Academy

মি চয়ন সিলেটে একটা জমি রেজিস্ট্রি করবেন। তাই ঢাকা থেকে সিলেটে ২৫ লক্ষ টাকা নিতে হবে। ব্যাংক কর্মকর্তার পরামর্শে ব্যাংক কর্তৃক লেখা এমন একটা দলিল সংগ্রহ করলেন যা সিলেটে যেয়ে নির্দিষ্ট শাখায় উপস্থাপন করে তিনি উঠাতে পারবেন। সিলেটে পৌঁছে মি. চয়ন জমি বিক্রেতাকে এমন নোট দিতে চাইলেন, যার প্রতিটার ওপর বাংলাদেশ ব্যাংক-এর গভর্নরের স্বাক্ষর রয়েছে। বিক্রেতা বলল, আমাকে ব্যাংক প্রস্তুতকৃত এমন দলিল সংগ্রহ করে দিন যেখানে আমাকে অর্থ প্রদানের নিশ্চিত প্রতিশ্রুতি থাকবে। 

মি. চয়ন ব্যাংক থেকে প্রথমে কোন দলিল সংগ্রহ করেছেন? ব্যাখ্যা করো। (প্রয়োগ)

Created: 10 months ago | Updated: 8 months ago
Updated: 8 months ago
Ans :

উদ্দীপকে মি. চয়ন ব্যাংক থেকে প্রথমে ব্যাংক ড্রাফট বা আজ্ঞাপত্র সংগ্রহ করেছেন।

এ দলিল প্রস্তুতকারী কর্তৃক স্বাক্ষরিত কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে অর্থ পরিশোধের জন্য এক ব্যাংক কর্তৃক অন্য কোনো ব্যাংক বা শাখার ওপর লিখিত নির্দেশ। নিরাপদে অর্থ স্তানান্তরের জন্য এটি ব্যবহার করা হয়।
এর অর্থ প্রাপককে ৩ মাসের মধ্যে সংগ্রহ করতে হয়।

উদ্দীপকে মি. চয়ন একটা জমি রেজিস্ট্রি করবেন। তাই তাকে ঢাকা থেকে সিলেটে ২৫ লক্ষ টাকা পাঠাতে হবে। নিরাপদে অর্থ স্থানান্তরের জন্য তিনি ব্যাংক কর্মকর্তার পরামর্শ নিয়ে ব্যাংক কর্তৃক একটি দলিলে ইস্যু করেছেন। তারপর তিনি সিলেটে গিয়ে নির্দিষ্ট শাখায় দলিলটি উপস্থাপন করে অর্থ সংগ্রহ করতে পারবেন। এখানে দলিলটিতে ব্যাংক কর্তৃক নির্দিষ্ট শাখাকে অর্থ পরিশোধের নির্দেশকে বোঝানো হচ্ছে। তাই বলা যায়, মি. চয়নকে ব্যাংক প্রথমে আজ্ঞাপত্র দিয়েছে।

10 months ago

হস্তান্তরযোগ্য ঋণের দলিল

**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View More

1 ব্যাংক ড্রাফট কী? (জ্ঞানমূলক)

Created: 10 months ago | Updated: 8 months ago
Updated: 8 months ago

চাওয়ামাত্র প্রাপককে অর্থ পরিশোধের জন্য ব্যাংকের এক শাখা, অন্য শাখা বা প্রতিনিধি ব্যাংককে যে লিখিত নির্দেশ দেয় তাকে ব্যাংক ড্রাফট বলে।

মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবস্থায় মোবাইল ফোন ব্যবহার করে গ্রাহক ব্যাংকিং সুবিধা পাওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন বিল পরিশোধের সুযোগ পায়, যা মোবাইল ব্যাংকিং সেবাকে জনপ্রিয় করেছে।

আধুনিক ব্যাংকিং-এর নতুন সংযোজন হলো মোবাইল ব্যাংকিং। বাংলাদেশে ব্র্যাক ব্যাংক বিকাশ নামে ও ডাচ্-বাংলা ব্যাংক রকেট নামে এ ধরনের ব্যাংকিং চালু করেছে, যা আমাদের দেশে মোবাইল ব্যাংকিংকে জনপ্রিয় করেছে।

উদ্দীপকে রুবিয়া তার মায়ের নিকট হতে সরকারি নোট পেল।

কোনো দেশের সরকার কর্তৃক ইস্যুকৃত নোটই হলো সরকারি নোট। সরকারের অর্থ মন্ত্রাণালয়ের অধীনে এ নোট ছাপা হয়। এ নোটে সরকারের পক্ষে অর্থসচিব স্বাক্ষর করেন।

উদ্দীপকে উল্লেখ্য, বাজারে যাওয়ার সময় রুবিয়ার বাবা তাকে ৫ টাকা এবং ১০ টাকার কিছু নোট দিল। আবার তার মা তাকে ২ টাকার কিছু নোট দিল। ২ টাকার নোটে সে অর্থ সচিবের স্বাক্ষর এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার লেখা দেখতে পেল। রুবিয়ার এ ২ টাকার নোটগুলোর সাথে সরকারি নোটের মিল রয়েছে। জনসাধারণের উদ্দেশ্যে সরকার এ ধরনের নোট ইস্যু করে। এ নোটে 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার', 'বাংলাদেশ সরকার' শব্দসমূহ লিখা থাকে। এছাড়া, এ নোটের ওপর সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের লোগোও থাকে। যা রুবিয়ার ২ টাকার নোটেও রয়েছে। তাই বলা যায়, রুবিয়া তার মায়ের কাছ থেকে সরকারি নোট পেল।

'বড় অঙ্কের অর্থ লেনদেনের ক্ষেত্রে রুবিয়ার বাবার দেওয়া নোট তার মায়ের দেওয়া নোট থেকে অধিক গুরুত্বপূর্ণ'- বক্তব্যটির সাথে আমি একমত।

সরকারের অনুমতি নিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক যে কাগজি মুদ্রা বা নোট ইস্যু করে তা হলো ব্যাংক নোট। এ নোটে ব্যাংকের গর্ভনরের স্বাক্ষর থাকে।

বাংলাদেশে ৫, ১০, ২০, ৫০, ১০০, ২০০, ৫০০ এবং ১,০০০ টাকা ব্যাংক নোট হিসেবে প্রচলিত।

উদ্দীপকে রুবিয়ার বাবা তাকে ৫ টাকা এবং ১০ টাকার কিছু নোট দিল। আর তার মা তাকে ২ টাকার কিছু নোেট দিল। এক্ষেত্রে ৫ ও ১০ টাকার নোট ব্যাংক নোট। অন্যদিকে, ২ টাকার নোেট সরকারি নোট।

১ টাকা ও ২ টাকার সরকারি নোট দিয়ে বড় লেনদেন করা সম্ভব না। উদাহরণস্বরূপ- রুবিয়া মুদি দোকান থেকে পানি কিনে দোকানদারকে ১০০ টাকার একটি নোট দেয়। সে দোকানদারের কাছ থেকে ৫০ টাকার, ২০ টাকার ও ২ টাকার নোটগুলো ফেরত পায়। এক্ষেত্রে দোকানদার সরকারি নোটের মাধ্যমে ফেরত দিতে চাইলে অনেকগুলো সরকারি নোটের প্রয়োজন হতো। আবার রুবিয়ার সরকারি নোটের মাধ্যমে পানি কিনতেও অনেকগুলো নোটের প্রয়োজন পড়তো। কিন্তু ব্যাংক নোটের মাধ্যমে এ লেনদেন খুব সহজে ও অল্প নোটের মাধ্যমে করা যায়। এছাড়া লেনদেন লক্ষ বা কোটিতে করা হলে সরকারি নোটে তা অসম্ভব ছিলো। তাই বলা যায়, বড় ধরনের আর্থিক লেনদেনের জন্য ব্যাংক নোটই বেশি উপযোগী।

নোট: ২০১৬ সালের জুন মাস থেকে ৫ টাকার নোট সরকারি নোটের অন্তর্ভূক্ত হয়। পূর্বে ৫ টাকার নোট ব্যাংক নোট ছিল। ৫ টাকার নোটকে ব্যাংক নোট ধরে উত্তর দেওয়া হলো।

5 তালিকাভুক্ত ব্যাংক কী? (জ্ঞানমূলক)

Created: 10 months ago | Updated: 8 months ago
Updated: 8 months ago

যে ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রদত্ত নীতিমালা মেনে চলার শর্তে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অধীনে তালিকাভুক্ত হয়ে নিয়ন্ত্রিত ও পরিচালিত হয় তাকে তালিকাভুক্ত ব্যাংক বলে।

সরকারের পক্ষে অর্থসংক্রান্ত কাজ সম্পাদন ও পরামর্শ দেওয়ায় কেন্দ্রীয় ব্যাংককে সরকারের ব্যাংক বলা হয়।

এই ব্যাংক দেশের ব্যাংক ও মুদ্রা ব্যবস্থার নেতৃত্ব দিতে সরকারের মালিকানায় ও নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মালিক, পরিচালক ও নিয়ন্ত্রক সরকার। এই ব্যাংক সরকারের পক্ষে অর্থ লেনদেন করে, হিসাব রাখে ও সরকারকে প্রয়োজনে ঋণ দেয়।

Promotion
NEW SATT AI এখন আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

Are you sure to start over?

Loading...