Academy

সংক্ষিপ্ত- প্রশ্নোত্তর সমাধান

মাষকলাইয়ের পাউডারি মিলডিউ রোগ দমনের ২টি উপায় লেখ (সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন)

Created: 5 months ago | Updated: 4 months ago
Updated: 4 months ago
Ans :

মাষকলাইয়ের পাউডারি মিলডিউ রোগ দমনের ২টি উপায় হলো-
১. রোগমুক্ত বীজ বপন করতে হবে।
২. বিকল্প পোষক ও গাছের পরিত্যক্ত অংশ পুড়িয়ে ফেলতে হবে।

5 months ago

কৃষিজ উৎপাদন

কৃষিজ উৎপাদন বলতে বিভিন্ন প্রকার মাঠ ফসল, উদ্যান ফসল, ঔষধি গাছপালা, মাছ চাষ ও গৃহপালিত পশুপাখি পালন প্রভৃতির উৎপাদনকে বোঝায় । মানুষের জীবনযাত্রা চলমান রাখতে কৃষিজ উৎপাদন বাড়ানো দরকার। বাংলাদেশে পতিত ও অব্যবহৃত জায়গাতেও পরিকল্পিতভাবে ফুলফল ও শাকসবজি চাষ করা যায় । এছাড়া শস্যপর্যায় অবলম্বন করে দানা জাতীয় ফসলের পরে সরিষা বা মাসকলাই চাষ, আঁশ জাতীয় ফসলের পরে দানা জাতীয় ফসল চাষ করা যায়। এছাড়া এ দেশে বাঁশ, বেত, পাটকাঠি, খড়, নারিকেলের ছোবড়া ইত্যাদি শিল্পের কাঁচামাল হিসাবে বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে । কাজেই কৃষিজ উৎপাদন সম্পর্কে জানা খুবই জরুরি । এ অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা-

  • চাষ উপযোগী বিভিন্ন জাতের ফসলের নাম, উৎপাদন পদ্ধতি, রোগবালাই ব্যবস্থাপনা ও ফসলের অর্থনৈতিক গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • শাকসবজি চাষ পদ্ধতি, রোগবালাই ও দমন পদ্ধতি এবং শাকসবজি চাষের অর্থনৈতিক গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে পারব;
  •  বিভিন্ন প্রকার ফুল-ফল চাষ পদ্ধতি, রোগবালাই ও দমন পদ্ধতি এবং ফুল-ফল চাষের অর্থনৈতিক গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • মাছ পালন পদ্ধতি, মাছের রোগ শনাক্তকরণ ও ব্যবস্থাপনা এবং মাছ চাষের অর্থনৈতিক গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • গৃহপালিত পশুপাখির আবাসন ও পালন পদ্ধতি, রোগ শনাক্তকরণ, ব্যবস্থাপনা, পরিচর্যা এবং গৃহপালিত পশুপাখি পালনের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • সমন্বিত চাষ সম্পর্কে ব্যাখ্যা এবং বিভিন্ন সমন্বিত চাষ পদ্ধতি সম্পর্কে বর্ণনা করতে পারব;
  • সমন্বিত চাষ পদ্ধতির মাছের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে বর্ণনা করতে পারব এবং সমন্বিত চাষ পদ্ধতির ব্যবস্থা বর্ণনা করতে পারব;
  • শিল্পে ব্যবহৃত হয় এরূপ কৃষিজ দ্রব্যাদির বৈশিষ্ট্য, ব্যবহার এবং ব্যবহারের গুরুত্ব বর্ণনা করতে পারব;
  • ঔষধি উদ্ভিদ শনাক্তকরণ এবং ঔষধি উদ্ভিদের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করতে পারব।
Content added By

Related Question

View More

পালংশাকের একটি জাতের নাম হলো সবুজ বাংলা।

ইউরিয়া নাইট্রোজেনঘটিত রাসায়নিক সার যা পালংশাক চাষে ব্যবহৃত হয়।
ইউরিয়া সার গাছকে সবল, সতেজ ও ঘন সবুজ করে। এমনকি সালোকসংশ্লেষণের মাত্রা বাড়িয়ে দিয়ে গাছের জন্য প্রয়োজনীয় খাদ্যোপাদান তৈরি করে। চারা গজানোর ৮-১০ দিন পর থেকে শুরু করে ১০-১২ দিন পর পর ২-৩ কিস্তিতে ইউরিয়া উপরি প্রয়োগ করলে গাছ রসালো হয় এবং দ্রুত বৃদ্ধি ঘটে। এতে বাজারমূল্য ভালো পাওয়া যায়। তাই পালংশাক চাষে ইউরিয়া সার উপরি প্রয়োগ করতে হয়।

আয়শা বেগম যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর থেকে সবজি চাষের ওপর প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে বাড়ির আঙিনায় পালংশাক চাষ করেন।
জৈব সারকে মাটির প্রাণ বলা হয়। সাধারণত পচা গোবর, হাঁস মুরগির বিষ্ঠা, কম্পোস্ট, কচুরিপানা, খড়কুটা, আবর্জনা পচা ইত্যাদি জৈব সার হিসেবে জমিতে প্রয়োগ করতে হয়। ইউরিয়া ছাড়া সকল সার জমি প্রস্তুতির শেষে দিতে হয়। শুধুমাত্র জৈব সার জমি তৈরির প্রথমে প্রয়োগ করতে হয়। আয়শা বেগম ৫ শতক জমিতে পালংশাক চাষ করেছিলেন। পালংশাকে শতক প্রতি ৪০ কেজি জৈব সার প্রয়োগ করতে হয়। সে অনুযায়ী আয়শা বেগমের জমিতে ৪০×৫=২০০ কেজি জৈব সার প্রয়োজন।
অর্থাৎ, আয়শা বেগম তার জমিতে ২০০ কেজি জৈব সার প্রয়োগ করেছিলেন।

আয়শা বেগম তার বিলে অবস্থিত জমিগুলোর উঁচু আইলে পালংশাক চাষের পরিকল্পনা গ্রহণ করলেন। তার এই পরিকল্পনা কৃষি কার্যক্রমকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করবে।
কৃষি প্রধান এ বাংলাদেশে জনসংখ্যার আধিক্যে ফসলি জমির পরিমাণ দিন দিন কমে যাচ্ছে। কৃষি জমি খণ্ড-বিখণ্ড হওয়ার কারণে জমির মাঝখান দিয়ে আইল উঠছে। আইলগুলো ফসলহীন থাকার কারণে কৃষি জমির একটা সিংহভাগ অব্যবহৃত থাকছে।
আয়শা বেগমের বাড়ি বিল অঞ্চলে। এ সব অঞ্চলে সাধারণত শাক- সবজি করার মতো উঁচু জমির যথেষ্ট অভাব। এ ক্ষেত্রে জমির উঁচু আইল সহায়ক ভূমিকা পালন করে। উঁচু আইলে আগাম পালংশাকের বীজ বপন করা যায়। জমির আইলে পালংশাকসহ বিভিন্ন শাকসবজির চাষ করলে তা একদিকে যেমন আয়শার পরিবারের পুষ্টির চাহিদা পূরণ করবে অন্যদিকে দেশের শাকসবজির চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। উপরন্তু আর্থিকভাবেও লাভবান হবেন আয়েশা বেগম।
পরিশেষে বলা যায়, আয়শা বেগমের পরিকল্পনা কৃষি উৎপাদন অনেকাংশে বাড়িয়ে দেবে।

5 সমন্বিত চাষ কাকে বলে? (জ্ঞানমূলক)

Created: 1 year ago | Updated: 7 months ago
Updated: 7 months ago

একই জমিতে একই সময়ে একাধিক ফসল উৎপাদন করাকে সমন্বিত চাষ বলে।

সমন্বিত চাষে একই ভূমিতে একই সার্থে অনেকগুলো ফসল একত্রে পরিকল্পনামাফিক চাষ করা হয়।
অর্থাৎ, সমন্বিত চাষের ক্ষেত্রে পৃথক পৃথক ফসলের জন্য পৃথক কোনো জমির প্রয়োজন হয় না। যেমন- পুকুরে মাছ ও হাঁস চাষ। এতে অপচয় কম হওয়ায় জমির ব্যবহার সর্বোচ্চ হয়। কেননা জমির পতিত অংশ বা ফাঁকা অংশ কম থাকে বলে এ ধরনের চাষে ভূমির ব্যবহার দ্বিগুণ হয়।

Promotion
NEW SATT AI এখন আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

Are you sure to start over?

Loading...