Academy

এলাকায় একজন ভালো মানুষ হিসেবে চেয়ারম্যান আজমল সাহেবের যথেষ্ট সুনাম রয়েছে, কিন্তু তাঁর ছেলে কারণে-অকারণে বাড়ির কাজের লোক, আশপাশের খেটে খাওয়া মানুষের সাথে খারাপ আচরণ করে, তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করে। চেয়ারম্যান ছেলেকে ডেকে বুঝিয়ে বলেন, তুমি যাদের আজ তুচ্ছ জ্ঞান করছ- সত্যিকার অর্থে তারাই আধুনিক সভ্যতার নির্মাতা, তাদের কারণেই আমরা সুন্দর জীবন যাপন করছি।

'শুধিতে হইবে ঋণ' কথাটির দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে? (অনুধাবন)

Created: 6 months ago | Updated: 5 months ago
Updated: 5 months ago
Ans :

'শুধিতে হইবে ঋণ' কথাটির দ্বারা শ্রমজীবীদের শুভদিন আগমনের বিষয়টিকে বোঝানো হয়েছে।

যুগে যুগে শ্রমিকদের শ্রমেই গড়ে উঠেছে মানবসভ্যতা। তারাই সভ্যতার প্রকৃত রূপকার। কিন্তু তাদের এই শ্রম ও ত্যাগ সর্বদাই উপেক্ষিত হয়েছে। আলোচ্য কবিতায় কবি এসব শ্রমজীবী মানুষের বন্দনা করে বলেছেন যে তাদের জন্য শুভদিন আসছে। তাদের প্রতি ধনিকশ্রেণির জমে থাকা ঋণ শোধ করতে হবে। অর্থাৎ তাদেরকে তাদের প্রাপ্য মর্যাদা ফিরিয়ে দিতে হবে।

6 months ago

সপ্তবর্ণা

📘 সপ্তবর্ণা – সপ্তম শ্রেণি | NCTB অনুমোদিত ২০২৫

আপনি কি খুঁজছেন “সপ্তবর্ণা – সপ্তম শ্রেণি” বইয়ের অধ্যায়ভিত্তিক ব্যাখ্যা, প্রশ্ন–উত্তর ও PDF ডাউনলোড?
তাহলে SATT Academy–তে আপনি ঠিক জায়গাতেই এসেছেন!

আমরা এনেছি সপ্তম শ্রেণির বাংলা সাহিত্যের বই সপ্তবর্ণা–এর আধুনিক ও শিক্ষার্থীবান্ধব ভার্সন — যেখানে আছে সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা, MCQ কুইজ, ভিডিও পাঠ, লাইভ টেস্ট এবং অধ্যায়ভিত্তিক প্রশ্ন–উত্তর — এক জায়গায়।


✅ এখানে যা পাবেন:

  • প্রতিটি অধ্যায়ের সহজ ও বিস্তারিত ব্যাখ্যা
  • সৃজনশীল প্রশ্ন, সংক্ষিপ্ত উত্তর ও অনুধাবনমূলক ব্যাখ্যা
  • লাইভ টেস্ট ও কুইজ, প্রস্তুতি যাচাইয়ের জন্য
  • ভিডিও পাঠ ও অডিও পাঠ – শ্রবণভিত্তিক শিক্ষায় সহায়ক
  • ছবি ও PDF ডাউনলোড সুবিধা (নির্দিষ্ট ফিচারে ফি প্রযোজ্য)
  • কমিউনিটি ব্যাখ্যা ও গাইডলাইন

📥 NCTB PDF ডাউনলোড লিংক (২০২৫):

🔗 সপ্তবর্ণা – সপ্তম শ্রেণি PDF ডাউনলোড
(সরকারি ওয়েবসাইট থেকে সরাসরি ডাউনলোড করা যাবে)


👨‍🏫 এই কনটেন্ট কার জন্য উপযোগী?

  • শিক্ষার্থীদের জন্য: সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা ও টেস্টের মাধ্যমে শেখা
  • শিক্ষকদের জন্য: ক্লাসে উপস্থাপন বা গাইড হিসেবে ব্যবহার
  • অভিভাবকদের জন্য: সন্তানের পড়াশোনা বুঝতে সহায়ক
  • টিউটর ও কোচিংয়ের জন্য: অধ্যায়ভিত্তিক প্রশ্ন–উত্তর সংগ্রহের সহজ মাধ্যম

⚙️ কীভাবে ব্যবহার করবেন?

  • SATT Academy–তে “সপ্তবর্ণা” ক্লাস ৭ নির্বাচন করুন
  • অধ্যায় সিলেক্ট করে পাঠ ব্যাখ্যা ও প্রশ্ন–উত্তর পড়ুন
  • কুইজ ও লাইভ টেস্টে অংশগ্রহণ করুন
  • চাইলে PDF/ছবি ডাউনলোড করে অফলাইন পড়ুন
  • ব্যাখ্যা বা সাজেশন যোগ করুন, কমিউনিটি-সম্পাদনায় অংশ নিন

✨ কেন পড়বেন SATT Academy–তে?

  • ✅ NCTB ২০২৫ সংস্করণ অনুযায়ী সাজানো কনটেন্ট
  • ✅ ১০০% শিক্ষার্থী-ফোকাসড ডিজাইন
  • ✅ ভিডিও ও ইন্টার‍্যাক্টিভ টেস্ট ফিচার
  • ✅ মোবাইল ও ট্যাবলেট ফ্রেন্ডলি
  • ✅ ফ্রি + প্রিমিয়াম উভয় সুবিধা

🔍 সার্চ-সহায়ক কীওয়ার্ড:

  • সপ্তবর্ণা সপ্তম শ্রেণি PDF
  • Class 7 Bangla Literature Saptabarna Book
  • Saptabarna Class 7 MCQ, CQ, Suggestion
  • SATT Academy Class 7 Bangla Question Answer
  • সপ্তবর্ণা ব্যাখ্যা, অনুধাবনমূলক প্রশ্ন, সংক্ষিপ্ত উত্তর

🚀 এখনই শুরু করুন "সপ্তবর্ণা" অধ্যয়ন

SATT Academy–এর সহযোগিতায় এখন সপ্তবর্ণা বই পড়া আরও সহজ, মজাদার ও ফলপ্রসূ।
সঠিক প্রস্তুতির শুরু হোক এখান থেকেই।

🎓 SATT Academy – শিক্ষার্থীর হাতের নাগালে সহজ ও আধুনিক শিক্ষা।

Content added By

Related Question

View More

'কুলি-মজুর' কবিতায় রেলপথে বাষ্প-শকট চলে।

আজমল সাহেবের ছেলের আচরণে 'কুলি-মজুর' কবিতার ধনিকশ্রেণির দাম্ভিক মনোভাবের দিকটি প্রকাশ পেয়েছে।

শ্রমজীবী মানুষের শ্রমের বিনিময়ে তিলে তিলে গড়ে উঠেছে বিশ্বসভ্যতা। তাদের শ্রম ও ত্যাগের ফলে পৃথিবীব্যাপী উন্নয়নের চাকা আজও সচল রয়েছে। তবুও তারাই সর্বদা অবহেলা, বঞ্চনার শিকার হয়েছে। উদ্দীপকের চেয়ারম্যান সাহেবের ছেলের আচরণে নিচু শ্রেণির মানুষের প্রতি অবহেলার মনোভাব প্রকাশ পেয়েছে।

উদ্দীপকের চেয়ারম্যান সাহেব ভালো মানুষ হিসেবে পরিচিত হলেও তার ছেলে দাম্ভিক ও অত্যাচারী। সে বাড়ির কাজের লোক, আশপাশের দরিদ্র খেটে খাওয়া মানুষদের তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে। তাদের সাথে কারণে-অকারণে খারাপ আচরণ করে। আলোচ্য 'কুলি-মজুর' কবিতায়ও দেখা যায় রেলস্টেশনে এক বাবু সাব এক কুলিকে ঠেলে মাটিতে ফেলে দেয়। এর মধ্য দিয়ে বাবু সাহেবের মধ্যে অত্যাচারী ধনিকশ্রেণির দাম্ভিক মানসিকতা লক্ষ করা যায়। এদিকটি উদ্দীপকের চেয়ারম্যান সাহেবের ছেলের আচরণেও পরিলক্ষিত হয়। এ বিবেচনায় উদ্দীপকের চেয়ারম্যান সাহেবের ছেলের মধ্যে আলোচ্য কবিতার বাবু সাহেবের দাম্ভিক ও অত্যাচারী মনোভাব প্রকাশ পেয়েছে।

শ্রমজীবী মানুষের বন্দনা করার প্রেক্ষাপট বিচারে প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

শ্রমজীবী শ্রেণিই সভ্যতার মূল চালিকাশক্তি। ধনীদের আরাম-আয়েশের জন্য এসব শ্রমিক তাদের মাথার ঘাম পায়ে ফেলে পরিশ্রম করে। কিন্তু সে পরিশ্রমের বিনিময়ে তারা মজুরি তো পায়-ই না বরং তাদের ভাগ্যে জোটে কেবল অন্যায় আর অবহেলা। এখন সময় এসেছে তাদের শ্রমের স্বীকৃতি দেওয়ার।

'কুলি-মজুর' কবিতাটি মূলত শ্রমজীবী মানুষের বন্দনাগাথা। এ কবিতায় কবি খেটে খাওয়া মানুষের জয়গান গেয়েছেন। যুগ যুগ ধরে শ্রমজীবীদের ত্যাগের মহিমায় রচিত হয়েছে সভ্যতার অগ্রযাত্রার ইতিহাস। কিন্তু সেই শ্রমের মর্যাদা তারা কখনোই পায়নি। তাই কবি মনে করেন সভ্যতার প্রকৃত রূপকার এই শ্রমিকদের এখন জেগে ওঠার দিন এসেছে। তারা আজ নিজেদের অধিকার আদায়ে সচেষ্ট হবে। তাই কবি তাদের জয়গান গেয়েছেন, বন্দনা করেছেন তাদের অবিস্মরণীয় অবদানের।

উদ্দীপকের চেয়ারম্যান সাহেব 'কুলি-মজুর' কবিতার কবির মতোই একজন সচেতন মানুষ। তার ছেলে দরিদ্র-শ্রমজীবী মানুষদের সাথে খারাপ আচরণ করে। তা দেখে তিনি ছেলেকে ডেকে বুঝিয়ে বলেন, আজ আমরা যে সুন্দর ও বিলাসী জীবনযাপন করি তার মূলে রয়েছে সমাজের নিচু স্তরের খেটে খাওয়া মানুষের অসীম ত্যাগ-তিতিক্ষা। অর্থাৎ দেখা যাচ্ছে 'কুলি-মজুর' কবিতার কবি যেভাবে শ্রমজীবী মানুষের বন্দনা করেছেন, উদ্দীপকের চেয়ারম্যান সাহেবের কথায়ও সেই একই সুর ধ্বনিত হয়েছে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের চেয়ারম্যান সাহেবের মনোভাব 'কুলি-মজুর' কবিতার মূলভাবেরই প্রতিফলন।

শ্রমজীবী মানুষের অধিকারের কথা বলতে গিয়ে কবি প্রদত্ত উত্তটি করেছেন। 'কুলি-মজুর' কবিতায় কবি কলম ধরেছেন মানুষের অধিকারের পক্ষে। কবিতায় তিনি শ্রমজীবী কুলি-মজুরদের দধীচিমুনির সঙ্গে তুলনা করেছেন। যাদের রক্ত, ঘামে সভ্যতার বিকাশ, তারাই আজ অবহেলিত। তাদের শ্রমের উপর ভর করে যারা ধনী হয়েছেন, তারাই সব সুবিধাভোগী। লেখক তাই এসব স্বার্থান্বেষী সুবিধাভোগী মহলের মুখোশ উন্মোচন করে শ্রমজীবী মানুষের জয়গান গেয়েছেন।

উদ্দীপকের রেখাচিত্রের বাম পাশে 'কুলি-মজুর' কবিতার শ্রমজীবীদের বন্দনা ও শোষক শ্রেণির দ্বারা লাঞ্ছিত হওয়ার দিকটি ফুটে উঠেছে।

'কুলি-মজুর' কবিতায় কবি শ্রমজীবী মানুষদের বন্দনা করেছেন। সমাজের প্রতিটি স্তরে তাদের অবদান রয়েছে। রাজপথের গাড়ি, সাগরের জাহাজ, উঁচু দালানকোঠা নির্মাণ সব কিছুই তাদের শ্রমের ফসল। কিন্তু যুগ যুগ ধরে সমাজে এই কুলি-মজুররাই সবচেয়ে বঞ্চিত ও উপেক্ষিত।

উদ্দীপকের বাম পাশের রেখাচিত্রে শ্রমজীবী মানুষের কথা বলা হয়েছে যারা মানবসভ্যতার কারিগর। যারা দিনরাত পরিশ্রম করে সভ্যতাকে বিনির্মাণ করে। অথচ তারা বঞ্চিত ও উপেক্ষিত। তথাকথিত ধনিকশ্রেণির কাছে তারা মূল্যহীন। মূলত 'কুলি-মজুর' কবিতা ও উদ্দীপক উভয় জায়গায় সমাজের শ্রমজীবী মানুষের অবস্থা ও অবদানের কথাই প্রকাশ পেয়েছে। তাই বলা যায় যে, উদ্দীপকের রেখাচিত্রের বাম পাশে আলোচ্য কবিতার শ্রমজীবীদের বন্দনা ও শোষক শ্রেণির লাঞ্ছিত হওয়ার দিকটি ফুটে উঠেছে।

Promotion
NEW SATT AI এখন আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

Are you sure to start over?

Loading...