রিপন ও তার কয়েকজন বন্ধু একত্রে ঢাকার মালিবাগে একটি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান খোলে। শুরুতে তারা বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পাঞ্জাবি, ছোটদের পোশাক ইত্যাদি সংগ্রহ করে বিক্রি করতো। পরবর্তিতে নিজেরাই পোশাক উৎপাদনে নেমে পড়ে। কর্মনিষ্ঠা, দূরদৃষ্টি ও সম্মিলিতভাবে সততার সাথে কাজ করার প্রচেষ্টা তাদের ব্যবসায়কে একটি সুদৃঢ় অবস্থানে নিয়ে যায়। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন স্থানে তাদের বেশ কয়েকটি বুটিক শপ আছে যা 'ওজি' নামে পরিচিত।
উদ্দীপকের ব্যবসা সংগঠনটি হলো অংশীদারি কারবার। কতকগুলো বিশেষ সুবিধার জন্য অংশীদারি কারবার আধুনিক বিশ্বে বেশ জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। এ কারবারের সুবিধাগুলো আলোচনা করা হলো-
অংশীদারি কারবার গঠন খুবই সহজ। দুই বা ততোধিক ব্যক্তি চুক্তিবদ্ধ হয়ে এ কারবার গঠন করতে পারে। তাই তারা সহজেই কারবার পরিচালনার জন্য মূলধন গঠন করতে পারে। বেশি মূলধন সংগ্রহ করা যায় বলে বৃহদায়তন উৎপাদনের ব্যবস্থা করা যায়। পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হলে নির্ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় বলে অধিক সুযোগ পাওয়া যায়।
এ কারবারের অংশীদাররা বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে তাদের নিজ নিজ বুদ্ধিমত্তা, অভিজ্ঞতা ও যোগ্যতার সমন্বয়-সাধন করতে পারেন। ফলে সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এ কারবার লাভজনকভাবে পরিচালনা করা যায়। তাছাড়া সকল অংশীদারিগণ তাদের দক্ষতা অনুযায়ী কাজে নিযুক্ত থাকায় ব্যবসার সুনাম বৃদ্ধি পায়। উৎপাদন ও মুনাফা বৃদ্ধি পায়। আবার ক্ষতির ভাগও সকল অংশীদারকে বহন করতে হয়।
ব্যবসায়ে নিয়োজিত অংশীদারদের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে প্রয়োজনে অংশীদারের সংখ্যা বাড়ানো সম্ভব হয়। এ জাতীয় কারবারে অংশীদারগণ কারবারের যেকোনো ক্ষতি নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নিতে বাধ্য থাকেন। ফলে এখানে প্রত্যেক অংশীদারের ঝুঁকির পরিমাণ কমে যায়। এছাড়া অংশীদারকে ব্যক্তিগত আয়ের ওপর কর দিতে হয় বলে কারবারকে কম হারে কর দিতে হয়।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?