে মানুষকে গ্রাম চিরদিন হাতছানি দিয়ে ডাকে। গ্রামের অনাবিল নির্মল প্রকৃতি ও পরিবেশ মানুষের মনে শান্তি আনে। তাই গ্রামে যাওয়ার জন্য শহুরে মানুষ আকুল হয়।

উদ্দীপকে শহরের দুই বন্ধু শফিক ও আশিক গ্রীষ্মের ছুটিতে তাদের গ্রামের বন্ধু শাহেদের বাড়িতে যাওয়ার পরিকল্পনা করে। তারা বইয়ের পাতায় পড়েছে, টেলিভিশনে দেখেছে, কিন্তু কখনো সশরীরে গ্রামে যায়নি। তাদের ভালো লাগা ও যাওয়ার ব্যাকুলতা আরও বেড়ে যায় ছেলেমেয়েদের দুরন্তপনার বর্ণনা শুনে। শহুরে এই দুই বন্ধুর ব্যাকুলতা ধরা পড়ে 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতার মধ্যে। কবি সেই গ্রামে যেতে চান যেখানে ধান-কাউনের খেতের ভেতর দিয়ে সরু সুতোর মতো দীর্ঘ বাঁকা পথ গেছে। সেই পথে কবি গ্রামে যেতে চান, সেখানে দস্যি বা দুরন্ত ছেলেদের সাথে খেলতে চান, ধলদিঘিতে সাঁতার কেটে রক্তকমল আনতে চান। এমন ইচ্ছা ও ব্যাকুলতা উদ্দীপকের শহুরে দুই বন্ধুর মধ্যেও প্রকাশ পেয়েছে।

উদ্দীপকে শাহেদ তার গ্রামের যে নয়নাভিরাম বর্ণনা করেছেন 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতার কবিও তেমনই এক পল্লি বা গ্রামের বর্ণনা দিয়েছেন।

মানুষ সব সময় প্রকৃতি ও গ্রামের সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়। জীবন ও জীবিকার তাগিদে শহরে বসবাস করলেও গ্রামের মনোমুগ্ধকর রূপ সর্বদাই মানুষকে টানে।

'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতায় কবি আদরের পল্লি-দুলালের দেশে অর্থাৎ পল্লিগ্রামে যেতে চেয়েছেন। সেই পল্লিগ্রামটিকে প্রকৃতি যেন ঘিরে রেখেছে। সেখানে বেত-কেয়ার বনে ডাহুক ডাকে, ধান-কাউনের খেতের ভেতর দিয়ে সরু সুতার মতো দীর্ঘ বাঁকা পথ চলে গেছে। কবি সেই পথে গ্রামে গিয়ে দস্যি ছেলেদের সাথে খেলা করবেন, দিঘিতে সাঁতার কেটে রক্তকমল তুলে আনবেন। অজানা ফুলের রূপে মুগ্ধ হবেন। উদ্দীপকেও এমন সৌন্দর্যময় একটি গ্রামের বর্ণনা করেছে শাহেদ।

উদ্দীপকে শাহেদ তার গ্রামের নয়নাভিরাম এক বর্ণনা দিয়েছেন। তার গ্রামের বনবনানী, ফুল, পাখি, দিঘি, শাপলা, মেঠোপথ, ছেলেমেয়েদের দুরন্তপনা ইত্যাদির নয়নাভিরাম বর্ণনা শুনে তার শহুরে দুই বন্ধু গ্রামে আসার জন্য ব্যাকুল হয়। এমনই নয়নাভিরাম গ্রামের বর্ণনা পাওয়া যায় 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতায়।

ধান-কাউনের খেতের ভেতর দিয়ে যে দীর্ঘ সরু সুতার মতো বাঁকা পথ গেছে কবি সেই পথ দিয়ে পল্লি-দুলালের দেশে যাবেন।

'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতায় কবি পল্লিগ্রামে যেতে চেয়েছেন। পলিগ্রাম, প্রকৃতি যেন তাকে ঘিরে রেখেছে। তার বনের শীর্ষে আকাশ, পায়ের কাছে দিক-হারা মাঠ। কবি পল্লিগ্রামে যাওয়ার পথ কল্পনা করেছেন। কবির কল্পনার সেই পথকে হাবা মেয়ের এলো মাথার সিঁথির সাথে তুলনা করেছেন। সেই পথ কোথাও সিধা কোথাও বাঁকা। সেই পথে গাঁয়ের মেয়ে কদম-কলি ছড়িয়ে হেঁটে চলে। কবি এই পথে পল্লি-দুলালের দেশে যাবেন।

Promotion
NEW SATT AI এখন আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

Are you sure to start over?

Loading...