জনাব মারুফ কয়েকদিন আগে একটি রাষ্ট্রে ভ্রমণ করেন। সেখানে গিয়ে তিনি দেখেন, ওই রাষ্ট্রের রাষ্ট্রীয় ও সেবা কার্যক্রমে অনলাইনের কোনো ব্যবহার নেই। প্রশাসনের কর্মকর্তারা অদক্ষ ও দুর্নীতিপরায়ণ। জনগণকে সরকারি তথ্যও এখানে জানতে দেওয়া হয় না। রাষ্ট্রটিতে সরকার ও জনগণের মধ্যে সুসম্পর্ক নেই।
উদ্দীপকের রাষ্ট্রটির শাসনব্যবস্থার উন্নয়নে রাষ্ট্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা, কর্মকর্তাদের দক্ষতা, দুর্নীতি প্রতিরোধ, তথ্য প্রাপ্তির সহজলভ্যতা এবং শাসকদের সাথে জনগণের সম্পর্কে উন্নয়ন ঘটাতে হবে। এক্ষেত্রে বিভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বনের মাধ্যমে শাসনব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটানো সম্ভব হবে বলে আমি মনে করি। যেমন-
কর্মকর্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি: একটি রাষ্ট্রের প্রশাসনে যারা কাজ করে তারা যদি দক্ষ না হয় তাহলে সেই রাষ্ট্রের উন্নয়ন সম্ভব নয়। কেননা কর্মকার্তাদের দক্ষতার ওপরই রাষ্ট্রের সফলতা-ব্যর্থতা নির্ভর করে।
দুর্নীতি প্রতিরোধ: দুর্নীতি এমন একটা বিষয় যা যেকোনো দেশের উন্নয়নের জন্য সবচেয়ে বড় বাধা। এজন্য উদ্দীপকের রাষ্ট্রের উন্নয়নের জন্য অবশ্যই রাষ্ট্রের দুর্নীতি প্রতিরোধ করতে হবে।
তথ্যপ্রাপ্তির সহজলভ্যতা: তথ্যপ্রাপ্তির সহজলভ্যতা একটি রাষ্ট্রের জনগণকে রাষ্ট্র সম্পর্কে জানতে সহায়তা করে। তথ্য পাওয়ার মাধ্যমে জনগণ জানতে পারে রাষ্ট্র কীভাবে, কোন দিকে পরিচালিত হচ্ছে। এভাবে জনগণ রাষ্ট্রের ভালো-মন্দ জানার মাধ্যমে ভালো কাজের প্রতি উৎসাহী হতে পারে। যা রাষ্ট্রের উন্নয়ন ঘটায়।
শাসক-শাসিতের মধ্যে সুসম্পর্ক তৈরি কোনো রাষ্ট্রে শাসক-শাসিতের মধ্যে যদি সুসম্পর্ক বিরাজ না করে তাহলে সেই রাষ্ট্রে কখনোই উন্নয়ন সম্ভব নয়। এজন্য উদ্দীপকের রাষ্ট্রটির শাসন ব্যবস্থায় উন্নয়নের জন্য অবশ্যই সরকার ও জনগণের মধ্যে সুসম্পর্ক তৈরি করতে হবে।
এসব পদ্ধতি প্রয়োগের মাধ্যমে শাসনব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটবে বলে আমি মনে করি।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?