Academy

ভাব-সম্প্রসারণ কর :

মনেরে আজ কহ যে,

ভালো মন্দ যাহাই আসুক

সত্যেরে লহ সহজে।

Created: 2 years ago | Updated: 8 months ago
Updated: 8 months ago

ভাব-সম্প্রসারণ কর :

মনেরে আজ কহ যে,

ভালো মন্দ যাহাই আসুক

সত্যেরে লহ সহজে।


Earn by adding a description for the above question! 🏆✨ Provide correct answer/description to Question, help learners, and get rewarded for your contributions! 💡💰'

ভাব সম্প্রসারণ

'ভাব-সম্প্রসারণ' কথাটির অর্থ কবিতা বা গদ্যের অন্তর্নিহিত তাৎপর্যকে ব্যাখ্যা করা, বিস্তারিত করে লেখা, বিশ্লেষণ করা। আবৃতকে উন্মোচন, সংকেতকে নির্ণীত করে তুলনীয় দৃষ্টান্ত ও প্রবাদ-প্রবচনের সাহায্যে সহজ ভাষায় ভাবের বিন্দুকে বিস্তার করার নাম ভাব-সম্প্রসারণ।

  • ভাব-সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে কয়েকটি দিকের প্রতি বিশেষ দৃষ্টি দেওয়া প্রয়োজন। যেমন:

ক. প্রদত্ত চরণ বা গদ্যাংশটি একাধিকবার মনোযোগ সহকারে পড়ে অন্তর্নিহিত ভাবটি কী, তা সঠিকভাবে বুঝতে হবে। মূল ছত্রটি হুবহু ব্যবহার করা উচিত নয়।

খ. অন্তর্নিহিত মূলভাবটি কোনো উপমা, রূপক-প্রতীকের আড়ালে প্রচ্ছন্ন থাকে, তবে ভাব-সম্প্রসারণের সময় প্রয়োজনে অতিরিক্ত অনুচ্ছেদ-যোগে ব্যাখ্যা করলে ভালো হয়।

গ. সহজ ভাষার, সংক্ষেপে ভাবসত্যটি উপস্থাপন করা উচিত। প্রয়োজনে যুক্তি উপস্থাপন করে তাৎপর্যটি উদ্ধার করতে হবে।

ঘ. মূল ভাব-বীজকে বিশদ করার সময় সহায়ক দৃষ্টান্ত, প্রাসঙ্গিক তথ্য বা উদ্ধৃতি ব্যবহার করা চলে।

ঙ. ভাব-সম্প্রসারণ করার সময় মনে রাখতে হবে যে, যেন বক্তব্যের পুনরাবৃত্তি না ঘটে। বারবার একই কথা লেখা ভাব-সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে দূষণীয়।

চ. ভাব-সম্প্রসারণকে প্রধানত তিনটি অংশে বিভক্ত করা যায়। যথা: প্রথম অংশে ভাবের অর্থ, দ্বিতীয় অংশে ভাবের ব্যাখ্যা, তৃতীয় অংশে ভাবের তাৎপর্য।

ছ. ভাব-সম্প্রসারণ করার সময়ে প্রদত্ত অংশের রচয়িতার নাম উল্লেখ করাতে হয় না।

জ. প্রয়োজনে সংক্ষিপ্ত উদ্ধৃতি ব্যবহার করা যেতে পারে।

Content added By

Related Question

View More
No answer found.
Answer the Question and earn rewards! 🏆✨ <br> Provide correct answer to Question, help learners, and get rewarded for your contributions! 💡💰'
Ans
No answer found.
Answer the Question and earn rewards! 🏆✨ <br> Provide correct answer to Question, help learners, and get rewarded for your contributions! 💡💰'
Ans

"গতি যার নীচ সহ, নীচ সে দুর্মতি"

মূলভাব: এই উক্তিটি মূলত একটি অর্থপূর্ণ জীবনবোধকে প্রকাশ করে, যা বলে যে যাঁর জীবনের গতি বা সাফল্য অন্যদের কল্যাণ বা উন্নতির জন্য ক্ষতিকর বা নিচু, তাঁর আসল অবস্থান দুর্মতি বা দুঃখজনক।

সম্প্রসারিত ভাব:

জীবনের বিভিন্ন দিক এবং পরিপ্রেক্ষিতে আমাদের গতি বা উন্নতি বিভিন্নভাবে পরিমাপ করা হয়। যখন আমরা জীবনযাপনে, কর্মক্ষেত্রে বা অন্যান্য ক্ষেত্রে সফল হতে চাই, তখন আমাদের অর্জনের বা অগ্রগতির পথ কেমন হবে তা গুরুত্বপূর্ণ। এই উক্তিটি আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে, আমাদের সাফল্যের পথ যদি অন্যদের উপকারের পরিবর্তে তাদের ক্ষতির কারণ হয়, তাহলে সেই সাফল্য আসলে 'নীচ' বা নৈতিকভাবে অমর্যাদাপূর্ণ হতে পারে।

এখানে 'গতি' বলতে জীবন বা কর্মজীবনের উন্নতির পথ বোঝানো হয়েছে। কিন্তু যদি সেই উন্নতি অন্যদের ক্ষতির মাধ্যমে ঘটে, তাহলে তা আসলে এক ধরনের দুর্মতি বা সামাজিক দুর্দশার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এটি আমাদেরকে একটি মূল্যবান শিক্ষা দেয় যে, আমাদের সাফল্য এবং উন্নতি শুধু নিজেদের জন্য নয় বরং সমাজের জন্যও একটি ইতিবাচক প্রভাব ফেলা উচিত।

উপরন্তু, এই উক্তিটি আমাদেরকে সচেতন করে যে, সামাজিক ন্যায় এবং মানবিক মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকতে হবে। যখন আমাদের অগ্রগতি অন্যদের জন্য ক্ষতিকর হয়ে দাঁড়ায়, তখন আমাদের অর্জনের আসল মূল্য হারিয়ে যায় এবং তা সমাজের কাছে একটি ‘দুর্মতি’ হিসেবে বিবেচিত হয়।

উপসংহার: এক কথায়, সত্যিকারের উন্নতি সেই উন্নতি যা সবার কল্যাণের দিকে পরিচালিত করে। তাই, আমাদের জীবনের গতি ও সাফল্য যেন অন্যের ক্ষতির কারণ না হয়, তা নিশ্চিত করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।

Promotion
NEW SATT AI এখন আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

Are you sure to start over?

Loading...