শফিক ও তুহিন দুই বন্ধু। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা শেষে শফিক শিক্ষকতায় যোগ দিয়েছে। শফিক শিক্ষকদের দাবি-দাওয়া আদায়েও কাজ করে যাচ্ছে। শিক্ষকদের পেশাগত উন্নয়ন ও অধিকার আদায়ের জন্য শফিক একটি সংগঠন গড়ে তুলেছে। অন্যদিকে, তুহিন তার অন্যান্য সমমনা বন্ধুদের সাথে রাজনৈতিক সংগঠনে যোগ দিয়েছে। আগামী জাতীয় নির্বাচনে ওই সংগঠনের ব্যানারে তুহিন প্রার্থী হওয়ার কথা ভাবছে। কারণ তুহিন মনে করে, রাজনৈতিক ক্ষমতা অর্জন ছাড়া জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা অসম্ভব।
উদ্দীপকে শফিক ও তুহিনের সংগঠনের দ্বারা রাজনৈতিক দল ও চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী এ দুই সংগঠনকে বোঝানো হয়েছে। নিচে এ দুটি সংগঠনের মধ্যে তুলনামূলক বিশ্লেষণ করা হলো-
রাজনৈতিক দলগুলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য সাধনের জন্য সাধারণ নীতিমালা প্রণয়ন ও কার্যকরী করে সরকারি ক্ষমতা অর্জনের জন্য তৎপর থাকে। অপরদিকে চাপসৃষ্টিকারী সংগঠন হচ্ছে এমন এক গোষ্ঠী যার সদস্যগণ সমজাতীয় মনোভাব এবং স্বার্থের দ্বারা আবদ্ধ।
রাজনৈতিক দলের সামনে বৃহৎ জাতীয় কল্যাণের লক্ষ্য থাকে যা চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর মধ্যে থাকে না।
সাংগঠনিক দিক থেকে রাজনৈতিক দল অনেক শক্তিশালী কিন্তু সাংগঠনিকভাবে চাপসৃষ্টিকারী সংগঠন অনেক দুর্বল।
রাজনৈতিক দলের মূল লক্ষ্য হলো রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখল কিন্তু চাপসৃষ্টিকারী সংগঠনের লক্ষ্য হলো সরকারি সিদ্ধান্তকে নিজেদের অনুকূলে প্রভাবিত করা।
রাজনৈতিক দলের কাজকর্ম প্রকাশ্য ও প্রত্যক্ষ। কিন্তু চাপসৃষ্টিকারী সংগঠনের কাজকর্ম সবসময় প্রকাশ্য থাকে না।
রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে কিন্তু চাপসৃস্টিকারী সংগঠন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে না।
রাজনৈতিক দলে নেতৃত্বের স্তরভেদ দেখা যায় কিন্তু চাপসৃষ্টিকারী সংগঠনে নেতৃত্বের স্তরভেদ দেখা যায় না।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?