Academy

তাজুল ইসলাম একজন সরকারি কর্মকর্তা। তিনি ভূমি অফিসে চাকরি করেন। জনগণ একটি কাজে বার বার তার অফিসে আসুক তিনি তা চান না। তিনি মনে করে যদি অফিসে কম্পিউটার, ইন্টারনেট ও অন্যান্য ইলেকট্রনিক সামগ্রী ব্যাপক আকারে ব্যবহার করা হতো এবং জনগণও এর ব্যবহার করত এবং তাদের কাছে এসব জিনিসপত্র থাকত তবে কাজের জন্য এত কষ্ট বা হয়রানির স্বীকার হতে হতো না। কিন্তু কি আর করার দরিদ্র আর অশিক্ষিতের এদেশে এসবের ব্যবহার খুব সহজ বিষয় নয়। 

তাজুল ইসলাম ই-গভর্ন্যান্সের কোন দিকটি তুলে ধরেছেন- ব্যাখ্যা দাও। (প্রয়োগ)

Created: 10 months ago | Updated: 8 months ago
Updated: 8 months ago
Ans :

তাজুল ইসলাম ই-গভর্ন্যান্সের যে দিকটি তুলে ধরেছেন তাহলো ই-গভর্ন্যান্সের প্রতিবন্ধকতা তার প্রমাণ উদ্দীপকে তথ্যপ্রযুক্তি ও যোগাযোগের বিষয়ে উল্লেখ আছে। দরিদ্রতা ও অশিক্ষার কারণে এ যোগাযোগ ব্যবস্থা সমাজে খুবই কম। আর এ যোগাযোগ ব্যবস্থার ওপরই ই-গভর্ন্যান্স নির্ভরশীল। নিচে বিষয়টি ব্যাখ্যা করা হলো-

ই-গভর্ন্যান্স যেমন অনেক উত্তম একটি পদ্ধতি তেমনি এটি প্রতিষ্ঠার পক্ষে আবার কতিপয় বাধা বিদ্যমান। এ বাধাসমূহকে কার্যকরভাবে দূর করতে না পারলে এ থেকে সুফল পাওয়া যাবে না। ই-গভর্ন্যান্স প্রতিষ্ঠা করা একটি ব্যয়বহুল পদ্ধতি। শুরুর দিকে এজন্য এককালীন প্রচুর অর্থ ব্যয় করার প্রয়োজন হয়। প্রাথমিক প্রতিটি দপ্তরের কম্পিউটার ও আনুষঙ্গিক যন্ত্রপাতি স্থাপন, ওয়েব পেজ ও ওয়েব পোর্টান চালু করা, এসবের উন্নয়ন করা সামগ্রিকভাবে অত্যন্ত ব্যয়বহুল এবং সময়সাপেক্ষ ব্যাপার। এজন্য অনেক উন্নয়নশীল দেশ ই-গভর্ন্যান্স প্রতিষ্ঠার প্রাথমিক উদ্যোগ বাস্তবায়ন করতে পারে না। ই-গভর্ন্যান্সের পথে আর একটি বড় বাধা হলো দক্ষ জনবলের অভাব। গতানুগতিক শিক্ষাব্যবস্থা থেকে আসা শিক্ষার্থীরা যখন চাকরিতে প্রবেশ করে। বিশেষজ্ঞ সাবেকি আমলের লোকজনের মধ্যে আইটি সম্পর্কিত জ্ঞানের প্রকট অভাব বিদ্যমান।

10 months ago

ই-গভর্নেন্স ও সুশাসন

**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View More

"ই-গভর্ন্যান্স হচ্ছে সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান কর্তৃক তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার" - সংজ্ঞাটি জাতিসংঘ (২০০৬) প্রদত্ত।

ই-গভর্ন্যান্সের প্রধান উদ্দেশ্য হলো জনগণকে তথ্যসেবা দেওয়া। আর এর মাধ্যমে সরকারি কাজের স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা যায়। সরকারি কাজের গতিশীলতা আনয়ন, ব্যয় হ্রাস করা এবং সুশাসন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে ই-গভর্ন্যান্স বড় ভূমিকা পালন করে থাকে। প্রশাসনিক ব্যবস্থার উন্নয়নে ই-গভর্ন্যান্স পদ্ধতি অত্যন্ত কার্যকরী ও ফলপ্রসূ একটি পদ্ধতি।

সুমনের বাবা অবাক হয়ে যাওয়ার কারণ হিসেবে মনে হচ্ছে তিনি আধুনিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ে পর্যাপ্ত জানেন না। তিনি হয়তবা বয়োজ্যেষ্ঠ লোক যারা আধুনিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহারে অভ্যস্ত নন। তিনি এমন এক ব্যবস্থায় অভ্যস্ত যেখানে সরকারি-বেসরকারি যোগাযোগ সবসময় সাধারণভাবে সম্পন্ন হয়। চিঠি, সরাসরি খবর সরবরাহ কিংবা বড়জোর টেলিফোনের মাধ্যমে তথ্য যোগাযোগে যারা পারদর্শী ছিলেন, তাদের নিকট ইন্টারনেটভিত্তিক যোগাযোগ ব্যবস্থা আশ্চর্য হওয়ার মতোই ব্যাপার। আধুনিক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো জনমত গঠনের ক্ষেত্রে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করছে। ই-গভর্ন্যান্সের মাধ্যমেই ঘরে বসেই সরকারের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে তথ্য দিয়ে সহায়তা করা যায়। সুমন এভাবেই সন্ত্রাসীকে ধরে দিতে সহায়তা করেছে। কিন্তু এ বিষয়ে যার কোনো ধারণা নেই, তিনি এতে আশ্চান্বিত হতেই পারেন। এজন্যই সুমনের বাবা অবাক হয়েছিলেন।

সুমন রাষ্ট্র পরিচালনায় সুশিক্ষিত ও সচেতন জনগণের কথা উল্লেখ করেছে, যারা বর্তমান রাষ্ট্র পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। আধুনিককালে রাষ্ট্র পরিচালিত হয় সরকার ও জনগণের সহঅংশীদারিত্বের মাধ্যমে। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নির্বাচিত সরকার রাষ্ট্র পরিচালনা করে। কিন্তু গণতন্ত্রের নির্বাচন ব্যবস্থায় সমাজে শিক্ষিত ও সচেতন জনগণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। সমাজের সচেতন নাগরিকেরা সরকারের বিভিন্ন দিক নিয়ে পত্রপত্রিকা এবং অনলাইনভিত্তিক সামাজিক যোগাযোগ ব্যবস্থার নানাবিধ আলোচনা সমালোচনায় অংশ নেয়। ফেসবুক, টুইটার, ব্লগ ইত্যাদিকে এখন বলা হয় নাগরিক সাংবাদিকতার প্লাটফর্ম। এ প্লাটফর্মে জনগণ একত্রিত হয়ে সরকারের প্রশংসা বা সমালোচনা করে সরকারকে সঠিক পথ নির্দেশনা দেয়। এরূপ আন্দোলনের দাবি অনেক সময়ই সরকার অনিচ্ছা সত্ত্বেও মানতে বাধ্য হয়। আর এ কাজটি করে মূলত দেশের সচেতন ও শিক্ষিত জনসাধারণ। গণতন্ত্র এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠায় এ পক্ষের ভূমিকা অনস্বীকার্য। জনসাধারণের এ অংশ যত সক্রিয় ও কার্যকরী ভূমিকা পালন করবে, গণতন্ত্র তত সংহত হবে। শাসকগোষ্ঠীর জবাবদিহিতা তত বৃদ্ধি পাবে। স্বচ্ছতা নিশ্চিত হবে। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হবে। চূড়ান্ত বিচারে দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হবে। এভাবেই জনসাধারণের সচেতন ও সুশিক্ষিত অংশ সুশাসন প্রতিষ্ঠায় প্রভাব বিস্তার করে থাকেন।

5 ফেসবুক কী? (জ্ঞানমূলক)

Created: 10 months ago | Updated: 8 months ago
Updated: 8 months ago

ফেসবুক ইন্টারনেটভিত্তিক সামাজিক যোগাযোগের একটি মাধ্যম যার মাধ্যমে বিভিন্ন লোকের সাথে যোগাযোগ করা যায় এবং ছবি, তথ্য শেয়ার করা যায়। (www.facebook.com)

ই-গভর্ন্যান্স একটি উত্তম পদ্ধতি হলেও এর নানাবিধ অসুবিধা রয়েছে। এটি প্রতিষ্ঠা করা অত্যন্ত ব্যয়বহুল একটি পদ্ধতি, আবার এজন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতাসম্পন্ন জনবলও অপ্রতুল। এছাড়াও রক্ষণাবেক্ষণ, নিয়মিত হালনাগাদ করার বিদ্যুৎ সমস্যা, ইন্টারনেটের ধীরগতি এবং দুর্নীতিবাজদের প্রভাব এক্ষেত্রে বাধার সৃষ্টি করে। যেখানে' দেশের সিংহভাগ জনগণের ন্যূনতম ICT জ্ঞান এবং ইন্টারনেট অ্যাকসেস নেই, সেখানে এটি অপ্রয়োজনীয় অপচয়ও বটে

Promotion
NEW SATT AI এখন আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

Are you sure to start over?

Loading...