একাদশ শ্রেণিতে অধ্যয়নরত মারুফ তার পাঠ্যসূচিভুক্ত একটি বিষয়ে জেনেছে যে, বিষয়টিতে নাগরিকতার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। তার সহপাঠী নাবিলা জেনেছে যে, বিষয়টি মানুষের অতীত কার্যকলাপের বর্ণনা ও বিশ্লেষণ করে, সেটির সঙ্গে নাগরিকতা বিষয়ক বিজ্ঞানের সম্পর্ক গভীর।
মারুফের পাঠ্যসূচিভুক্ত বিষয়টিকে নাগরিকতা বিষয়ক বিজ্ঞান বলা হয়।
উদ্দীপকের মারুফ একাদশ শ্রেণিতে পড়ে। সে একটি বিষয় সম্পর্কে জেনেছে যে, বিষয়টিতে নাগরিকতার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করে। পাঠ্যবইয়ের আলোকে আমরা বুঝতে পারি, বিষয়টি হলো 'পৌরনীতি ও সুশাসন'। 'পৌরনীতি ও সুশাসন' বিষয়টিকে নাগরিকতাবিষয়ক বিজ্ঞানও বলা হয়।
রাষ্ট্রের সদস্যদের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা, তাদের দায়িত্ব ও কর্তব্যবোধ সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি করা এবং নাগরিক ও নাগরিক জীবনের সাথে সম্পৃক্ত সকল বিষয় 'পৌরনীতি ও সুশাসন' বিষয়টিতে সুশৃঙ্খলভাবে আলোচিত হয় বলে পৌরনীতিতে নাগরিকতা বিষয়ক বিজ্ঞান বলা হয়। পৌরনীতির সংজ্ঞাসমূহ বিশ্লেষণ করলে এটি স্পষ্ট হয়ে ওঠে যে, নাগরিকের জীবন ও কার্যাবলি যতদূর বিস্তৃত, পৌরনীতির আলোচনার পরিধিও ততদূর প্রসারিত। নাগরিকের জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত নাগরিক জীবনের সাথে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রকার ক্রিয়াকলাপ নিয়ে পৌরনীতি অনুশীলন চালায়। নাগরিকের অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ জীবনের সাথে সম্পৃক্ত ঘটনাবলি ও কার্যকলাপ এবং তাদের সামাজিক, রাজনৈতিক, ধর্মীয়, নৈতিক তথা সঠিক দিকের কমবেশি আলোচনা করে পৌরনীতি। আর বিজ্ঞান যেকোনো বিষয়ে সুশৃঙ্খলভাবে তত্ত্ব প্রদান করে। 'পৌরনীতি ও সুশাসন' নাগরিকতা সংক্রান্ত সামগ্রিক বিষয়াবলির তত্ত্বগত আলোচনা করে বলে একে নাগরিকতা বিষয়ক বিজ্ঞান বলা হয়।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?