এসএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়ে অনিমা হতাশ হয়ে পড়ে। অনিমার বান্ধবী শারমিন বলল, সোহেলি অন্যের বাড়িতে কাজ করে ফাঁকে ফাঁকে পড়ে ভালোভাবে বিএ পাস করেছে। সুতরাং মানুষের অসাধ্য কিছুই নেই। অর্নিমা, তুমি হাল ছেড়ে দিও না। আমার বিশ্বাস, চেষ্টা করলে তুমি ভালো ফল করতে পারবে।
আলোচ্য চরণে কবি অন্যের মঙ্গল করে প্রকৃত সুখ লাভের কথা বলেছেন।
জগতে যারা কেবল নিজের সুখ খোঁজেন তারা জীবনে দুঃখ-যন্ত্রণা দেখে ভাবেন মানুষের জীবন নিরর্থক। মূলত এ ধারণা ভুল। জীবনের উদ্দেশ্য ও তাৎপর্য আরও বিস্তৃত, অনেক মহৎ। অন্যের কল্যাণে নিজেকে বিলিয়ে দিয়ে নানা দুঃখ-যন্ত্রণা সয়ে, সংকট মোকাবিলা করে জীবনসংগ্রামে সফলতার মাধ্যমেই প্রকৃত সুখ অর্জিত হয়।
নাই কিরে সুখ? নাই কিরে সুখ?-
এ ধরা কি শুধু বিষাদময়?
যাতনে জ্বলিয়া কাঁদিয়া মরিতে
কেবলি কি নর জনম লয়?-
বল ছিন্ন বীণে, বল উচ্চৈঃস্বরে-
না, না, না, মানবের তরে
আছে উচ্চ লক্ষ্য, সুখ উচ্চতর
না সৃজিলা বিধি কাঁদাতে নরে।
কার্যক্ষেত্র ঐ প্রশস্ত পড়িয়া
সমর-অঙ্গন সংসার এই,
যাও বীরবেশে কর গিয়া রণ;
যে জিনিবে সুখ লভিবে সে-ই।
পরের কারণে স্বার্থ দিয়া বলি
এ জীবন মন সকলি দাও,
তার মতো সুখ কোথাও কি আছে?
আপনার কথা ভুলিয়া যাও।
পরের কারণে মরণেও সুখ;
'সুখ' 'সুখ' করি কেঁদ না আর,
যতই কাঁদিবে, যতই ভাবিবে
ততই বাড়িবে হৃদয় ভার।
আপনারে লয়ে বিব্রত রহিতে
আসে নাই কেহ অবনী 'পরে,
সকলের তরে সকলে আমরা,
প্রত্যেকে মোরা পরের তরে।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?