জ্ঞান অন্বেষী হাজী আহমেদ তার এলাকার শিক্ষার সুযোগ তৈরি ও শিক্ষার প্রসারের এবং জনহিতকর কার্যে ব্যয়ের উদ্দেশ্যে নিজের বিশাল সম্পত্তি ওয়াকফ করে দেন। এ ওয়াকফকৃত সম্পত্তি হতে শিক্ষা বিস্তারের জন্য ফান্ড গঠন করা হয়। তার এ উদ্যোগে গরিব ও মেধাবী ছাত্ররা সুযোগ পায় এবং বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্মিত হয়।
১৭৬৫ সালে দেওয়ানি লাভের পর লর্ড ক্লাইভ বাংলা প্রদেশকে শাসন করার যে নীতি গ্রহণ করে, তা-ই 'দ্বৈত শাসন' নামে পরিচিত।
দ্বৈত শাসন হলো দুইজনের শাসন। এ ব্যবস্থায় বাংলার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, ফৌজদারি বিচার, শান্তিরক্ষা, দৈনন্দিন প্রশাসন পরিচালনার দায়িত্ব ছিল নবাবের ওপর। অন্যদিকে বাংলার রাজস্ব আদায়, দেওয়ানি সংক্রান্ত বিচার, জমি-জমার বিবাদ সম্পর্কিত বিচার কোম্পানির ওপর ন্যস্ত হয়েছিল। অর্থাৎ এক্ষেত্রে কোম্পানি লাভ করে দায়িত্বহীন ক্ষমতা, আর নবাব পান ক্ষমতাহীন দায়িত্ব। লর্ড ক্লাইভের বাংলা শাসনের এ অভিনব নীতিই 'দ্বৈত শাসন' নামে পরিচিত।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?