Academy

বস্তি সমস্যা সমাধানে 'ক' রাষ্ট্রের সরকার নিজস্ব উদ্যোগে বস্তিগুলো ভেঙে নতুন বসতি স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। 
বিভিন্ন জায়গা থেকে আগত বস্তি এলাকার মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সামাজিক বন্ধন গড়ে তোলার লক্ষ্যে সরকার বেশকিছু সমাজকর্মী নিয়োগ দিয়েছে। এসব সমাজকর্মীরা সমাজকর্মের আদর্শ, নীতি ও কৌশল অবলম্বন করে তাদের মধ্যে ঐক্য গড়ে তোলার চেষ্টা করছেন। 

বাংলাদেশের কোন কোন ক্ষেত্রে উক্ত পদ্ধতি প্রয়োগ করে সফলতা অর্জন করা সম্ভব বলে তুমি মনে করো? বিশ্লেষণ করো। (উচ্চতর দক্ষতা)

Created: 10 months ago | Updated: 7 months ago
Updated: 7 months ago
Ans :

সমস্যাসংকুল বাংলাদেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে দল সমাজকর্ম পদ্ধতি প্রয়োগ করে সফলতা অর্জন করা সম্ভব বলে আমি মনে করি।

সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে বাস্তবায়িত সমবায় কার্যক্রমে দল সমাজকর্মের অভিজ্ঞতা, দক্ষতা ও কৌশল প্রয়োগ করে গণমুখী সমবায় আন্দোলনের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করা যায়। দল সমাজকর্ম পদ্ধতি প্রয়োগ করে বয়স্ক ও গণশিক্ষা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশে নিরক্ষরতার হার হ্রাস করা সম্ভব। বাংলাদেশে অপরাধীদের সংশোধন ও পুনর্বাসনের লক্ষ্যে প্রবেশন এবং মুক্তিপ্রাপ্ত কয়েদি পুনর্বাসন কার্যক্রমে দল সমাজকর্ম পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়। সেই সাথে পরিবার কল্যাণ ও পরামর্শ কেন্দ্র স্থাপন করে সুস্থ পারিবারিক পরিবেশ সৃষ্টি করা যায়। শিল্পায়ন ও শহরায়নের প্রভাবে ভিন্ন ভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক পরিবেশ হতে আগত মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সহযোগিতার মনোভাব সৃষ্টির ক্ষেত্রে দল সমাজকর্মের অভিজ্ঞতা প্রয়োগের গুরুত্ব অপরিসীম। উল্লেখিত ক্ষেত্রগুলো ছাড়াও হাসপাতাল সমাজসেবা, চিত্তবিনোদন, প্রতিবেশী কেন্দ্র, শ্রমিক অসন্তোষ দূরীকরণ, শিশুকল্যাণ, জনসমষ্টি উন্নয়ন, ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম পরিচালনা, দরিদ্রদের ক্ষমতায়ন প্রভৃতি ক্ষেত্রে দল সমাজকর্মের জ্ঞান, নীতি, আদর্শ ও কৌশল প্রয়োগ করা হয়।
সামগ্রিক আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায় যে, বংলাদেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে দল সমাজকর্ম পদ্ধতি প্রয়োগ করে সফলতা অর্জন করা সম্ভব।

10 months ago

সমাজকর্মের পদ্ধতি

**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View More

আইন পেশার মাধ্যমে সমাজের মানুষের আইনগত অধিকার ও সামগ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়।

চিকিৎসা পেশা একটি মানবতাবাদী সেবা ও পেশা হিসেকে বিবেচিত।
সুদূর প্রাচীনকাল থেকে মানবসেবার একটি উল্লেখযোগ্য দিক হলো মানুষকে সকল প্রকার অসুস্থতা থেকে মুক্ত রাখা, যার প্রেক্ষিতে চিকিৎসা পেশার উদ্ভব। মানুষের দৈহিক কাঠামো এবং দেহের জৈবিক প্রক্রিয়া কর্মক্ষম ও সচল রাখার জন্য যেসব চাহিদা ও প্রয়োজন পূরণের দরকার সেসব পূরণ করতে সাহায্য করে চিকিৎসা ও নার্সিং পেশা।

উদ্দীপকে বর্ণিত দীপ্তি সমাজকর্ম বিষয়টি অধ্যয়ন করছে। সমাজকর্ম বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিনির্ভর একটি সাহায্যকারী পেশা।

এর লক্ষ্য হলো সমাজের সামগ্রিক কল্যাণ সাধন। এ লক্ষ্য অর্জনে এটি সমস্যাগ্রস্ত ব্যক্তি, দল ও সমষ্টির হারানো ক্ষমতা পুনরুদ্ধার করে তাদেরকে সমস্যা সমাধানে সক্ষম করে তোলে। এক্ষেত্রে এই সেবা, সম্পদ ও সুযোগের সমন্বয় সাধনের ওপর গুরুত্ব দেয়। অর্থাৎ সমাজকর্ম সামাজিক বিপর্যয় রোধ করে একটি সুষ্ঠু সমাজ গঠনে কাজ করে। দীপ্তির অধ্যয়নরত বিষয়টির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হচ্ছে সম্পদ, সেবা ও সুযোগের সাথে মানুষের সংযোগ ঘটানো এবং সামাজিক বিপর্যয় প্রতিরোধ করা যা সমাজকর্মের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের সাথে সংগতিপূর্ণ। সমাজকর্মের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নির্ধারণে ১৯৮১ সালে NASW কর্তৃক প্রকাশিত কতগুলো প্রাসঙ্গিক বলে বিবেচনা করা হয়। এগুলো হলো-

১. জনগণের সমস্যার সমাধান, উপযোজন এবং উন্নয়ন ক্ষমতার উন্নয়ন,

২. সম্পদ, সেবা ও সুযোগের সাথে মানুষের সংযোগ ঘটানো;

৩. কার্যকরী ও মানবীয় সেবা ব্যবস্থা ত্বরান্বিত করা; ও

৪. সামাজিক নীতির বিকাশ ও উন্নয়ন। আবার ওয়ার্নার ডব্লিউ বোহেম সমাজকর্মের তিনটি মৌলিক লক্ষ্যের কথা উল্লেখ করেছেন। এগুলো হলো-

১. মানুষের হৃতক্ষমতা পুনরুদ্ধার করা;

২. কার্যকর সামাজিক ভূমিকা পালনের জন্য ব্যক্তিগত ও সামাজিক সম্পদের সমাবেশ করা; এবং

৩. সামাজিক বিপর্যয় প্রতিরোধ করা। সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকে বর্ণিত দীপ্তি সমাজকর্ম বিষয়টি অধ্যয়ন করছে।

 

দীপন ও সমাজকর্মীর সম্পর্ককে র‍্যাপো বা পেশাগত সম্পর্ক , যা সমাজকর্মের সমস্যা সমাধান প্রক্রিয়ায় কার্যকর ভূমিকা পালন করে।

উদ্দীপকে বর্ণিত দীপন প্যাথিড্রিনে আসক্ত। সে তার বোনের বান্ধবী দ্বীপ্তির পরামর্শে একজন সমাজকর্মীর নিকট যায়। সমাজকর্মী তার সাথে ব্যক্তিগতভাবে কথা বলেন এবং দীপন উক্ত সমাজকর্মীর ব্যবহারে মুগ্ধ হয়। দীপন ও সমাজকর্মীর মধ্যকার এ সম্পর্কই হলো 'র‍্যাপো'। ব্যক্তির সমস্যার সমাধানকে কেন্দ্র করে ব্যক্তি সমাজকর্ম পদ্ধতি পরিচালিত হয়। এ সমস্যা সমাধান প্রক্রিয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কৌশল হলো র‍্যাপো বা পেশাগত সম্পর্ক। সাধারণত সমস্যা সমাধান প্রক্রিয়ায় সমাজকর্মী ও সাহায্যার্থীর মধ্যে যে পেশাগত সম্পর্ক স্থাপন করা হয় তাকে র‍্যাপো বলা হয়। এখানে সমাজকর্মী একজন পেশাদার ব্যক্তি হিসেবে তার আচরণের মাধ্যমে সাহয্যার্থীর আস্থাভাজন হন। ফলে সমাজকর্মী ও সাহায্যার্থীর সম্পর্কের মধ্যকার দূরত্ব দূর হয়ে পারস্পরিক বোঝাপড়ার ভিত্তিতে বন্ধুসুলভ আচরণের ক্ষেত্র তৈরি হয়, যা সাহায্যার্থী সম্পর্কিত তথ্যানুসন্ধানে সমাজকর্মীকে বিশেষভাবে সহায়তা করে। ফলে সমস্যা সমাধান প্রক্রিয়া অধিক উপযোগী ও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। এ সম্পর্ক সম্পূর্ণ অস্থায়ী এবং অন্যান্য সম্পর্কের মতো আত্মনির্ভর হবে না। অনেক সময় এ সম্পর্ককে 'Professional Relationship' বা 'Casework Relationship' নামেও, অভিহিত করা হয়। পরিশেষে বলা যায়, দীপন এবং সমাজকর্মীর মধ্যকার সম্পর্কই ব্যক্তি সমাজকর্মের মূল বিষয়। সাহায্যার্থী ও সমাজকর্মীর মধ্যে এ সম্পর্ক গড়ে না উঠলে অনেক সময় সমস্যা সমাধান প্রক্রিয়া ব্যর্থ হয়ে যায়

5 সমষ্টি সংগঠন কী? (জ্ঞানমূলক)

Created: 10 months ago | Updated: 7 months ago
Updated: 7 months ago

সমষ্টি সংগঠন হলো সামাজিক উন্নতি ও ভারসাম্য রক্ষার জন্য পরিচালিত জনসমষ্টিকেন্দ্রিক সুশৃঙ্খল সেবাকর্ম প্রক্রিয়া।

যেসব মৌলিক নিয়ম-কানুন ব্যক্তি সমাজকর্মীর কার্যাবলি নিয়ন্ত্রিত ও পরিচালিত করে, সেগুলোকেই ব্যক্তি সমাজকর্মের অনুশীলন নীতি বলা হয়।
ব্যক্তি সমাজকর্ম সমস্যা সমাধানের সুশৃঙ্খল এবং সুপরিকল্পিত প্রক্রিয়া। সুশৃঙ্খল এবং সুপরিকল্পিত উপায়ে সমস্যা সমাধানে সাহায্য করার জন্যে ব্যক্তি সমাজকর্মীদের কতগুলো মৌলিক নীতি অনুসরণ করতে হয়। এসব নীতি সমাজকর্মীর কাজের নির্দেশিকা হিসেবে কাজ করে। এগুলোকেই ব্যক্তি সমাজকর্মের অনুশীলন নীতি বলা হয়।

Promotion
NEW SATT AI এখন আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

Are you sure to start over?

Loading...