দীপ্তি একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা করে। তার অধ্যয়নরত বিষয়টির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হচ্ছে সম্পদ, সেবা ও সুযোগের সাথে মানুষের সংযোগ ঘটানো এবং সামাজিক বিপর্যয় প্রতিরোধ করা। দীপ্তির বান্ধবী নীপা একই বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতিতে পড়ছে। নীপার ভাই দীপন প্যাথিড্রিনে আসক্ত হলে দীপ্তি তাকে একজন পেশাদার সমাজকর্মীর কাছে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেয়। সমাজকর্মী দীপনের সাথে ব্যক্তিগতভাবে কথা বলেন এবং দীপন উক্ত সমাজকর্মীর ব্যবহারে মুগ্ধ হয়।
দীপন ও সমাজকর্মীর সম্পর্ককে র্যাপো বা পেশাগত সম্পর্ক , যা সমাজকর্মের সমস্যা সমাধান প্রক্রিয়ায় কার্যকর ভূমিকা পালন করে।
উদ্দীপকে বর্ণিত দীপন প্যাথিড্রিনে আসক্ত। সে তার বোনের বান্ধবী দ্বীপ্তির পরামর্শে একজন সমাজকর্মীর নিকট যায়। সমাজকর্মী তার সাথে ব্যক্তিগতভাবে কথা বলেন এবং দীপন উক্ত সমাজকর্মীর ব্যবহারে মুগ্ধ হয়। দীপন ও সমাজকর্মীর মধ্যকার এ সম্পর্কই হলো 'র্যাপো'। ব্যক্তির সমস্যার সমাধানকে কেন্দ্র করে ব্যক্তি সমাজকর্ম পদ্ধতি পরিচালিত হয়। এ সমস্যা সমাধান প্রক্রিয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কৌশল হলো র্যাপো বা পেশাগত সম্পর্ক। সাধারণত সমস্যা সমাধান প্রক্রিয়ায় সমাজকর্মী ও সাহায্যার্থীর মধ্যে যে পেশাগত সম্পর্ক স্থাপন করা হয় তাকে র্যাপো বলা হয়। এখানে সমাজকর্মী একজন পেশাদার ব্যক্তি হিসেবে তার আচরণের মাধ্যমে সাহয্যার্থীর আস্থাভাজন হন। ফলে সমাজকর্মী ও সাহায্যার্থীর সম্পর্কের মধ্যকার দূরত্ব দূর হয়ে পারস্পরিক বোঝাপড়ার ভিত্তিতে বন্ধুসুলভ আচরণের ক্ষেত্র তৈরি হয়, যা সাহায্যার্থী সম্পর্কিত তথ্যানুসন্ধানে সমাজকর্মীকে বিশেষভাবে সহায়তা করে। ফলে সমস্যা সমাধান প্রক্রিয়া অধিক উপযোগী ও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। এ সম্পর্ক সম্পূর্ণ অস্থায়ী এবং অন্যান্য সম্পর্কের মতো আত্মনির্ভর হবে না। অনেক সময় এ সম্পর্ককে 'Professional Relationship' বা 'Casework Relationship' নামেও, অভিহিত করা হয়। পরিশেষে বলা যায়, দীপন এবং সমাজকর্মীর মধ্যকার সম্পর্কই ব্যক্তি সমাজকর্মের মূল বিষয়। সাহায্যার্থী ও সমাজকর্মীর মধ্যে এ সম্পর্ক গড়ে না উঠলে অনেক সময় সমস্যা সমাধান প্রক্রিয়া ব্যর্থ হয়ে যায়
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?