শিক্ষক বললেন, “ইসলামের মৌলিক বিশ্বাস হলো তাওহিদ।” যদি তুমি সত্যিকারের মুসলিম হতে চাও তবে তোমাকে তাওহিদে বিশ্বাস করতে হবে এবং সেই অনুযায়ী নিয়মকানুন মেনে চলতে হবে।” শিক্ষকের এ কথা শুনে শিক্ষার্থীরা তাওহিদ সম্পর্কে অধিক পড়াশুনা করতে শুরু করল।
তাওহিদে বিশ্বাসের তাৎপর্য অত্যধিক। তাওহিদের বিশ্বাসের মাধ্যমে দুনিয়া ও আখিরাতে কল্যাণ লাভ করা যায়। এ বিশ্বজগৎ ও সমগ্র সৃষ্টিজগৎ তাওহিদের প্রমাণ বহন করে। আমরা আমাদের চারপাশে নানারকম জিনিস দেখতে পাই। সুন্দর সুন্দর ফুল-ফল, গাছপালা, তরুলতা, পশুপাখি ইত্যাদি। এছাড়া রয়েছে নদীনালা, পাহাড়-পর্বত, বন-জঙ্গল, সাগর-মহাসাগর। আরও আছে বিশাল আকাশ, চন্দ্র-সূর্য, গ্রহ-নক্ষত্র ইত্যাদি। আমরা খালি চোখে দেখতে পাইনা এমন অনেক বস্তু এবং প্রাণীও রয়েছে। এসব কিছুই সৃষ্টিজগতের অন্তর্গত। এগুলোর স্রষ্টা হলেন মহান আল্লাহ। এসব সৃষ্টি করতে তাঁর কোনো সাহায্যকারীর প্রয়োজন হয়নি। তিনি 'হও' (কুন) বলার সাথে সাথেই সবকিছু সৃষ্টি হয়ে গেছে। বিশ্বজগতের সবকিছুই তিনি মানুষের কল্যাণের জন্য সৃষ্টি করেছেন। মানুষ জ্ঞান-বুদ্ধি প্রয়োগ করে এগুলো থেকে উপকার লাভ করে। সুতরাং মানুষের উচিত তার স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা। এক আল্লাহ তায়ালার আনুগত্য ও ইবাদত করা। তাঁর ইবাদতে অন্য কাউকে শরিক করা যাবে না। এভাবে মহান আল্লাহর তাওহিদ বা একত্ববাদের প্রতি অনুগত হলে মানুষ দুনিয়া ও আখিরাতের জীবনে কল্যাণ ও সফলতা লাভ করতে পারে।
আকাইদ ( الْعَقَائِدُ )
আকাইদ' আরবি শব্দ। এটি বহুবচন। এর অর্থ হলো বিশ্বাসমালা। এর একবচন হলো 'আকিদাহ' (الْعَقِيْدَةُ), যার অর্থ বিশ্বাস। ইসলামের মৌলিক বিষয়সমূহের প্রতি বিশ্বাসকেই 'আকাইদ' বলা হয়। যেমন: আল্লাহ, নবি-রাসুল, ফেরেশতা, আসমানি কিতাব, আখিরাত, তকদির, পুনরুত্থান ইত্যাদির প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করা।
এ অধ্যায় শেষে আমরা-
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?