নিচের উদ্দীপকটি পড় এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
| গ্রুপ | মাটির কণার প্রকৃতি | মাটির প্রকার | ফসল/বৈশিষ্ট্য |
| ক | ৭০ ভাগ বালি | ? | ফুটি, বাঙ্গি, তরমুজ |
| খ | ৪০ ভাগ বালি | দোআঁশ | ? |
| গ | ৬০ ভাগ বালি | ? | ধান চাষের উপযোগী কর |
ছকের গ্রুপ- গ এর মাটি বেলে প্রকৃতির। এ মাটিকে ধান চাষের উপযোগী করতে চাইলে এর বুনটের পরিবর্তন করে দোআঁশ প্রকৃতিতে আনতে হবে। যদিও কাজটি খুবই কষ্টসাধ্য। তথাপি নিচের কাজগুলো করে বেলে প্রকৃতির মাটিতেও ধান চাষ করা যায়।
১. মাটিতে প্রচুর পরিমাণে জৈব সার যেমন- গোবর সার, সবুজ সার, কম্পোস্ট সার ও অন্যান্য জৈব সার প্রয়োগ করতে হবে।
২. জমির মাটির সাথে পর্যাপ্ত পরিমাণে এঁটেল মাটি মিশাতে হবে।
৩. জমিটিতে প্রচুর পরিমাণে সেচ প্রয়োগের পর আইল বেঁধে পানি জমা রেখে মাটির গুণাগুণ উন্নত করতে হবে।
৪. বৃষ্টিপাতের সময় পানিতে বাহিত হয়ে যে পলিমাটি গড়িয়ে আসবে তা জমিতে আটকে রাখার ব্যবস্থা করতে হবে।
উল্লিখিত কাজগুলো যথাযথভাবে করতে পারলেই মাটির বুনট পরিবর্তনের মাধ্যমে মাঠ ফসল চাষের উপযোগী করে তুলতে পারব।
ফসল উৎপাদনে কৃষি উপকরণ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কৃষি উপকরণগুলোর মধ্যে মাটি, পানি, বীজ, সার উল্লেখযোগ্য। কোন মাটিতে কোন ফসল জন্মাবে, ভালো বীজের বৈশিষ্ট্যগুলো কেমন, ফসলে সেচের দরকার আছে কি না, অতিরিক্ত পানি ফসলের ক্ষতি করছে কি না, জমিতে কী কী সার প্রয়োগ করা দরকার, এসব সম্পর্কে আমরা এ অধ্যায়ে বিস্তারিত জানব।

এ অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা-
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?