সাজ্জাদ সাহেব সরকার গঠনের পর কৃষক ও শিল্প শ্রমিকদের স্বার্থের প্রতি বিশেষ দৃষ্টি রেখে একটি অর্থনৈতিক নীতি প্রণয়ন করেন। তিনি দেশকে সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থার পথে পরিচালিত করতে গিয়ে পররাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে সমস্যার সম্মুখীন হন।
হ্যাঁ, আমি মনে করি, সাজ্জাদ সাহেবের সামনে লেনিনের মতো আরও সংকটময় পরিস্থিতি অপেক্ষমান।
উদ্দীপকের সাজ্জাদ সাহেব সরকার গঠনের পর একে সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থার মাধ্যমে পরিচালিত করার উদ্যোগ নেন। তিনি কৃষি ও শিল্প শ্রমিকদের স্বার্থের প্রতি নজর দিয়ে অর্থনৈতিক পরিকল্পনা প্রণয়নের মাধ্যমে তার কাজে এগুতে থাকেন। সমাজতান্ত্রিক সরকারকে আন্তজার্তিক ক্ষেত্রে নানাবিধ সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। বর্তমান ধনতান্ত্রিক ব্যবস্থার সরকারব্যবস্থা যখন সারা বিশ্বের শাসনক্ষমতায় পরাক্রমশালী, সেখানে সাজ্জাদ সাহেবের মতো সমাজতান্ত্রিক সরকারকে সমস্যার সম্মুখীন হতেই হবে। তার জন্য সংকট যে সামনে আরও বাড়বে, এ ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই।
বর্তমান বিশ্বের পরাশক্তি প্রায় সবগুলো দেশই ধনতান্ত্রিক এবং সমাজতন্ত্রের বিরোধী। সমাজতন্ত্র ও ধনতন্ত্র পরস্পর পরস্পরকে প্রতিযোগী মনে করে আসছে সেই শুরু থেকেই। যে কারণে সমাজতন্ত্রের প্রথম বিপ্লবী নেতা লেনিনকেও এ একই ধরনের বাধার সম্মুখীন হতে হয়েছিল। সাজ্জাদ সাহেব এখনও যে সমস্যার মুখোমুখি, তার মতো একই সমস্যার মুখোমুখি হয়েছিলেন লেনিনও। কিন্তু বর্তমান বিশ্বে যেহেতু তার প্রতিপক্ষ শক্তিই বেশি শক্তিশালী, তাই সামনের দিনগুলোতে এ সমস্যা আরও প্রকট হবে। কেননা সমাজতন্ত্রের প্রভাবে সাজ্জাদ সাহেবের প্রতিবেশী দেশগুলোতেও সমাজতন্ত্রের ঢেউ লাগবে, যা প্রতিপক্ষ কখনো চাইবে না। আর এজন্য প্রতিপক্ষ দেশগুলো চাইবে সমাজতন্ত্রের গতিরোধ করতে। সেজন্য তারা বিভিন্ন বাধা, অবরোধ আরোপের চেষ্টা অব্যাহত রাখবে, যা সংকটকে আরও বৃদ্ধি করবে। এজন্য বলা যায়, সাজ্জাদ সাহেবের সামনে লেনিনের মতো আরও সংকটময় পরিস্থিতি অপেক্ষা করছে। এটি মোকাবিলা করার দক্ষতার ওপর নির্ভর করবে তার সরকারের সাফল্য।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?