মফস্বল এলাকার তরুণ সাফওয়ান। শিক্ষাদীক্ষায় পিছিয়ে C
পড়া যুবসমাজকে নিয়ে তার যত চিন্তাভাবনা। আর চিন্তাচেতনা থেকেই সে এলাকার তরুণদেরকে নিয়ে গড়ে তোলে একটি যুব সংগঠন। এ সংগঠনের আওতায় সে একটি পাঠাগারও প্রতিষ্ঠা করে। সাফওয়ানের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা যুব সংগঠন ও পাঠাগারটি এলাকার যুবসমাজকে যে আশার আলো দেখিয়েছে, তা সকলের নিকট প্রশংসাযোগ্য। সাফওয়ানের নেতৃত্ব যুবসমাজের জন্য যেন এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।
প্রাচীন সমাজব্যবস্থায় নেতৃত্বের গুরুত্ব ছিল অত্যধিক প্রবল। বর্তমানকালেও নেতৃত্বের প্রয়োজনীয়তা অধিকতর বৃদ্ধি পেয়েছে। আধুনিক রাষ্ট্রীয়, সামাজিক ও আন্তর্জাতিক জীবনব্যবস্থায় যৌথ কর্মপ্রচেষ্টাকে সার্থক করতে হলে নেতৃত্বের গুরুত্ব অত্যধিক। উদ্দীপকের আলোকে নেতৃত্বের গুরুত্বসমূহ নিচে বিশ্লেষণ করা হলো-
১. আধুনিককালের সমস্যাসঙ্কুল ও জরাজীর্ণ জীবনব্যবস্থায় সুযোগ্য নেতৃত্বের প্রয়োজনীয়তা সার্বক্ষণিক। খানিক সময়ের জন্য নেতৃত্বের অভাব হলে গোটা মানবজাতির জন্য তা অনেক ক্ষতির কারণ হতে পারে।
২. দক্ষ, যোগ্য ও সুনিপুণ নেতৃত্ব ব্যতিরেকে কোনো জাতি তার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌছাতে পারে না।
৩. পরিবর্তনশীল সমাজ জীবনে জনসাধারণের আচার-আচরণকে সুনিয়ন্ত্রিত রাখার একমাত্র মাধ্যম হলো নৈতিক ক্ষমতাধর সুযোগ্য নেতৃত্বের।
৪. প্রতিভাবান, দূরদৃষ্টিসম্পন্ন, সৃজনশীল নেতৃত্ব ব্যতিরেকে জাতীয় একাত্মতার সংকট দূরীভূত করা সম্ভব নয়।
৫. জাতীয় সংকট নিরসন করে জাতীয় সংহতি সৃষ্টিতে যোগ্য নেতৃত্বের বিকল্প নেই।
৬. নেতৃত্বের গুণেই সৃষ্টি হয় জনগণের মধ্যে সাংগঠনিক দক্ষতা, সৃজনশীল মানসিকতা ও প্রগতিশীল চিন্তাচেতনা। আবার নেতৃত্বের গুণেই সৃষ্টি হয় অর্থনৈতিক উন্নয়নের জোয়ার। ফলে কোনো জাতির ভাগ্যের সার্বিক উন্নয়নের জন্য নেতৃত্বের গুরুত্বকে অস্বীকার করার উপায় নেই।
উপরিউক্ত আলোচনায় বলা যায়, মানবজাতির বৃহৎ স্বার্থের প্রতিনিধিত্ব করার প্রয়োজনে এবং রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন গোষ্ঠী স্বার্থসমূহ সমন্বিত করার অপরিহার্য প্রয়োজনে সাফওয়ানের মতো সুযোগ্য নেতৃত্ব সমাজের প্রতিটি স্তরে গুরুত্বপূর্ণ ও অতি প্রয়োজনীয়।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?