Academy

সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও সমাধান

Created: 4 months ago | Updated: 3 months ago
Updated: 3 months ago
Ans :

রেচন পদার্থ বলতে মূলত নাইট্রোজেনঘটিত বর্জ্য পদার্থকে বোঝায়।

4 months ago

রেচন প্রক্রিয়া

শরীরের ভিতরে প্রতিস্থাপনের উপযোগী কিডনি আবিষ্কার করেছেন
বাংলাদেশের বিজ্ঞানি ড. শুভ রায়

জীবদেহে কোষের ভিতরে অসংখ্য রাসায়নিক ক্রিয়া ঘটে। এতে জীবদেহের শারীরবৃত্তীয় কাজগুলো সুচারুরূপে সম্পাদিত হয়, জীব বেঁচে থাকে। রাসায়নিক ক্রিয়ার ফলে উৎপন্ন কিছু পদার্থ দেহের জন্য অপরিহার্য আবার কিছু পদার্থ দেহের জন্য ক্ষতিকর। এই ক্ষতিকর পদার্থগুলো দেহ থেকে বের করে দেওয়া খুবই জরুরি। যেমন শ্বসনের সময় গ্লুকোজ ভেঙে কার্বন ডাই-অক্সাইড উৎপন্ন হয়, রক্ত এই কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবহন করে ফুসফুসে নিয়ে যায় এবং ফুসফুস থেকে দেহের বাইরে নির্গত হয়। একইভাবে বৃক্ক বা কিডনি নাইট্রোজেনঘটিত বর্জ্য ও অতিরিক্ত অন্ন শরীর থেকে বের করে দেয়।
এ অধ্যায়ে দেহ থেকে বৃক্ক কর্তৃক ঘটিত বিভিন্ন ধরনের বর্জ্যপদার্থ নিষ্কাশন এবং বৃক্কের নানা রোপ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

এই অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা


• মানুষের রেচন ব্যাখ্যা করতে পারব
• মানবদেহে উৎপন্ন রেচন পদার্থের বর্ণনা করতে পারব
• বৃক্কের গঠন ও কাজ বর্ণনা করতে পারব
• নেফ্রনের গঠন ও কাজ বর্ণনা করতে পারব
• অসমোরেগুলেশনে বৃক্কের ভূমিকা ব্যাখ্যা করতে পারব
বৃক্কে পাথর সৃষ্টি প্রতিরোধ এবং প্রতিকার বর্ণনা করতে পারব
• বৃক্ক বিকলের লক্ষণ ও করণীয় বর্ণনা করতে পারব
• বৃক্কের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতে ডায়ালাইসিসের ভূমিকা ব্যাখ্যা করতে পারব
• বৃক্ক প্রতিস্থাপন এবং মরণোত্তর বৃক্কদানের ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারব
• মূত্রনালির রোগ ও সুস্থ থাকার উপায় বর্ণনা করতে পারব
• মরণোত্তর বৃক্কদান বিষয়ে জনমত নিরুপণের একটি অনুসন্ধান কাজ করতে পারব
•মানববৃক্ক ও নেফ্রনের চিত্র অঙ্কন করে চিহ্নিত করতে পারব
•সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টির জন্য মরণোত্তর বৃক্ক দান বিষয়ে পোস্টার অঙ্কন করতে পারব
•বৃক্ক ও মূত্রনালির সুস্থতা রক্ষায় সচেতনতা সৃষ্টি করতে লিফলেট অঙ্কন করতে পারব
• বৃক্ক ও মূত্রনালির সুস্থতায় সচেতনতা সৃষ্টি করতে পারব
• মরণোত্তর বৃক্কদান বিষয়েসামাজিক সচেতনতা সৃষ্টি করতে পারব।

Content added || updated By

Related Question

View More

1 মেডুলা কী? (জ্ঞানমূলক)

Created: 1 year ago | Updated: 7 months ago
Updated: 7 months ago

বৃক্কের ভেতরের গাঢ় কালচে রঙের অংশই হলো মেডুলা।

2 গ্লোমেরুলাস বলতে কী বোঝায়? (অনুধাবন)

Created: 1 year ago | Updated: 7 months ago
Updated: 7 months ago

নেফ্রনের বোম্যান্স ক্যাপসুলের ভেতর একগুচ্ছ কৈশিক জালিকা দিয়ে তৈরি অঙ্গই হলো গ্লোমেরুলাস। রেনাল ধমনি থেকে সৃষ্ট অ্যাফারেন্ট আর্টারিওল ক্যাপসুলের ভেতর ঢুকে প্রায় ৫০টি কৈশিক নালিকা তৈরি করে। এগুলো আবার বিভক্ত হয়ে সূক্ষ্ম রক্তজালিকার সৃষ্টি করে। গ্লোমেরুলাস ছাঁকনির মতো কাজ করে রক্ত থেকে পরিসুত তরল উৎপন্ন করে।

চিত্র-A হলো মানবদেহের গুরুত্বপূর্ণ রেচন অঙ্গ-'বৃদ্ধ'। রেচন মানবদেহের একটি জৈবিক প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে দেহে বিপাক ক্রিয়ায় উৎপন্ন বর্জ্য বা বিষাক্ত পদার্থগুলো বাইরে নিষ্কাশিত হয়। বিপাক ক্রিয়ায় আমাদের দেহে যে সকল বর্জ্য বা বিষাক্ত পদার্থ তৈরি হয় তা হলো- ইউরিয়া, ইউরিক এসিড, লবণ, ক্রিয়েটিনিন, সোডিয়াম, পটাশিয়াম, অ্যামাইনো এসিড ইত্যাদি। এগুলো রক্তের সাথে মিশে থাকে। বৃক্কের কার্যকরী একককে বলা হয় নেফ্রন। নেফ্রনের বোম্যান্স ক্যাপসুলের ভেতর থাকে এক গুচ্ছ কৈশিক জালিকা দিয়ে তৈরি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ গ্লোমেরুলাস। গ্লোমেরুলাস ছাঁকনির মতো কাজ করে। বিপাক ক্রিয়ায় সৃষ্ট বর্জ্য বা বিষাক্ত পদার্থসহ রক্ত যখন গ্লোমেরুলাসে আসে তখন রক্ত থেকে সক্রিয় ছাঁকন পদ্ধতিতে বর্জ্য ও বিষাক্ত পদার্থগুলো বোম্যান্স ক্যাপসুলের গহ্বরে প্রবেশ করে। ফলে রক্ত পরিশোধিত হয়। বর্জ্য বা বিষাক্ত পদার্থগুলো পরবর্তীতে মূত্রের সঙ্গে বাইরে বের হয়ে আসে। যেহেতু চিত্র-৭ এর অর্থাৎ বৃক্কের গ্লোমেরুলাস মূলত ছাঁকন পদ্ধতিতে রক্ত থেকে বর্জ্য বা দূষিত পদার্থগুলোকে অপসারণ করে তাই একে (চিত্র-A) ছাঁকনির সাথে তুলনা করা হয়।

চিত্র-A হলো বৃক্ক। অঙ্গটি অর্থাৎ বৃক্ক বিকল হলে একমাত্র প্রতিস্থাপনের মাধ্যমেই এর প্রতিরোধ ব্যবস্থা নেওযা সম্ভব। যখন কোনো ব্যক্তির বৃক্ক বিকল হয়ে পড়ে তখন কোন সুস্থ ব্যক্তির বৃদ্ধ তার দেহে প্রতিস্থাপন করা হয়। তখন একে বৃক্ক সংযোজন বলে। বৃক্ক সংযোজন দুভাবে করা যায়, কোনো নিকট আত্মীয়ের বৃদ্ধ একজন রোগীর দেহে প্রতিস্থাপন করে এটি করা যায়। তবে নিকট আত্মীয় বলতে বাবা, মা, ভাই, বোন, মামা, খালাকে বোঝায়। আবার মৃত ব্যক্তির বৃক্ক নিয়ে রোগীর দেহে প্রতিস্থাপন করা যায়। মৃত ব্যক্তি বলতে 'ব্রেন ডেথ' বোঝায়। তাছাড়া মরণোত্তর চক্ষুদানের মতো মরনোত্তর বৃক্কদানের মাধ্যমে একজন বৃক্ক বিকল বা অকেজো রোগীর জীবন বাঁচানো সম্ভবপর হতে পারে। সমগ্র পৃথিবীতে লক্ষ লক্ষ বৃত্ত অকেজো রোগী বৃক্ক সংযোজনের মাধ্যমে সুস্থ জীবন যাপন করছে। বৃক্ক প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রে টিস্যু ম্যাচ করে নেওয়া আবশ্যক। পিতামাতা, ভাইবোন ও নিকট আত্মীয়ের বৃক্কের টিস্যু ম্যাচ হবার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি, একারণে পিতা মাতা, ভাইবোন বা নিকট আত্মীয়ের বৃদ্ধ প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে বিকল বৃক্কের প্রতিরোধ ব্যবস্থায় ঝুঁকির হার অনেক কম থাকে।

5 ডায়ালাইসিস কী? (জ্ঞানমূলক)

Created: 1 year ago | Updated: 7 months ago
Updated: 7 months ago

বৃক্ক সম্পূর্ণ বিকল হওয়ার পর বৈজ্ঞানিক উপায়ে রক্ত পরিশোধিত করার নামই হলো ডায়ালাইসিস।

মূত্রের উপাদানগুলোর মধ্যে রয়েছে প্রায় ৯০ ভাগই পানি। এছাড়া মূত্রের অন্যান্য উপাদানগুলোর মধ্যে রয়েছে ইউরিয়া, ইউরিক এসিড, ক্রিয়েটিনিন, বিভিন্ন ধরনের লবণ এবং ইউরোক্রোম নামক রঞ্জক পদার্থ।

Promotion
NEW SATT AI এখন আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

Are you sure to start over?

Loading...