সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও সমাধান
নাগরিক অধিকার সুরক্ষায় বিচার বিভাগের স্বাধীনতা অতি গুরুত্বপূর্ণ। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা বলতে বিচারব্যবস্থার এমন একটি অবস্থাকে বোঝায় যেখানে বিচার বিভাগ আইন ও শাসন বিভাগের নিয়ন্ত্রণমুক্ত হয়ে স্বাধীনভাবে বিচার কাজ করার সুযোগ পায়। রাষ্ট্রের বিচার বিভাগ যত স্বাধীন হবে নাগরিকগণের সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি তত বৃদ্ধি পাবে।
আমরা রাষ্ট্রে বাস করি। রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য কিছু নিয়ম কানুন রয়েছে। এসব নিয়মাবলির সমষ্টিকে সংবিধান বলে । সংবিধানের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালিত হয় । সংবিধানকে বলা হয় রাষ্ট্রের দর্পণ বা আয়নাস্বরূপ । সংবিধানে নাগরিকের অধিকার ও কর্তব্য, শাসকের ক্ষমতা এবং নাগরিক ও শাসকের সম্পর্ক কিরূপ হবে তা সুস্পষ্টভাবে লিপিবদ্ধ থাকে । কাজেই রাষ্ট্রের প্রতিটি নাগরিকের সংবিধান সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা প্রয়োজন । এ অধ্যায়ে আমরা সংবিধানের ধারণা, সংবিধানের গুরুত্ব, সংবিধান প্রণয়ন পদ্ধতি, বিভিন্ন প্রকার সংবিধানের বৈশিষ্ট্য, বাংলাদেশের সংবিধান তৈরির ইতিহাস, এর উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য এবং বিভিন্ন সংশোধনী সম্বন্ধে জানব ।
এ অধ্যায় পড়া শেষে আমরা-
১২১৫ সালে ইংল্যাণ্ডের রাজা জন যে অধিকার সনদ প্রণয়ন করেছিলেন তার নাম কী ?
(জ্ঞানমূলক)সংবিধান প্রণয়ন প্রয়োজন কেন? ব্যাখ্যা কর ।
(অনুধাবন)‘ক’ সংগঠনটি পরিচালনার নিয়মাবলি কোন ধরনের সংবিধানের বৈশিষ্ট্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ তাআলোচনা কর ।
(প্রয়োগ)“ক' ও ‘খ’ প্রতিষ্ঠান দুটির পরিচালনার নিয়মাবলির মধ্যে তুমি কোনটিকে উত্তম বলে মনে কর তার পক্ষে যুক্তি প্রদর্শন কর ।
(উচ্চতর দক্ষতা)বাংলাদেশের সংবিধান কত তারিখে কার্যকর হয়?
(জ্ঞানমূলক)অলিখিত সংবিধান বলতে কী বোঝায় ।
(অনুধাবন)আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?