কদমতলিতে গ্রাম্য মোড়লদের মাধ্যমে শাসনব্যবস্থা পরিচালিত হয়। গ্রামের লোকজন তাদের মধ্য হতে সর্বাপেক্ষা সৎ, যোগ্য এবং বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিকে মোড়ল নির্বাচিত করেন। নির্বাচিত মোড়ল গ্রামের গণ্য-মান্য ব্যক্তিদের সাথে পরামর্শ করে গ্রামের সার্বিক শাসনব্যবস্থা পরিচালনা করেন।
প্রাচীন আরবের শাসনব্যবস্থার মূল ভিত্তি ছিল গোত্রপ্রীতি- উক্তিটি যথার্থ।
প্রাক-ইসলামি আরবের অধিকাংশ বাসিন্দাই ছিল বেদুইন বা যাযাবর। বিশেষ কিছু জীবনাচরণ বা বৈশিষ্ট্যের জন্য বেদুইনদের সভ্য মানুষের সাথে তুলনা করা যায়। এসব বৈশিষ্ট্যের মধ্যে অন্যতম ছিল গোত্রপ্রীতি। উদ্দীপকেও এ বিষয়ের প্রতি ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। উদ্দীপকের প্রাক-ইসলামি আরবের শাসনব্যবস্থা সম্পর্কে বলা হয়েছে। যেখানে গোত্রীয় শাসনব্যবস্থা প্রচলিত ছিল। আর আরবদের মধ্যে
গোত্রপ্রীতি ছিল অত্যন্ত প্রকট।
আরবের বেদুইনদের সমাজের ভিত্তিই ছিল গোষ্ঠীবদ্ধতা। স্বজাতীয় কয়েকটি গোষ্ঠী একত্রিত হয়ে 'কাবিলা' গঠন করত। কাবিলার প্রধানের প্রতি তাদের আনুগত্য ছিল সীমাহীন। গোত্রের প্রতি তাদের মমত্ববোধ এত প্রখর ছিল যে, এর জন্য প্রয়োজনে তারা জান মাল দিতেও প্রস্তুত ছিল। তাছাড়া গোত্রের স্বার্থে তারা প্রয়োজনে যুদ্ধ করতে দ্বিধা করত না। এ গোত্রীয় সংহতি তাদেরকে এক সূত্রে আবদ্ধ রেখেছে যুগ যুগ ধরে। আবার তারা রক্তের বদলে রক্তের নীতিতে বিশ্বাসী হলেও যথেষ্ট অতিথিপরায়ণ ছিল।
উপর্যুক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, প্রাক-ইসলামি আরবের গোত্রীয় শাসনব্যবস্থায় গোত্রপ্রীতিই ছিল প্রধান।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?