জনাব ঈশা চৌধুরী একজন গার্মেন্টস ব্যবসায়ী। ব্যবসায়িক কাজে তাকে প্রতিদিন বড় বড় অঙ্কের অর্থ লেনদেন করতে হয়। লেনদেন অধিক নিরাপদ রাখার জন্য তিনি তার ব্যাংক কর্তৃক প্রদত্ত চেক ব্যবহার করেন। তার চেকের বাম পাশে সমান্তরাল দুটি রেখা টানা আছে। জনাব ঈশা চৌধুরী এরূপ একখানা চেক মি. দিশা খানকে প্রদান করলেন। মি. দিশা খান প্রাপ্ত চেকটি ব্যাংকে উপস্থাপন করলে ব্যাংক নগদ টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করল।
বিভিন্ন পক্ষের হাত বদলের পর চূড়ান্ত পর্যায়ে যিনি ব্যাংকের কাছ থেকে টাকা সংগ্রহ করেন, তিনি প্রকৃত, ধারক হিসেবে গণ্য হন।
প্রকৃত ধারকরা যথাকালের ধারক নামেও পরিচিত। ১৮৮১ সালের হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইনের ৯ ধারা অনুসারে, কোনো ধারক তিনটি শর্ত পালন সাপেক্ষে চেকের ধারক, প্রাপক বা অনুমোদন বলে প্রাপক হলে তাকে যথাকালে ধারক বলা হবে। (ⅰ) মূল্যবান প্রতিদানের বিনিময়ে যদি সে তা প্রাপ্ত হয়, (ii) পরিশোধের তারিখ পার হওয়ার পূর্বে যদি সে এর ধারক হয় এবং (iii) যে ব্যক্তির নিকট থেকে সে তা গ্রহণ করছে, গ্রহণকালে প্রদানকারীর সত্ত্বে ত্রুটি আছে বলে বিশ্বাসের কোনো কারণ যদি লক্ষ না করে। একজন প্রকৃত ধারক আইনের দিক থেকে বাড়তি সুবিধাও অধিকার পান।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?