মজনু বেগ গত দশ বছর স্ত্রীপুত্র নিয়ে থাকেন আমেরিকায়। আমেরিকা থেকে তিনি একবার দু পাকিস্তানি বন্ধুকে নিয়ে বাংলাদেশে বেড়াতে আসেন। এদেশে এসে তিনি বন্ধুদেরকে রাষ্ট্রীয়ভাবে কোন কোন কাজ করলে শাস্তি পেতে হবে তার বর্ণনা দেন। বাংলাদেশের সরকার কর্তৃক প্রণীত এমন সব কর্মের কথা শুনান যেগুলো করলে অবশ্যই শাস্তি পেতে হবে। তার বন্ধুরা এসব জানতে পেরে অনেক সচেতনতার সাথে চলাফেরা করতে থাকে।
মনজু বেগের দেওয়া তথ্যে আইনের ধারণা প্রকাশিত হয়েছে।
তার প্রমাণ তিনি তার পাকিস্তানি বন্ধুদের দেশের প্রচলিত আইনের শাস্তিরও তথ্য প্রদান করেছেন। আর তাই বলা যায়, তার ধারণা যেহেতু আইনের, আর আইনের রয়েছে অনেকগুলো বৈশিষ্ট্যঅ নিচে আইনের বৈশিষ্ট্যগুলোর মূল্যায়ন করা হলো-
প্রথমত, আইন হতে হবে অনুমোদন ও স্বীকৃতি- আইন হতে গেলে সার্বভৌম কর্তৃপক্ষ কর্তৃক রচিত, অনুমোদিত ও স্বীকৃতিপ্রাপ্ত হতে হবে। রাষ্ট্রীয় অনুমোদন ও স্বীকৃতি ছাড়া কোনো বিধিবিধানই আইনে রূপ নিতে পারে না। প্রচলিত নিয়মকানুন বা প্রথাসমূহ সার্বভৌম কর্তৃপক্ষ কর্তৃক গৃহীত এবং অনুমোদিত হলেই তা আইন বলে গণ্য হবে।
দ্বিতীয়ত, আইন প্রধানত মানুষ বাহ্যিক আচার-আচরণ ও ক্রিয়াকলাপকে নিয়ন্ত্রণ থাকে। মানুষের চিন্তাচেতনা, ধ্যানধারণা ও অনুভূতির সাথে আইনের প্রত্যক্ষ কোনো যোগসূত্র নেই।
তৃতীয়ত, সর্বজনীনতা আইনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। সমাজের সকল ব্যক্তিই আইনের দৃষ্টিতে সমান। জাতি-ধর্ম, বর্ণ, নারী-পুরুষ, ধনী-নির্ধন, রাজা-প্রজা সকলেই আইনের আওতাভুক্ত থাকবে।
চতুর্থত, শাস্তিযোগ্য কেউ আইন অমান্য করলে শাস্তি পেতে হয়। আইন অমান্য করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। সর্বোপরি আইন পালনের মধ্য দিয়ে ব্যক্তিস্বাধীনতা রক্ষা হয় এবং অধিকার আদায় করা সম্ভব হয়।
আইনের মূলকথা, আইন প্রতিষ্ঠার কারণ এবং আইনের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করতে পারব।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?