Academy

কদমতলিতে গ্রাম্য মোড়লদের মাধ্যমে শাসনব্যবস্থা পরিচালিত হয়। গ্রামের লোকজন তাদের মধ্য হতে সর্বাপেক্ষা সৎ, যোগ্য এবং বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিকে মোড়ল নির্বাচিত করেন। নির্বাচিত মোড়ল গ্রামের গণ্য-মান্য ব্যক্তিদের সাথে পরামর্শ করে গ্রামের সার্বিক শাসনব্যবস্থা পরিচালনা করেন।

প্রাচীন আরবের শাসনব্যবস্থার মূল ভিত্তি ছিল গোত্র-প্রীতি' উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা কর। (উচ্চতর দক্ষতা)

Created: 2 months ago | Updated: 2 months ago
Updated: 2 months ago
Ans :

প্রাচীন আরবের শাসনব্যবস্থার মূল ভিত্তি ছিল গোত্রপ্রীতি- উক্তিটি যথার্থ।

প্রাক-ইসলামি আরবের অধিকাংশ বাসিন্দাই ছিল বেদুইন বা যাযাবর। বিশেষ কিছু জীবনাচরণ বা বৈশিষ্ট্যের জন্য বেদুইনদের সভ্য মানুষের সাথে তুলনা করা যায়। এসব বৈশিষ্ট্যের মধ্যে অন্যতম ছিল গোত্রপ্রীতি। উদ্দীপকেও এ বিষয়ের প্রতি ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। উদ্দীপকের প্রাক-ইসলামি আরবের শাসনব্যবস্থা সম্পর্কে বলা হয়েছে। যেখানে গোত্রীয় শাসনব্যবস্থা প্রচলিত ছিল। আর আরবদের মধ্যে
গোত্রপ্রীতি ছিল অত্যন্ত প্রকট।
আরবের বেদুইনদের সমাজের ভিত্তিই ছিল গোষ্ঠীবদ্ধতা। স্বজাতীয় কয়েকটি গোষ্ঠী একত্রিত হয়ে 'কাবিলা' গঠন করত। কাবিলার প্রধানের প্রতি তাদের আনুগত্য ছিল সীমাহীন। গোত্রের প্রতি তাদের মমত্ববোধ এত প্রখর ছিল যে, এর জন্য প্রয়োজনে তারা জান মাল দিতেও প্রস্তুত ছিল। তাছাড়া গোত্রের স্বার্থে তারা প্রয়োজনে যুদ্ধ করতে দ্বিধা করত না। এ গোত্রীয় সংহতি তাদেরকে এক সূত্রে আবদ্ধ রেখেছে যুগ যুগ ধরে। আবার তারা রক্তের বদলে রক্তের নীতিতে বিশ্বাসী হলেও যথেষ্ট অতিথিপরায়ণ ছিল।
উপর্যুক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, প্রাক-ইসলামি আরবের গোত্রীয় শাসনব্যবস্থায় গোত্রপ্রীতিই ছিল প্রধান।

2 months ago

প্রাক-ইসলামি আরব

**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View More

1 পেপিরাস কী? (জ্ঞানমূলক)

Created: 2 months ago | Updated: 2 months ago
Updated: 2 months ago

পেপিরাস হলো নীল নদের তীরে জন্ম নেওয়া নলখাগড়া জাতীয় এক ধরনের ঘাস বা উদ্ভিদ, যা দিয়ে মিসরীয়রা কাগজ আবিষ্কার করে।

মিসরীয়রা চিত্রলিপিভিত্তিক লিখন পদ্ধতি আবিষ্কার করে সভ্যতার বিকাশে বিশেষ অবদান রেখেছে।
মিসরীয়দের লিখন পদ্ধতি 'হায়ারোগ্লিফিক' (Hieroglyphic) নামে পরিচিত। হায়ারোগ্লিফিক অর্থ পবিত্র লিপি। এটি ছিল একটি লিখিত ভাষা। এ ভাষায় নানাপ্রকার দ্রব্য, প্রাকৃতিক বিষয় প্রভৃতির ছবি আঁকা থাকত, যার মাধ্যমে জিনিসগুলোর পরিচয় ও নাম জানা সম্ভব হতো। হায়ারোগ্লিফিক শিলালিপি প্রথমে তৈজসপত্র, ফলক এবং কবরের গায়ে খোদাই করা হতো। পরে মিসরে কাগজ আবিষ্কৃত হলে এতে এ লিপি উৎকীর্ণ করা হয়। এ লিখন পদ্ধতি তিনটি রূপে বিকাশ লাভ করেছে।
যথা: চিত্রভিত্তিক, অক্ষরভিত্তিক এবং বর্ণভিত্তিক। প্রায় ৭৫০টি চিত্রলিপির চিহ্ন দিয়ে প্রাচীন মিসরীয় লিপি পদ্ধতি তৈরি হয়েছিল।

হ্যাঁ, উদ্দীপকের হোয়াংহো নদীর মতোই নীল নদ মিসরীয় সভ্যতার কৃষির অগ্রগতিতে ভূমিকা রেখেছিল।

প্রাচীন সভ্যতাসমূহের মধ্যে মিসরীয় সভ্যতা অন্যতম। মিসরকে নীল নদের দান হিসেবে অভিহিত করা হয়। কেননা মিসরীয় সভ্যতার বিকাশে নীল নদই সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করেছিল। মিসরের ক্ষেত্রে নীল নদের এ অবদানই চীনের হোয়াংহো নদীর ক্ষেত্রে লক্ষ করা যায়।
হোয়াংহোকে চীনের দুঃখ বলা হলেও চীনা সভ্যতার বিকাশে এ নদী বিশাল ভূমিকা পালন করেছে। নদীর অববাহিকায় কৃষিকাজ ও প্রয়োজনীয় সেচের ব্যবস্থা, ফসল উৎপাদন থেকে শুরু করে ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও হোয়াংহো নদী অবদান রেখেছে। মিসরীয় সভ্যতার ক্ষেত্রেও এমনটি লক্ষ করা যায়। এ সভ্যতার বিকাশে নীল নদের ভূমিকা অতুলনীয়। মিসরীয় সভ্যতার সূচনাকারী জনগণ পানির প্রাপ্যতা, কৃষি উৎপাদন, মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ, পশু পালনের জন্য তৃণভূমির সহজলভ্যতা ইত্যাদি বিষয় চিন্তা করে নীল নদের তীরবর্তী অঞ্চলসমূহে বসতি স্থাপন করেছিল। আর এ ক্ষেত্রে তারা বেশ উপকৃতও হয়েছিল। ঘর-গৃহস্থালির কাজ থেকে শুরু করে ব্যবসা-বাণিজ্য এমনকি জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই নীল নদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। মরুভূমিতে পরিণত হওয়া মিসর নীল নদের দানের ফলেই শস্য-শ্যামল ও সমৃদ্ধিশালী দেশে পরিণত হয়েছে। সুতরাং বলা যায় যে, উদ্দীপকে উল্লিখিত চীনা সভ্যতায় হোয়াংহো নদীর ভূমিকা মিসরীয় সভ্যতার ক্ষেত্রে নীল নদের অবদানেরই ইঙ্গিত বহন করে।

উদ্দীপকে বর্ণিত সম্রাটের কফিন যেমন পাথরের দেয়াল দ্বারা সুরক্ষিত করা হয়েছে, তেমনি মিসরীয় সভ্যতায় ফারাও সম্রাটদের মৃতদেহ মমি করে সংরক্ষণ করা হতো।

মিসরীয়রা মৃত্যুর পরের জীবনে বিশ্বাস করত। আর তাদের এ ধর্ম বিশ্বাসের ছাপ পড়েছিল স্থাপত্যিক নিদর্শনে। তারা ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ নির্মাতা ছিল। পিরামিড ছিল তাদের স্থাপত্য শিল্পের অসাধারণ সৃষ্টি। ধর্মীয় বিশ্বাস থেকেই তারা নির্মাণ করেছিল প্রকাণ্ড সৌধের এ পিরামিডগুলো। আর এ ধরনের বিশ্বাস থেকে নির্মিত প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের কথাই উদ্দীপকে বর্ণিত হয়েছে।
উদ্দীপকে সম্রাটের কফিন সুরক্ষিত রাখতে পাথরের নির্মিত সশস্ত্র সৈন্যের পাহারা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। একইভাবে মিসরীয়রা তাদের ফারাও সম্রাটদের মৃতদেহ সংরক্ষণের জন্য পিরামিড নির্মাণ করেছিল। তারা বিশ্বাস করত ফারাওদের মৃত্যুর পর তাদের আত্মা স্বর্গে চলে যায় এবং সেখানে দেবতা হিসেবে আবির্ভূত হয়। কিন্তু মৃত ফারাওদের শরীর পচে গেলে এক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারে। এজন্য তারা মৃতদেহ প্রক্রিয়াজাত করে তা সংরক্ষণের ব্যবস্থা করত। এ মৃতদেহগুলোকে যেখানে কবর দেওয়া হতো, সেসব স্থান আগে থেকেই তৈরি করে রাখা হতো। এসব কবরে দেওয়া হতো সিন্দুকভর্তি অমূল্য গহনা, ধাতব তৈজসপত্র, মুদ্রা, দামি কাপড় প্রভৃতি। মৃত ফারাওদের দেহ ও মূল্যবান সামগ্রীর নিরাপত্তার জন্য মিসরীয়রা বড় বড় পাথরখণ্ড কেটে পিরামিড নির্মাণ করত। এগুলো ছিল জ্যামিতিক ত্রিভুজের আকৃতিতে তৈরি অতি উঁচু এক একটি সমাধিসৌধ।
পরিশেষে বলা যায়, ধর্মীয় বিশ্বাস থেকেই উদ্দীপকে বর্ণিত সম্রাটদের কফিন এবং মিসরীয় ফারাও সম্রাটদের মৃতদেহ সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হতো। তাদের উভয়ের ক্ষেত্রেই পাথরের দেয়াল দ্বারা মৃতদেহ সংরক্ষণের পদক্ষেপ পরিলক্ষিত হয়।

5 মালা' কী? (জ্ঞানমূলক)

Created: 2 months ago | Updated: 2 months ago
Updated: 2 months ago

মালা হলো প্রাক-ইসলামি আরবের একটি রাজনৈতিক সংগঠন বা মন্ত্রণাসভা

আরবের উকাজ মেলায় পুরস্কারপ্রাপ্ত সাতটি কবিতাকে সাবায়ে মুয়াল্লাকাত বা 'সপ্ত ঝুলন্ত' কবিতা বলা হতো।
মক্কার নিকটবর্তী উকাজের বার্ষিক মেলায় আরবের প্রখ্যাত কবিগণ কবিতা প্রতিযোগিতার আয়োজন করতেন। উকাজের বাৎসরিক সাহিত্য সম্মেলনে সাতটি কবিতাকে পুরস্কৃত করা হতো। সোনালি হরফে লিপিবদ্ধ করে এ কবিতাগুলো মক্কায় কাবার দেয়ালে ঝুলিয়ে রাখা হতো। এ কবিতাগুলোর বিষয়বস্তু ছিল প্রেম, যুদ্ধবিগ্রহ, বীরত্বপূর্ণ কাহিনি, বংশ গৌরব, আরব . সমাজের আতিথেয়তা, স্বাধীনচেতা মনোভাব ইত্যাদি। এ কবিতাগুলোই সপ্ত ঝুলন্ত কবিতা বা সাবায়ে মুয়াল্লাকাত নামে পরিচিত ছিল।

Promotion
NEW SATT AI এখন আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

Are you sure to start over?

Loading...