তাজুল ইসলাম একজন সরকারি কর্মকর্তা। তিনি ভূমি অফিসে চাকরি করেন। জনগণ একটি কাজে বার বার তার অফিসে আসুক তিনি তা চান না। তিনি মনে করে যদি অফিসে কম্পিউটার, ইন্টারনেট ও অন্যান্য ইলেকট্রনিক সামগ্রী ব্যাপক আকারে ব্যবহার করা হতো এবং জনগণও এর ব্যবহার করত এবং তাদের কাছে এসব জিনিসপত্র থাকত তবে কাজের জন্য এত কষ্ট বা হয়রানির স্বীকার হতে হতো না। কিন্তু কি আর করার দরিদ্র আর অশিক্ষিতের এদেশে এসবের ব্যবহার খুব সহজ বিষয় নয়।
তাজুল ইসলাম ই-গভর্ন্যান্সের যে দিকটি তুলে ধরেছেন তাহলো ই-গভর্ন্যান্সের প্রতিবন্ধকতা তার প্রমাণ উদ্দীপকে তথ্যপ্রযুক্তি ও যোগাযোগের বিষয়ে উল্লেখ আছে। দরিদ্রতা ও অশিক্ষার কারণে এ যোগাযোগ ব্যবস্থা সমাজে খুবই কম। আর এ যোগাযোগ ব্যবস্থার ওপরই ই-গভর্ন্যান্স নির্ভরশীল। নিচে বিষয়টি ব্যাখ্যা করা হলো-
ই-গভর্ন্যান্স যেমন অনেক উত্তম একটি পদ্ধতি তেমনি এটি প্রতিষ্ঠার পক্ষে আবার কতিপয় বাধা বিদ্যমান। এ বাধাসমূহকে কার্যকরভাবে দূর করতে না পারলে এ থেকে সুফল পাওয়া যাবে না। ই-গভর্ন্যান্স প্রতিষ্ঠা করা একটি ব্যয়বহুল পদ্ধতি। শুরুর দিকে এজন্য এককালীন প্রচুর অর্থ ব্যয় করার প্রয়োজন হয়। প্রাথমিক প্রতিটি দপ্তরের কম্পিউটার ও আনুষঙ্গিক যন্ত্রপাতি স্থাপন, ওয়েব পেজ ও ওয়েব পোর্টান চালু করা, এসবের উন্নয়ন করা সামগ্রিকভাবে অত্যন্ত ব্যয়বহুল এবং সময়সাপেক্ষ ব্যাপার। এজন্য অনেক উন্নয়নশীল দেশ ই-গভর্ন্যান্স প্রতিষ্ঠার প্রাথমিক উদ্যোগ বাস্তবায়ন করতে পারে না। ই-গভর্ন্যান্সের পথে আর একটি বড় বাধা হলো দক্ষ জনবলের অভাব। গতানুগতিক শিক্ষাব্যবস্থা থেকে আসা শিক্ষার্থীরা যখন চাকরিতে প্রবেশ করে। বিশেষজ্ঞ সাবেকি আমলের লোকজনের মধ্যে আইটি সম্পর্কিত জ্ঞানের প্রকট অভাব বিদ্যমান।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?