মাহমুদ একজন ব্যবসায়ী। তার একটি ছোটখাটো মুদির দোকান আছে। সেই সাথে শেয়ারবাজারে সেকেন্ডারি মার্কেটে শেয়ার কেনাবেচার কাজও করে। শেয়ারের দাম যখন কম থাকে, তখন সে শেয়ার ক্রয় করে; আবার যখন শেয়ারের দাম বৃদ্ধি পায়, তখন শেয়ার বিক্রি করে লাভবান হন। তবে শেয়ারের দাম হঠাৎ কমে গেলে শেয়ার ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ ক্ষেত্রে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পুঁজিবাজারের স্থিতিশীলতার স্বার্থে শেয়ারের দামের অস্বাভাবিক ওঠানামা বন্ধ করার জন্য সরকারের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
শেয়ারবাজার বলতে মূলত সেকেন্ডারি মার্কেটে শেয়ার কেনাবেচা করাকেই বোঝায়। সেকেন্ডারি মার্কেটই হলো শেয়ারবাজারের প্রাণকেন্দ্র। সেকেন্ডারি মার্কেটে কোনো কোম্পানির শেয়ারের দাম ওঠানামা করতে পারে।
বাজারে শেয়ারের দাম বাড়লে বিনিয়োগকারীরা লাভবান হন। আবার দাম কমলে বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হন। শেয়ারের মূল্য মোটামুটি স্থিতিশীল থাকলে শেয়ারবাজারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা বজায় থাকে এবং শেয়ারবাজারে গতিশীলতা বৃদ্ধি পায়। শেয়ারবাজারে শেয়ারের দাম যখন হঠাৎ করেই দ্রুত বাড়তে থাকে, তখন কিছু অনভিজ্ঞ ক্রেতা অতি মুনাফার লোভে বিরাট অঙ্কের শেয়ার ক্রয় করেন। এরপর দ্রুত শেয়ারের দাম পড়ে গেলে এসব ক্রেতা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন এবং ক্ষেত্রবিশেষে সর্বস্বান্ত হন। তাই বিনিয়োগকারীদের এ ব্যবসায় সতর্কতার সাথে বিনিয়োগ করতে হবে। এছাড়া অতীত রেকর্ড দেখে কোম্পানির অবস্থা বুঝে তারপর শেয়ার ক্রয় করা উচিত। হঠাৎ করে দাম বেড়ে গেলেই যে সেই শেয়ারে লাভবান হওয়া যাবে, এমন চিন্তা না করে দেখে, শুনে ও বুঝে তারপর বিনিয়োগকারীদের শেয়ার ক্রয় করা উচিত। যদিও শেয়ারবাজারে শেয়ারের মূল্যের দ্রুত ও অস্বাভাবিক উঠানামা মোটেই কাম্য নয়, তবুও শেয়ার কেনাবেচার সময় উক্ত কোম্পানির বিভিন্ন দিক পর্যবেক্ষণ করে তারপরই ক্রয় করা ভাল।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?