বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জাতীয় নির্বাচনে প্রার্থিগণ নিজেদের পক্ষে জনগণকে রায় দেওয়ার জন্য নানামুখী কার্যক্রম পরিচালনা করেন। ইতিহাস খুললে দেখা যায় আরবের বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিকগণ বিভিন্ন পুস্তক রচনা করে নিজেদের দলভারি করতেন, বর্তমানেও অনেক বইপুস্তক রয়েছে যেগুলো পাঠ করে মানুষ একটি ইস্যুতে ঐকমত্য পোষণ করে। শ্রেণিকক্ষে এসব কথাগুলো বললেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিষয়ের এক শিক্ষক।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকের দেওয়া তথ্যে জনমত গঠনের যে বাহনগুলো আলোচিত হয়েছে তাহলো নির্বাচন ও সাহিত্য, উদ্দীপকে দেখা যায়, নির্বাচনকালীন সময়ে প্রার্থিগণ জনমত গঠন করে এবং সাহিত্য ও পুস্তক রচনার মাধ্যমেও জনমত গঠিত হয়। নিচে এসবের ব্যাখ্যা প্রদান করা হলো-
নির্বাচন: নির্বাচনের মাধ্যমে জনমত সংগঠিত হয়ে থাকে। দলীয় আদর্শের পরিচালিত জনমত গঠনমূলক প্রচারণা নির্বাচনের মাধ্যমে প্রতিফলিত হয়। প্রত্যেক প্রার্থীর উদ্দেশ্য থাকে নিজের পক্ষে জনমত তৈরি করা।
সাহিত্য ও গ্রন্থ: জনমত গঠনের ক্ষেত্রে সাহিত্য ও গ্রন্থাবলি এক বড় মাধ্যম। সমাজ ও রাষ্ট্রের সমসাময়িক ঘটনাবলিকে দারুণভাবে প্রভাবিত করে এবং এর প্রতিনিধিত্ব করে। আমরা রবীন্দ্রযুগ বলে একটি শব্দ পাই, যা সেই সময়কার জনমতের একটা উদাহরণ।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?