'X' ও 'Y' দুটি দেশ। উভয় দেশই আর্থসামাজিক অবকাঠামোর উন্নয়ন, দারিদ্র্য দূরীকরণ, জনগণের মাথাপিছু আয় ও জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধি এবং বেকার সমস্যার সমাধানের মাধ্যমে সার্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন করতে সচেষ্ট। এক্ষেত্রে 'X' দেশ কেন্দ্রীয়ভাবে পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করছে। কিন্তু 'Y' দেশ রাজস্ব ও আর্থিক নীতির সহযোগিতায় বেসরকারি খাতকে উৎসাহ দানের মাধ্যমে উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে।
দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের সুদূরপ্রসারী প্রত্যাশিত চিত্র রূপকে সামনে রেখে দীর্ঘসময়; যেমন- ১০,১৫ ও ২০ বছরের জন্য যে পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয় তাকে প্রেক্ষিত পরিকল্পনা বা দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বলে। স্বল্পকালীন পরিকল্পনাগুলোর পটভূমি সমুন্নত রাখার সাথে সাথে দীর্ঘকালীন সমস্যাগুলোর সমাধান করার বিষয়ে সবিশেষ মনোযোগ প্রদান করাই প্রেক্ষিত পরিকল্পনার প্রধান উদ্দেশ্য। এছাড়া দ্রুত কৃষি ও শিল্পোন্নয়নের মাধ্যমে জনগণের জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধি, প্রকৃত আয় বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি উন্নয়নশীল দেশসমূহের প্রেক্ষিত পরিকল্পনার উদ্দেশ্য। প্রেক্ষিত পরিকল্পনা প্রণয়নের মাধ্যমে শিক্ষা ও জনস্বাস্থ্য, কৌশলিক এবং কারিগরি শিক্ষাকেন্দ্র প্রভৃতি সামাজিক কার্যক্রমের স্থায়ী সমাধানের চেষ্টা করা হয়। এজন্য প্রেক্ষিত পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?