Academy

মাহমুদ একজন ব্যবসায়ী। তার একটি ছোটখাটো মুদির দোকান আছে। সেই সাথে শেয়ারবাজারে সেকেন্ডারি মার্কেটে শেয়ার কেনাবেচার কাজও করে। শেয়ারের দাম যখন কম থাকে, তখন সে শেয়ার ক্রয় করে; আবার যখন শেয়ারের দাম বৃদ্ধি পায়, তখন শেয়ার বিক্রি করে লাভবান হন। তবে শেয়ারের দাম হঠাৎ কমে গেলে শেয়ার ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ ক্ষেত্রে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পুঁজিবাজারের স্থিতিশীলতার স্বার্থে শেয়ারের দামের অস্বাভাবিক ওঠানামা বন্ধ করার জন্য সরকারের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

শেয়ারবাজারে অস্বাভাবিক ওঠানামা রোধে তুমি কী ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ কর? (উচ্চতর দক্ষতা)

Created: 1 month ago | Updated: 1 month ago
Updated: 1 month ago
Ans :

শেয়ারবাজার বলতে মূলত সেকেন্ডারি মার্কেটে শেয়ার কেনাবেচা করাকেই বোঝায়। সেকেন্ডারি মার্কেটই হলো শেয়ারবাজারের প্রাণকেন্দ্র। সেকেন্ডারি মার্কেটে কোনো কোম্পানির শেয়ারের দাম ওঠানামা করতে পারে।  

বাজারে শেয়ারের দাম বাড়লে বিনিয়োগকারীরা লাভবান হন। আবার দাম কমলে বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হন। শেয়ারের মূল্য মোটামুটি স্থিতিশীল থাকলে শেয়ারবাজারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা বজায় থাকে এবং শেয়ারবাজারে গতিশীলতা বৃদ্ধি পায়। শেয়ারবাজারে শেয়ারের দাম যখন হঠাৎ করেই দ্রুত বাড়তে থাকে, তখন কিছু অনভিজ্ঞ ক্রেতা অতি মুনাফার লোভে বিরাট অঙ্কের শেয়ার ক্রয় করেন। এরপর দ্রুত শেয়ারের দাম পড়ে গেলে এসব ক্রেতা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন এবং ক্ষেত্রবিশেষে সর্বস্বান্ত হন। তাই বিনিয়োগকারীদের এ ব্যবসায় সতর্কতার সাথে বিনিয়োগ করতে হবে। এছাড়া অতীত রেকর্ড দেখে কোম্পানির অবস্থা বুঝে তারপর শেয়ার ক্রয় করা উচিত। হঠাৎ করে দাম বেড়ে গেলেই যে সেই শেয়ারে লাভবান হওয়া যাবে, এমন চিন্তা না করে দেখে, শুনে ও বুঝে তারপর বিনিয়োগকারীদের শেয়ার ক্রয় করা উচিত। যদিও শেয়ারবাজারে শেয়ারের মূল্যের দ্রুত ও অস্বাভাবিক উঠানামা মোটেই কাম্য নয়, তবুও শেয়ার কেনাবেচার সময় উক্ত কোম্পানির বিভিন্ন দিক পর্যবেক্ষণ করে তারপরই ক্রয় করা ভাল।

1 month ago

অর্থায়ন

**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View More

প্রয়োগগত দিক থেকে অর্থায়নকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়; যথা- (১) সরকারি অর্থায়ন, (২) বেসরকারি অর্থায়ন।

ব্যাংক জনগণের অর্থ গ্রহণ করে ব্যবসায় করে। আমানত গ্রহণ করার সময় ব্যাংক তেমন কোনো বিচার-বিবেচনা করে না, কিন্তু ঋণ প্রদানের সময় নানা রকম বিচার-বিবেচনা করে ঋণ প্রদান করে। ঋণ প্রদানের সময় যে বিষয়গুলো বিবেচনা করা হয় তাকে Five C's দ্বারা বোঝানো যেতে পারে; যথা-Character (চরিত্র), Capacity (ক্ষমতা), Collatoral (জামানত) Contract (চুক্তি), Capital (মূলধন)।

উদ্দীপকের অনুপম বাবু রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ঋণ গ্রহণ
করেছেন। নিচে উক্ত ব্যাংকের ঋণ কার্যক্রমের বর্ণনা করা হলো-অর্থসংস্থানে বাণিজ্যিক ব্যাংক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাণিজ্যিক ব্যাংক স্বল্পমেয়াদি ও মধ্যমেয়াদি ঋণ প্রদান করে। তবে ক্ষেত্রবিশেষে দীর্ঘমেয়াদি ঋণও প্রদান করে। বাংলাদেশে তিন ধরনের বাণিজ্যিক ব্যাংক রয়েছে। যথা: রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক, বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক ও বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংক। বাংলাদেশে বাণিজ্যিক ব্যাংক, বিশেষত রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক বিভিন্ন শিল্পের কার্যকরী ঋণ প্রদান করে থাকে। বিভিন্ন শিল্প স্বল্প মেয়াদে চলতি সম্পদ সংগ্রহের জন্য ব্যাংক থেকে এরূপ ঋণ সংগ্রহ করে। আবার অনেক সময় কনসোর্টিয়াম ব্যবস্থার অধীনে একাধিক বাণিজ্যিক ব্যাংক নতুন শিল্প প্রতিষ্ঠার জন্য বড় অঙ্কের ঋণ সরবরাহ করে।
কোনো কোনো রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক এককভাবে এরূপ ঋণ দীর্ঘ মেয়াদের জন্য প্রদান করে।

উদ্দীপকে উল্লিখিত ব্যাংকটি সোনালী ব্যাংক, যা বাংলাদেশের রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক। অর্থসংস্থানে এই ব্যাংক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এ ধরনের ব্যাংক স্বল্প ও মধ্যমেয়াদি ঋণ 

প্রদান করে। ক্ষেত্রবিশেষে এই ব্যাংক দীর্ঘমেয়াদি ঋণও প্রদান করে থাকে। আবার অনেক সময় কনসোর্টিয়াম ব্যবস্থার অধীনে একাধিক বাণিজ্যিক ব্যাংক নতুন শিল্প প্রতিষ্ঠার জন্য বড় অঙ্কের ঋণ সরবরাহ করে। পক্ষান্তরে, বিনিয়োগ ব্যাংক দীর্ঘমেয়াদি ঋণ প্রদান করে থাকে। বিনিয়োগ ব্যাংক অবলেখকের কাজও করে থাকে। বাংলাদেশে Investment Corporation of Bangladesh (ICB) একটি উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ ব্যাংক। এই ব্যাংক পুঁজিবাজার উন্নয়নে সহায়তাদান, পরামর্শ প্রদান, মূলধনের স্বল্পতা পূরণে সহায়তা করে থাকে। এছাড়া জনগণের সঞ্চয়কে একীভূতকরণ ও তার সঠিক বিনিয়োগ নিশ্চিত করে। এই ব্যাংক সাবসিডিয়ারি কোম্পানি গঠন ও উন্নয়নও করে থাকে।

সময়গত দিক থেকে অর্থায়ন তিন প্রকার, যথা : স্বল্পমেয়াদি, মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি।

স্থায়ী সম্পত্তি ক্রয় অথবা দীর্ঘদিনের জন্য বিনিয়োগের উদ্দেশ্যে যে অর্থায়ন করা হয়, তাকে দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়ন বলে। এ ধরনের অর্থায়ন সাধারণত ৭ থেকে ২০ বছর পর্যন্ত উঠানামা করতে পারে। সাধারণত বড় বড় শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপন ও বড় বড় প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়ন করা হয়।

Promotion
NEW SATT AI এখন আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

Are you sure to start over?

Loading...